ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে বেগমগঞ্জে হোমিও চিকিৎসকসহ গ্রেফতার ৪
jugantor
ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে বেগমগঞ্জে হোমিও চিকিৎসকসহ গ্রেফতার ৪

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

১০ জুলাই ২০২০, ২০:০৭:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ের প্রলোভনে দিনমজুরের কিশোরী কন্যাকে (১৭) ধর্ষণ এবং অন্তঃস্বত্ত্বা হওয়ার পর গর্ভপাত করে ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারী হোমিও চিকিৎসকসহ ৪জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলে, তাৎক্ষণিক পুলিশ অভিযুক্ত এক ইউপি সদস্য, এক নারী চিকিৎসকসহ ৪জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তার, ইউপি সদস্য মুকবুল আহম্মদ, কমল সিংহ ও ফারুক হোসেন।
অভিযুক্ত কাউসার আহমদ ওরফে হামিদ (২৮) পলাতক রয়েছে। সে পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক এবং একই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের রহম সর্দারের বাড়ির আলী আকবর ব্যাপারীর ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, বেগমগঞ্জ উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের পল্লী চিকিৎসক আবদুল হামিদ ওই মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করলে সে ২৯ সপ্তাহের অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়ে।

পরে ৪ জুলাই কাউসার আহমদ ওই কিশোরীকে তার সহযোগী কমলসিংহের মাধ্যমে চৌমুহনীর কলেজ রোডের নারী হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তারের বাসায় নিয়ে ওষুধের মাধ্যমে গর্ভের শিশুটিকে মেরে ফেলে এবং গর্ভপাত ঘটায়।

শেষে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিসের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা চালান ফারুকসহ কয়েকজন। কিন্তু মীমাংসা না করে বিষয়টি নিয়ে ফারুকসহ বাকীরা তালবাহানা করলে কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল বাহার চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।

ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে বেগমগঞ্জে হোমিও চিকিৎসকসহ গ্রেফতার ৪

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
১০ জুলাই ২০২০, ০৮:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ের প্রলোভনে দিনমজুরের কিশোরী কন্যাকে  (১৭) ধর্ষণ এবং অন্তঃস্বত্ত্বা হওয়ার পর গর্ভপাত করে ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারী হোমিও চিকিৎসকসহ ৪জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলে, তাৎক্ষণিক পুলিশ অভিযুক্ত এক ইউপি সদস্য, এক নারী চিকিৎসকসহ ৪জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তার, ইউপি সদস্য মুকবুল আহম্মদ, কমল সিংহ ও  ফারুক হোসেন।
অভিযুক্ত কাউসার আহমদ ওরফে হামিদ (২৮) পলাতক রয়েছে। সে পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক এবং একই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের রহম সর্দারের বাড়ির আলী আকবর ব্যাপারীর ছেলে।
 
মামলার অভিযোগে জানা যায়, বেগমগঞ্জ উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের পল্লী চিকিৎসক আবদুল হামিদ ওই মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করলে সে ২৯ সপ্তাহের অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়ে। 

পরে ৪ জুলাই কাউসার আহমদ ওই কিশোরীকে তার সহযোগী কমলসিংহের মাধ্যমে চৌমুহনীর কলেজ রোডের নারী হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তারের বাসায় নিয়ে ওষুধের মাধ্যমে গর্ভের শিশুটিকে মেরে ফেলে এবং গর্ভপাত ঘটায়। 

শেষে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিসের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা চালান ফারুকসহ কয়েকজন। কিন্তু মীমাংসা না করে বিষয়টি নিয়ে ফারুকসহ বাকীরা তালবাহানা করলে কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল বাহার চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন