দোহারে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
jugantor
দোহারে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

  যুগান্তর রিপোর্ট, নবাবগঞ্জ  

১৫ জুলাই ২০২০, ২২:২৫:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার দোহার উপজেলার প্রাণকেন্দ্র লটাখোলা এলাকায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী তপন কর্মকারকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মৃত গোপাল কর্মকারের ছেলে তপনের জয়পাড়া বাজারে লক্ষ্মী জুয়েলার্স নামে একটি দোকান আছে।

নিহত তপনের স্বজন রামপ্রসাদ বলেন, মঙ্গলবার রাত ১১টা ৩০ মিনিট থেকে ১২টার মধ্যে ৩-৪ জন লোক হঠাৎ এসে তপন কর্মকারকে ঘর থেকে বাইরে আসতে বলে। এ সময় তিনি ঘর থেকে বাইরে আসলে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে। এ সময় তপনের বড় ভাইয়ের স্ত্রী মনি কর্মকার ঘর থেকে বাইরে বের হলে দুর্বৃত্তরা মনি কর্মকারকে তুলে নিয়ে যায়। সকালে তাকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে এলাকাবাসী।

নিহতের স্ত্রী লক্ষ্মী কর্মকার বলেন, আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ চিৎকারে জেগে উঠি। ঘরের বাইরে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় আমার স্বামীকে দেখতে পাই। এ সময় লক্ষ্মী চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে।

তপনকে পরে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হলে বুধবার বেলা ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে স্বজনরা জানান।

দোহার থানার ওসি তদন্ত আরাফাত হোসেন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লাশ সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন। অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

দোহারে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

 যুগান্তর রিপোর্ট, নবাবগঞ্জ 
১৫ জুলাই ২০২০, ১০:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার দোহার উপজেলার প্রাণকেন্দ্র লটাখোলা এলাকায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী তপন কর্মকারকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মৃত গোপাল কর্মকারের ছেলে তপনের জয়পাড়া বাজারে লক্ষ্মী জুয়েলার্স নামে একটি দোকান আছে।

নিহত তপনের স্বজন রামপ্রসাদ বলেন, মঙ্গলবার রাত ১১টা ৩০ মিনিট থেকে ১২টার মধ্যে ৩-৪ জন লোক হঠাৎ এসে তপন কর্মকারকে ঘর থেকে বাইরে আসতে বলে। এ সময় তিনি ঘর থেকে বাইরে আসলে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে। এ সময় তপনের বড় ভাইয়ের স্ত্রী মনি কর্মকার ঘর থেকে বাইরে বের হলে দুর্বৃত্তরা মনি কর্মকারকে তুলে নিয়ে যায়। সকালে তাকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে এলাকাবাসী।

নিহতের স্ত্রী লক্ষ্মী কর্মকার বলেন, আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ চিৎকারে জেগে উঠি। ঘরের বাইরে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় আমার স্বামীকে দেখতে পাই। এ সময় লক্ষ্মী চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে।

তপনকে পরে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হলে বুধবার বেলা ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে স্বজনরা জানান।

দোহার থানার ওসি তদন্ত আরাফাত হোসেন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লাশ সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন। অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন