শায়েস্তাগঞ্জে ক্রেতাশূন্য পশুর হাট
jugantor
শায়েস্তাগঞ্জে ক্রেতাশূন্য পশুর হাট

  শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৬ জুলাই ২০২০, ২১:৪১:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় এখনও জমে উঠেনি গরুর বাজার। আর কিছুদিন পরই মুসলিম ধর্মলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। সম্প্রতি করোনার প্রাদুর্ভাবে এবার শায়েস্তাগঞ্জের শহর ও গ্রামে ছোট বড় পশুর হাট জমে উঠলেও ক্রেতাশূন্য, গরুর দামও কম।

এতে বিক্রেতারা চিন্তায় থাকলেও কম দামে গরু কিনতে পেরে খুশি অনেক ক্রেতা। শায়েস্তাগঞ্জের সবচেয়ে পুরনো পশুর হাট কেশবপুর গরুর বাজার। গেল বছরও এই হাট অনেকটা দেশি ও ভারতীয় গরুর দখলে থাকলেও এ বছর দেখা যায় দেশি গরু। তাও তুলনামূলকভাবে কম। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীরা ক্রেতার অভাবে গরু বিক্রি করতে না পেরে হতাশ হয়েই ফেরত যেতে হয়। করোনায় বিক্রেতা থাকলেও নেই ক্রেতা। প্রতি বছর সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গরু আসে এ হাটে।

এখান থেকে দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা গরু কিনে থাকেন। সপ্তাহে সোমবার হাটে গরু বেচা-কেনা হয়। কিন্তু এ বছর করোনার কারণে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না ক্রেতা-বিক্রেতা।
ক্রেতার অভাবে গরু বিক্রি করতে না পেরে হতাশার কথাই জানান কয়েকজন ব্যবসায়ী। ভালো দামে গরু বিক্রি করতে পারছেন না তারা। আগামীতে হয়ত এ পেশা বাদ দিতে হবে- এমনটাই জানান ব্যবসায়ীরা।

গরুর বাজারের ইজারাদার আবু সাঈদ জানান, বাজারটি এক বছরের জন্য সরকারিভাবে ডেকে নেয়া হয়েছে। করোনার কারণে সরকারের নির্দেশনায় আমরা দুই মাসের বেশি সময় এই পশু হাটটি বন্ধ রেখেছিলাম। হাট বন্ধ থাকায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ঈদেও গরু বিক্রি না হওয়ায় লোকসানে জর্জরিত হতে হচ্ছে। তবে সরকারের কাছে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার দাবিও জানান তিনি।

করোনায় ক্রেতা-বিক্রেতা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন সে জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। এ ছাড়া পশুর হাটটি সার্বক্ষণিক প্রশাসনের তদারকিতে আছে।

শায়েস্তাগঞ্জে ক্রেতাশূন্য পশুর হাট

 শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৬ জুলাই ২০২০, ০৯:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় এখনও জমে উঠেনি গরুর বাজার। আর কিছুদিন পরই মুসলিম ধর্মলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। সম্প্রতি করোনার প্রাদুর্ভাবে এবার শায়েস্তাগঞ্জের শহর ও গ্রামে ছোট বড় পশুর হাট জমে উঠলেও ক্রেতাশূন্য, গরুর দামও কম।

এতে বিক্রেতারা চিন্তায় থাকলেও কম দামে গরু কিনতে পেরে খুশি অনেক ক্রেতা। শায়েস্তাগঞ্জের সবচেয়ে পুরনো পশুর হাট কেশবপুর গরুর বাজার। গেল বছরও এই হাট অনেকটা দেশি ও ভারতীয় গরুর দখলে থাকলেও এ বছর দেখা যায় দেশি গরু। তাও তুলনামূলকভাবে কম। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীরা ক্রেতার অভাবে গরু বিক্রি করতে না পেরে হতাশ হয়েই ফেরত যেতে হয়। করোনায় বিক্রেতা থাকলেও নেই ক্রেতা। প্রতি বছর সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গরু আসে এ হাটে।

এখান থেকে দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা গরু কিনে থাকেন। সপ্তাহে সোমবার হাটে গরু বেচা-কেনা হয়। কিন্তু এ বছর করোনার কারণে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না ক্রেতা-বিক্রেতা।
ক্রেতার অভাবে গরু বিক্রি করতে না পেরে হতাশার কথাই জানান কয়েকজন ব্যবসায়ী। ভালো দামে গরু বিক্রি করতে পারছেন না তারা। আগামীতে হয়ত এ পেশা বাদ দিতে হবে- এমনটাই জানান ব্যবসায়ীরা।

গরুর বাজারের ইজারাদার আবু সাঈদ জানান, বাজারটি এক বছরের জন্য সরকারিভাবে ডেকে নেয়া হয়েছে। করোনার কারণে সরকারের নির্দেশনায় আমরা দুই মাসের বেশি সময় এই পশু হাটটি বন্ধ রেখেছিলাম। হাট বন্ধ থাকায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ঈদেও গরু বিক্রি না হওয়ায় লোকসানে জর্জরিত হতে হচ্ছে। তবে সরকারের কাছে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার দাবিও জানান তিনি।

করোনায় ক্রেতা-বিক্রেতা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন সে জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। এ ছাড়া পশুর হাটটি সার্বক্ষণিক প্রশাসনের তদারকিতে আছে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন