শরীয়তপুরে করোনা পরীক্ষায় ভোগান্তিতে জনমনে ক্ষোভ

  কেএম রায়হান কবীর, শরীয়তপুর প্রতিনিধি  ২০ জুলাই ২০২০, ১৬:১৪:৩১ | অনলাইন সংস্করণ

শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন মানুষ।


ফলে অনেককেই পরীক্ষা না করে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে করে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, লোকবলের অভাব ও কিটের সীমাবদ্ধতার কারণে ভোগান্তি হতে পারে। তা ছাড়া সরকারের নির্দেশানুযায়ী উপসর্গ না থাকলে কারও নমুনা নেয়া হচ্ছে না।


চিকিৎসা নিতে আসা নড়িয়া উপজেলার বিঝারী ইউনিয়নের দিগাম্বরপট্টী এলাকার ইলিয়াস বেপারি, দেলোয়ার হোসেন কাজী যুগান্তরকে জানান, ১০০ শয্যায় শরীয়তপুর সদর আধুনিক হাসপাতালে ছয় উপজেলা ও একটি থানার মানুষ চিকিৎসার জন্য আসেন।


বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে শরীয়তপুর সদর আধুনিক হাসপাতালে এলেও রোগীরা চিকিৎসা না নিয়ে অনেককেই বাড়ি ফিরে যেতে হয়।


নাম মাত্র দুই-একজন ডাক্তার রোগী দেখেন। অনেকেই করোনা ভয়ে হাসপাতালে আসেন না। আবার কর্তৃপক্ষকে মেনেজ করে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দিয়ে চলে যান অনেকেই।


করোনা উপসর্গ থাকার পর হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা করতে গেলেও নানা অজুহাত দিয়ে তাদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রাহ করে না। অনেকে আবার পরীক্ষার জন্য সিরিয়াল দিয়েও নমুনা দিতে পারেননি।


হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রতিদিন ১০ জন লোকের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অথচ প্রতিদিন করোনার উপসর্গ নিয়ে ৪০-৫০ জন হাসপাতালে এসে নমুনা না দিতে পেরে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যান। বর্তমানে ৫২৮ জন লোক পরীক্ষায় সিরিয়ালে আছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আসলাম হোসেন বলেন, এখানে লোকবলের অভাব, ইতোমধ্যে দুজন টেকনোলজিষ্ট দিয়েও পর দিন ডেপুটেশনে নিয়ে যায়। আমি একা সব কিছু সামাল দিতে পারছি না। তা ছাড়া কিটেরও অভাব রয়েছে।


এ ব্যাপারে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুনির আহম্মদ খান বলেন, আগের মতো যাকেতাকে নমুনা পরীক্ষার সুযোগ দেয়া যাবে না।


সরকারের সীমাবদ্ধতা আছে। ১০ জনের বেশি একদিনে নমুনা নেয়া যাবে না। জোড় দিবসে নমুনা নেয়া হবে। আমাদের কিটের অভাব, লোকবলেরও অভাব।

শরীয়তপুর সিভিল সার্জন ডা. আবদুল্লাহ আল মুরাদ বলেন, উপসর্গ না থাকলে আমরা নমুনা নেই না। সরকারের নির্দেশে ১০ জনের বেশি নমুনা নেয়া হয় না। এ কারণে কিছুটা ভোগান্তি হতে পারে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত