তারাকান্দায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা
jugantor
তারাকান্দায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা

  ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

১৭ জুলাই ২০২০, ২১:৪৩:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে পুলিশ স্বামী ও শাশুড়িকে গ্রেফতার করে শুক্রবার আদালতে পাঠিয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটে তারাকান্দা উপজেলার কাকনী ইউনিয়নের তিয়ারকান্দি গ্রামে।

জানা যায়, ফুলপুর উপজেলার সাহাপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের কন্যা খোদেজা আক্তার সুমি প্রায় দুই বছর আগে প্রেমের টানে পালিয়ে তারাকান্দা উপজেলার কাকনী ইউনিয়নের তিয়ারকান্দি গ্রামের হাশু মিয়ার পুত্র বিল্লাল হোসেনের (২৫) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পরিবারের অভিযোগ, বিল্লাল হোসেন ১০ জুলাই যৌতুকের জন্য খোদেজা আক্তার সুমিকে মারধর করেন।

একপর্যায়ে খোদেজা আক্তার সুমি পিত্রালয়ে ফিরে যাওয়ার জন্য জামা-কাপড় গোছাতে থাকলে বিল্লাল হোসেন পেট্রল জাতীয় রাসায়নিক দ্রব্য ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে উদ্ধার করেন। সুমির শরীরের ৮০ ভাগ দগ্ধ হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সন্ধ্যায় সে মারা যায়।

এ ব্যাপারে খোদেজা আক্তার সুমির বড় ভাই কাউসার হোসেন উজ্জল বাদী হয়ে তারাকান্দা থানায় ঘাতক স্বামী বিল্লাল হোসেনসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘাতক স্বামী বিল্লাল হোসেন ও শাশুড়ি কুলসুম বেগমকে (৫০) গ্রেফতার করে শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
 

তারাকান্দায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা

 ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
১৭ জুলাই ২০২০, ০৯:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে পুলিশ স্বামী ও শাশুড়িকে গ্রেফতার করে শুক্রবার আদালতে পাঠিয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটে তারাকান্দা উপজেলার কাকনী ইউনিয়নের তিয়ারকান্দি গ্রামে।

জানা যায়, ফুলপুর উপজেলার সাহাপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের কন্যা খোদেজা আক্তার সুমি প্রায় দুই বছর আগে প্রেমের টানে পালিয়ে তারাকান্দা উপজেলার কাকনী ইউনিয়নের তিয়ারকান্দি গ্রামের হাশু মিয়ার পুত্র বিল্লাল হোসেনের (২৫) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পরিবারের অভিযোগ, বিল্লাল হোসেন ১০ জুলাই যৌতুকের জন্য খোদেজা আক্তার সুমিকে মারধর করেন।

একপর্যায়ে খোদেজা আক্তার সুমি পিত্রালয়ে ফিরে যাওয়ার জন্য জামা-কাপড় গোছাতে থাকলে বিল্লাল হোসেন পেট্রল জাতীয় রাসায়নিক দ্রব্য ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে উদ্ধার করেন। সুমির শরীরের ৮০ ভাগ দগ্ধ হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সন্ধ্যায় সে মারা যায়।

এ ব্যাপারে খোদেজা আক্তার সুমির বড় ভাই কাউসার হোসেন উজ্জল বাদী হয়ে তারাকান্দা থানায় ঘাতক স্বামী বিল্লাল হোসেনসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘাতক স্বামী বিল্লাল হোসেন ও শাশুড়ি কুলসুম বেগমকে (৫০) গ্রেফতার করে শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।