করোনা শনাক্তে কারসাজি, গ্রেফতার হতে পারেন ডা. সাঈদ
jugantor
করোনা শনাক্তে কারসাজি, গ্রেফতার হতে পারেন ডা. সাঈদ

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  

১৯ জুলাই ২০২০, ১৮:০১:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাস শনাক্তে নমুনা পরীক্ষায় ঢাকার জেকেজি ও রিজেন্ট হাসপাতালের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে যখন সারাদেশে তোলপাড় চলছে, তখন বিনা অনুমতিতে করোনা টেস্টের স্যাম্পল নিয়েছে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী রূপপুর মেডিকেয়ার।


আর তার জন্য লিখিত অনুমতি প্রদান করেছিল বেসরকারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ। যা স্বাস্থ্য অধিদফতরের কোন রকম অনুমতি ছাড়া।

এ ঘটনায় পুলিশ গ্রেফতার করেছেন ঈশ্বরদী রূপপুরের মেডিকেয়ার এর মালিক আবদুল ওহাব রানাকে।এই ঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।


এতে দুই নম্বর আসামি করা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. আবু সাঈদকে।


করোনা নমুনা শনাক্তে কারসাজি কারণে যে কোন সময় গ্রেফতার হতে পারেন ডা. আবু সাঈদ।পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, রিক্যুইজিশনপত্র পেলেই তাকে তারা গ্রেফতার করবে।


ঈশ্বরদী থানা ওসি শেখ মো. নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিনা অনুমতিতে করোনা টেস্টের স্যাম্পল নিচ্ছিল ঈশ্বরদী রূপপুর মেডিকেয়ার ল্যাব। আর এতে সহযোগিতা ও বেআইনীভাবে লিখিত অনুমতি প্রদান করেছিল বেসরকারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ।


ওসি শেখ মো. নাসির উদ্দিন আরও জানান সব তথ্য-উপাত্ত হাতে নিয়ে আমরা মামলা করেছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ যথাযথ নিয়ম অনুসরণ না করেই এই কাজটি করেছে। পাশাপাশি ডা. আবু সাঈদকে দ্রুত গ্রেফতারের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় রিক্যুইজিশনপত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।


এই ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, ঈশ্বরদী থানা ওসির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে।তিনি রিক্যুইজিশন পাঠিয়েছেন।আমরা তা এখনো হাতে পাইনি, হাতে পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন মো. একরাম উল্লাহ জানান, এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাকে কেউ কিছু জানায়নি।তবে আমি খোজঁ-খবর নিয়ে দেখছি।

করোনা শনাক্তে কারসাজি, গ্রেফতার হতে পারেন ডা. সাঈদ

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি 
১৯ জুলাই ২০২০, ০৬:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাস শনাক্তে নমুনা পরীক্ষায় ঢাকার জেকেজি ও রিজেন্ট হাসপাতালের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে যখন সারাদেশে তোলপাড় চলছে, তখন বিনা অনুমতিতে করোনা টেস্টের স্যাম্পল নিয়েছে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী রূপপুর মেডিকেয়ার। 


আর তার জন্য লিখিত অনুমতি প্রদান করেছিল বেসরকারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ। যা স্বাস্থ্য অধিদফতরের কোন রকম অনুমতি ছাড়া।

এ ঘটনায় পুলিশ গ্রেফতার করেছেন ঈশ্বরদী রূপপুরের মেডিকেয়ার এর মালিক আবদুল ওহাব রানাকে।এই ঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। 


এতে দুই নম্বর আসামি করা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. আবু সাঈদকে। 


করোনা নমুনা শনাক্তে কারসাজি কারণে যে কোন সময় গ্রেফতার হতে পারেন ডা. আবু সাঈদ।পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, রিক্যুইজিশনপত্র পেলেই তাকে তারা গ্রেফতার করবে।


ঈশ্বরদী থানা ওসি শেখ মো. নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিনা অনুমতিতে করোনা টেস্টের স্যাম্পল নিচ্ছিল ঈশ্বরদী রূপপুর মেডিকেয়ার ল্যাব। আর এতে সহযোগিতা ও বেআইনীভাবে লিখিত অনুমতি প্রদান করেছিল বেসরকারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ। 


ওসি শেখ মো. নাসির উদ্দিন আরও জানান সব তথ্য-উপাত্ত হাতে নিয়ে আমরা মামলা করেছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ যথাযথ নিয়ম অনুসরণ না করেই এই কাজটি করেছে। পাশাপাশি ডা. আবু সাঈদকে দ্রুত গ্রেফতারের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় রিক্যুইজিশনপত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।


এই ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, ঈশ্বরদী থানা ওসির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে।তিনি রিক্যুইজিশন পাঠিয়েছেন।আমরা তা এখনো হাতে পাইনি, হাতে পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন মো. একরাম উল্লাহ জানান, এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাকে কেউ কিছু জানায়নি।তবে আমি খোজঁ-খবর নিয়ে দেখছি। 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন