বরিশাল কলেজের প্রস্তাবিত নাম নিয়ে দুই পক্ষ মুখোমুখি

  বরিশাল ব্যুরো ১৬ জুলাই ২০২০, ২২:৩৯:৪৭ | অনলাইন সংস্করণ

সরকারি বরিশাল কলেজের নাম মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের নামে প্রস্তাবনার পক্ষে ও বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে দুইটি পক্ষ। গত এক সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষই তাদের দাবি আদায়ে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে।

তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার এক পক্ষের সংবাদ সম্মেলন ও অন্য পক্ষের গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে সরকারি বরিশাল কলেজকে মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের নামে নামকরণ বাস্তবায়ন কমিটি ও বরিশাল কলেজের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচি পালন করেন। সরকারি বরিশাল কলেজের নাম মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের নামে নাম করনের দাবি জানিয়ে বরিশালে সংবাদ সম্মেলন ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

অপরদিকে সরকারি বরিশাল কলেজের নাম অপরিবর্তিত রাখার দাবিতে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছে।

কলেজের নাম অপরিবর্তিত রাখার দাবিতে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী ৭ দিনের গণস্বাক্ষর কর্মসূচি দিয়েছে। দ্বিতীয় দিনের মতো বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে সরকারি বরিশাল কলেজের নাম পরিবর্তন করা করার জন্য দাবি জানায়। এর আগে তারা মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছে।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সরকারি বরিশাল কলেজকে মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের নামে নামকরণ বাস্তবায়ন কমিটি আহ্বায়ক ও শহীদ আ. রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাড. মানবেন্দ্র বটব্যাল।

তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, এই দাবি কয়েক যুগ ধরে বরিশালের সর্বস্তরের মানুষ আন্দোলন করে আসছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় সরকারি বরিশাল কলেজের নাম মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের নামে করে গেজেট নোটিফিকেশন জারি হওয়া এখন সময়ের দাবি। মহাত্মার বাসভবনে কলেজ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বরিশালে অসাম্প্রদায়িক নাগরিকরা কলেজের নামকরণ ‘মহাত্মা অশ্বিনী কুমার কলেজ’ করার দাবি জানালেও তৎকালীন মুসলিম লীগের সাম্প্রদায়িক নেতারা সেই দাবি অগ্রাহ্য করছেন।

অ্যাড. মানবেন্দ্র বটব্যাল বলেন, বর্তমান জেলা প্রশাসকের নিকট একই দাবি করা হলে বিষয়টি তদন্ত করে গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠান। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নীতিগতভাবে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেএসএ মহিউদ্দিন মানিক বীর প্রতীক, সাইফুর রহমান মিরন, সমন্বয়ক স্নেহাংশু কুমার বিশ্বাস, অধ্যাপিকা শাহ সাজেদা, ডা. মনিষা চক্রবর্তী, ইমরান হাবিব রুমন, অধ্যাপক নজরুল হক নিলু, একে আজাদ, দুলাল মজুমদার প্রমুখ।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত