প্রবাসীর বাড়ি দখল করতে না পেরে অপপ্রচারে মত্ত সেই ‘মামলাবাজ’ মির্জা
jugantor
প্রবাসীর বাড়ি দখল করতে না পেরে অপপ্রচারে মত্ত সেই ‘মামলাবাজ’ মির্জা

  কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি  

১৯ জুলাই ২০২০, ১৯:১০:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রবাসীর বাড়ি দখল করতে না পেরে অপপ্রচারে মত্ত সেই ‘মামলাবাজ’ মির্জা
জমি দখলের উদ্দেশে পান থেকে চুন খসলেই মামলা ঢুকে দেয়া মামলাবাজ মিজানুর রহমান মির্জা। ছবি: যুগান্তর

কেরানীগঞ্জে ভূমিদস্যু ও মামলাবাজ হিসেবে খ্যাত মিজানুর রহমান মির্জা এক প্রবাসীর বাড়ি দখল করতে না পেরে বাড়ির মালিক, কেয়ারটেকারসহ তাদের আত্মীয়-স্বজনের নামে বিভিন্ন স্থানে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।  

শুধু তাই নয়, মির্জা ও ভূমিদস্যু চক্রটি একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করছে।  

ওই প্রবাসীর স্বজন রুহিতপুর ইউনিয়নের ধর্মশুর গ্রামের বাসিন্দা আবুবকর সিদ্দিক রোববার এ সব অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে থানায় একটি মামলাও করেছেন তিনি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দক্ষিণ ধর্মশুর গ্রামে আর এস ৪১৩ ও ৪১২ দাগের ৮ শতাংশ জমি ২০১৫ সালে তার ভাতিজা শহিদুল ইসলাম জনৈক রমেছা বেগমের কাছ থেকে কিনে বাড়ি নির্মাণ করেন। বর্তমানে শহিদুল ইসলাম সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবীতে থাকায় বাড়িচি খালি পড়ে আছে। বাড়িটি দেখাশুনার জন্য তিনি আবুবকর সিদ্দিককে কেয়ারটেকার নিয়োগ করেছেন। 

এ দিকে বাড়ির মালিক প্রবাসে থাকার সুযোগে স্থানীয় ভূমিদস্যু ও মামলাবাজ মিজানুর রহমান মির্জা ওই বাড়ির জমি দখলের জন্য নানাভাবে পায়তারা করছে। 

ওই বাড়ির কেয়ারটেকার আবুবকর সিদ্দিক বলেন, গত ২৫ জুন দখলের উদ্দেশে দলবল নিয়ে প্রবাসী শহিদুল ইসলামের বাড়িতে ঢুকে সেখানে থাকা আম, কাঁঠাল ও নারিকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে মির্জা। এ সময় আশপাশের প্রতিবেশীরা এসে তাদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধা দিলে মির্জা আমাদের খুন করার হুমকি দিয়ে চলে যান। 

এ ঘটনায় মির্জাসহ ৯ জনকে আসামি করে ঢাকার বিজ্ঞ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছি।  মামলা নং - ৩৭৫/২০। 

আবুবকর সিদ্দিক বলেন, আদালতে মামলা করার পর মির্জা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। এ ঘটনার ৫ দিন পর (৩০ জুন) আবারও দলবল নিয়ে ওই বাড়ি দখলের উদ্দেশে সেখানে ভায়রা শহিদুল ইসলাম বাবুকে সঙ্গে নিয়ে দলবলসহ মির্জা হামলা চালায়। এ সময় তারা লোহার রড, চাপাতি রামদা দিয়ে বাড়ির কয়েকটি ঘর ভাংচুর করে।  খবর পেয়ে প্রতিবেশীসহ বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা আমার স্ত্রী তানিয়া সুলতানা, ভাগিনা ইমরানকে কুপিয়ে আহত করে। একপর্যায়ে এলাকাবাসীর প্রতিরোধের মুখে দলবল নিয়ে পালিয়ে যায় মির্জা।  এরপর বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও মারধর করে আহত করার ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় আরও একটি মামলা করেন ভুক্তভোগীরা।

আবুবকর সিদ্দিক অভিযোগ করেন, তার ভাতিজার কেনা জমিটি দখলে নিতে বারবার হামলা করছে মির্জা বাহিনী। এ নিয়ে খুব ভয় ও আতঙ্কের রয়েছেন তারা। মামলা করার পরও পুলিশ মির্জাকে গ্রেফতার করছে না। উল্টো মামলা তুলে নিতে মির্জা নানাভাবে তাদের হুমকি দিচ্ছেন। বিভিন্ন স্থানে তাদের নামে অপপ্রচার করে বেড়াচ্ছেন। এতে হয়রানির পাশাপাশি সামাজিকভাবে মানসম্মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে তাদের। 


রুহিতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলী বলেন, মিজানুর রহমান মির্জা একজন চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও মামলাবাজ। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বললেই তার নামে মামলা ঠুকে দেন। তার মামলার হাত থেকে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সাধারণ মানুষ, আত্মীয়-স্বজন কেউ বাদ যায়নি। কেউ জমিজমা কিনলে বা জমি সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হলে সেটা দখলে নিতে নানাভাবে চেষ্টা করেন ভূমিদস্যু মির্জা। তার এ সব কাজের প্রতিবাদ করায় আমার বিরুদ্ধেও তিনি মামলা করেছেন। স্থানীয় চেয়ারম্যান হিসেবে আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাই, তদন্তপূর্বক মির্জার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থান নেয়া হোক।

রুহিতপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার জজ মিয়া জানান, আমাদের গ্রামের এমন কোনো লোক নেই যে মির্জার কারণে হয়রানির শিকার হননি। মির্জা খুবই ধূর্ত এবং খারাপ প্রকৃতির লোক। তার বিরুদ্ধে কয়েকদিন পূর্বে ধর্মশুর গ্রামের ৪৯ জন বাসিন্দা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ৯ জুলাই ‘মামলাবাজ মির্জার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ধর্মশুরের বাসিন্দারা, ব্যবস্থা নিতে পুলিশে আবেদন’ শিরোনামে যুগান্তরে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়।

সেখানে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ২২টি মামলা করেছেন মির্জা। এ সব মামলার বেশিরভাগই জমি সংক্রান্ত । মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে গ্রামের অর্ধশতাধিক বাসিন্দাকে। গ্রামের এমনও লোক আছে যার বিরুদ্ধে মির্জা ৭/৮টি মামলা ঠুকেছেন।  আবুবকর সিদ্দিকের বিরুদ্ধেও তিনটি মামলা করে হয়রানি করেছেন মির্জা।

মির্জার দায়ের করা মিথ্যা মামলার কারণে আদালতের বারান্দায় দৌড়াদৌড়ি আর আর্থিক ক্ষতিতে পড়ে অনেকেই হয়েছেন নিঃস্ব।

এ সব অভিযোগের বিষয়ে মির্জাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানিয়েছিলেন, অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি, এটা সত্য। যারা তার  জায়গা-জমি দখল করে রেখেছে তাদের বিরুদ্ধে এ সব মামলা করেছেন তিনি।

তিনি বলে ছিলেন, চেয়ারম্যান-মেম্বারদের অনেকেই আমাদের জমি দখল করে ভোগদখল করছেন। এ জন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। সরকারি কিছু কর্মকর্তা চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সহযোগিতা করায় উনাদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছি।

মির্জার এ সব কর্মকাণ্ডের বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মাইনুল ইসলাম জানান, অনধিকার অন্যের বাড়িতে প্রবেশ, হত্যার উদ্দেশে মারধর করে গুরুতর জখম, ক্ষতিসাধন, চুরি ও হুমকি প্রদানের ঘটনায় মির্জার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।  ধর্মশুর গ্রামের ৪৯ জন বাসিন্দা তার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগও করেছেন। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন। তাকে ধরার চেষ্টা চলছে। 

মামলাবাজ মির্জা পলাতক থাকায় অপপ্রচারের অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
 

প্রবাসীর বাড়ি দখল করতে না পেরে অপপ্রচারে মত্ত সেই ‘মামলাবাজ’ মির্জা

 কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি 
১৯ জুলাই ২০২০, ০৭:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
প্রবাসীর বাড়ি দখল করতে না পেরে অপপ্রচারে মত্ত সেই ‘মামলাবাজ’ মির্জা
জমি দখলের উদ্দেশে পান থেকে চুন খসলেই মামলা ঢুকে দেয়া মামলাবাজ মিজানুর রহমান মির্জা। ছবি: যুগান্তর

কেরানীগঞ্জে ভূমিদস্যু ও মামলাবাজ হিসেবে খ্যাত মিজানুর রহমান মির্জা এক প্রবাসীর বাড়ি দখল করতে না পেরে বাড়ির মালিক, কেয়ারটেকারসহ তাদের আত্মীয়-স্বজনের নামে বিভিন্ন স্থানে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

শুধু তাই নয়, মির্জা ও ভূমিদস্যু চক্রটি একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করছে।

ওই প্রবাসীর স্বজন রুহিতপুর ইউনিয়নের ধর্মশুর গ্রামের বাসিন্দা আবুবকর সিদ্দিক রোববার এ সব অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে থানায় একটি মামলাও করেছেন তিনি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দক্ষিণ ধর্মশুর গ্রামে আর এস ৪১৩ ও ৪১২ দাগের ৮ শতাংশ জমি ২০১৫ সালে তার ভাতিজা শহিদুল ইসলাম জনৈক রমেছা বেগমের কাছ থেকে কিনে বাড়ি নির্মাণ করেন। বর্তমানে শহিদুল ইসলাম সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবীতে থাকায় বাড়িচি খালি পড়ে আছে। বাড়িটি দেখাশুনার জন্য তিনি আবুবকর সিদ্দিককে কেয়ারটেকার নিয়োগ করেছেন।

এ দিকে বাড়ির মালিক প্রবাসে থাকার সুযোগে স্থানীয় ভূমিদস্যু ও মামলাবাজ মিজানুর রহমান মির্জা ওই বাড়ির জমি দখলের জন্য নানাভাবে পায়তারা করছে।

ওই বাড়ির কেয়ারটেকার আবুবকর সিদ্দিক বলেন, গত ২৫ জুন দখলের উদ্দেশে দলবল নিয়ে প্রবাসী শহিদুল ইসলামের বাড়িতে ঢুকে সেখানে থাকা আম, কাঁঠাল ও নারিকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে মির্জা। এ সময় আশপাশের প্রতিবেশীরাএসে তাদেরএমন কর্মকাণ্ডে বাধা দিলে মির্জা আমাদের খুন করার হুমকি দিয়ে চলে যান।

এ ঘটনায় মির্জাসহ ৯ জনকে আসামি করে ঢাকার বিজ্ঞ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছি। মামলা নং - ৩৭৫/২০।

আবুবকর সিদ্দিক বলেন, আদালতে মামলা করার পর মির্জা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। এ ঘটনার ৫ দিন পর (৩০ জুন) আবারও দলবল নিয়ে ওই বাড়ি দখলের উদ্দেশে সেখানে ভায়রা শহিদুল ইসলাম বাবুকে সঙ্গে নিয়ে দলবলসহ মির্জা হামলা চালায়। এ সময় তারা লোহার রড, চাপাতি রামদা দিয়ে বাড়ির কয়েকটি ঘর ভাংচুর করে। খবর পেয়ে প্রতিবেশীসহ বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা আমার স্ত্রী তানিয়া সুলতানা, ভাগিনা ইমরানকে কুপিয়ে আহত করে। একপর্যায়ে এলাকাবাসীর প্রতিরোধের মুখে দলবল নিয়ে পালিয়ে যায় মির্জা। এরপর বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও মারধর করে আহত করার ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় আরও একটি মামলা করেন ভুক্তভোগীরা।

আবুবকর সিদ্দিক অভিযোগ করেন, তার ভাতিজার কেনা জমিটি দখলে নিতে বারবার হামলা করছে মির্জা বাহিনী। এ নিয়ে খুব ভয় ও আতঙ্কের রয়েছেন তারা। মামলা করার পরও পুলিশ মির্জাকে গ্রেফতার করছে না। উল্টো মামলা তুলে নিতে মির্জা নানাভাবে তাদের হুমকি দিচ্ছেন। বিভিন্ন স্থানে তাদের নামে অপপ্রচার করে বেড়াচ্ছেন। এতে হয়রানির পাশাপাশি সামাজিকভাবে মানসম্মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে তাদের।


রুহিতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলী বলেন, মিজানুর রহমান মির্জা একজন চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও মামলাবাজ। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বললেই তার নামে মামলা ঠুকে দেন। তার মামলার হাত থেকে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সাধারণ মানুষ, আত্মীয়-স্বজন কেউ বাদ যায়নি। কেউ জমিজমা কিনলে বা জমি সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হলে সেটা দখলে নিতে নানাভাবে চেষ্টা করেন ভূমিদস্যু মির্জা। তার এ সব কাজের প্রতিবাদ করায় আমার বিরুদ্ধেও তিনি মামলা করেছেন। স্থানীয় চেয়ারম্যান হিসেবে আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাই, তদন্তপূর্বক মির্জার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থান নেয়া হোক।

রুহিতপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার জজ মিয়া জানান, আমাদের গ্রামের এমন কোনো লোক নেই যে মির্জার কারণে হয়রানির শিকার হননি। মির্জা খুবই ধূর্ত এবং খারাপ প্রকৃতির লোক। তার বিরুদ্ধে কয়েকদিন পূর্বে ধর্মশুর গ্রামের ৪৯ জন বাসিন্দা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ৯ জুলাই ‘মামলাবাজ মির্জার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ধর্মশুরের বাসিন্দারা, ব্যবস্থা নিতে পুলিশে আবেদন’ শিরোনামে যুগান্তরে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়।

সেখানে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ২২টি মামলা করেছেন মির্জা। এ সব মামলার বেশিরভাগই জমি সংক্রান্ত । মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে গ্রামের অর্ধশতাধিক বাসিন্দাকে। গ্রামের এমনও লোক আছে যার বিরুদ্ধে মির্জা ৭/৮টি মামলা ঠুকেছেন। আবুবকর সিদ্দিকের বিরুদ্ধেও তিনটি মামলা করে হয়রানি করেছেন মির্জা।

মির্জার দায়ের করা মিথ্যা মামলার কারণে আদালতের বারান্দায় দৌড়াদৌড়ি আর আর্থিক ক্ষতিতে পড়ে অনেকেই হয়েছেন নিঃস্ব।

এ সব অভিযোগের বিষয়ে মির্জাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানিয়েছিলেন, অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি, এটা সত্য। যারা তার জায়গা-জমি দখল করে রেখেছে তাদের বিরুদ্ধে এ সব মামলা করেছেন তিনি।

তিনি বলে ছিলেন, চেয়ারম্যান-মেম্বারদের অনেকেই আমাদের জমি দখল করে ভোগদখল করছেন। এ জন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। সরকারি কিছু কর্মকর্তা চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সহযোগিতা করায় উনাদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছি।

মির্জার এ সব কর্মকাণ্ডের বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মাইনুল ইসলাম জানান, অনধিকার অন্যের বাড়িতে প্রবেশ, হত্যার উদ্দেশে মারধর করে গুরুতর জখম, ক্ষতিসাধন, চুরি ও হুমকি প্রদানের ঘটনায় মির্জার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ধর্মশুর গ্রামের ৪৯ জন বাসিন্দা তার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগও করেছেন। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন। তাকে ধরার চেষ্টা চলছে।

মামলাবাজ মির্জা পলাতক থাকায় অপপ্রচারের অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।