বন্যায় সড়কে ভাঙন, রংপুরে দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ
jugantor
বন্যায় সড়কে ভাঙন, রংপুরে দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ

  রংপুর ব্যুরো  

২১ জুলাই ২০২০, ০০:৪৮:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুর মহানগরীর ৩২নং ওয়ার্ডের লক্ষণ-পাড়া ও মোল্লাপাড়ায় যোগাযোগের একমাত্র সড়কটি বন্যার পানিতে ভেঙ্গে গেছে। ফলে ওই মহল্লায় বসবাসকারী সহস্রাধিক পরিবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

বন্যার পানির তোপে ওই গ্রাম দুইটির মুল সড়কে ভাঙ্গন দেখা দেয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এতে করে আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার ভোর রাত থেকে রোববার পর্যন্ত দিনভর মুষলধারে বৃষ্টির ফলে নগরীর ৩২নং ওয়ার্ডের লক্ষণ-পাড়া, মোগলেরবাগ, দোলাপাড়া, খোর্দ্দ তামপাট, কুটিরপাড়া, সর্দারপাড়া, আরাজী তামপাট ও মোল্লাপাড়াসহ বিভিন্ন গ্রামে পানি বৃদ্ধি পায়। পানি নিষ্কাসনের ব্যবস্থা না থাকায় অনেকের বাসা-বাড়ি ও সড়কে পানি উঠেছে। অনেক স্থানে পানির চাপে সড়ক ভেঙ্গে গেছে। বাদ যায়নি লক্ষণ-পাড়া ও মোল্লাপাড়া সংযোগ সড়কটি। ওই গ্রাম দুইটির মুল সড়কে গত রোববার বন্যার পানির চাপে ভাঙ্গন দেখা দেয়। এক পর্যায়ের সড়কটির একটি অংশ পানির চাপে ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

বিষয়টি স্থানীয়রা সিটি কর্পোরেশন মেয়র ও কাউন্সিলরকে অবগত করলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে সেখানকার কয়েক হাজার মানুষ।

লক্ষণ-পাড়া গ্রামের হুদা মিয়া জানান, লক্ষণ-পাড়া একটি নিচু এলাকা। ঘাঘট নদীর তীরবর্তী এলাকা হওয়াতে প্রতি বছরই বন্যার সময় গ্রামের সড়কে-বাসা-বাড়ি পানিতে ডুবে যায়। গত শনিবার থেকে বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রামের মুল সড়ক ভেঙ্গে যায় ফলে গ্রামের মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।

মোল্লাপাড়া গ্রামের আতাউর রহমান বলেন, পানি নিষ্কাসনের পথ না থাকায় সড়কে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। অতি দ্রুত পানি নিষ্কাসনের পথ তৈরি না করলে সড়কটির ভাঙ্গন ঠেকানো যাবে না।

এ ব্যাপারে ওই ওয়ার্ড সামাজিক উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল বলেন, গত দুই দিন ধরে হাজারো মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন। ভাঙ্গন কবলিত সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি করেন তিনি।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহবুব মোর্শেদ শামীম জানান, বিষয়টি নিয়ে সিটি মেয়রের সঙ্গে কথা হয়েছে। দেখা যাক তিনি কি করেন।

একই কথা জানিয়ে মহিলা কাউন্সিলর নাজমুন নাহার নাজমা বলেন, বিষয়টি জানার পরেই খোঁজ নিয়েছি।

বন্যায় সড়কে ভাঙন, রংপুরে দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ

 রংপুর ব্যুরো 
২১ জুলাই ২০২০, ১২:৪৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুর মহানগরীর ৩২নং ওয়ার্ডের লক্ষণ-পাড়া ও মোল্লাপাড়ায় যোগাযোগের একমাত্র সড়কটি বন্যার পানিতে ভেঙ্গে গেছে। ফলে ওই মহল্লায় বসবাসকারী সহস্রাধিক পরিবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

বন্যার পানির তোপে ওই গ্রাম দুইটির মুল সড়কে ভাঙ্গন দেখা দেয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এতে করে আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার ভোর রাত থেকে রোববার পর্যন্ত দিনভর মুষলধারে বৃষ্টির ফলে নগরীর ৩২নং ওয়ার্ডের লক্ষণ-পাড়া, মোগলেরবাগ, দোলাপাড়া, খোর্দ্দ তামপাট, কুটিরপাড়া, সর্দারপাড়া, আরাজী তামপাট ও মোল্লাপাড়াসহ বিভিন্ন গ্রামে পানি বৃদ্ধি পায়। পানি নিষ্কাসনের ব্যবস্থা না থাকায় অনেকের বাসা-বাড়ি ও সড়কে পানি উঠেছে। অনেক স্থানে পানির চাপে সড়ক ভেঙ্গে গেছে। বাদ যায়নি লক্ষণ-পাড়া ও মোল্লাপাড়া সংযোগ সড়কটি। ওই গ্রাম দুইটির মুল সড়কে গত রোববার বন্যার পানির চাপে ভাঙ্গন দেখা দেয়। এক পর্যায়ের সড়কটির একটি অংশ পানির চাপে ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

বিষয়টি স্থানীয়রা সিটি কর্পোরেশন মেয়র ও কাউন্সিলরকে অবগত করলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে সেখানকার কয়েক হাজার মানুষ।

লক্ষণ-পাড়া গ্রামের হুদা মিয়া জানান, লক্ষণ-পাড়া একটি নিচু এলাকা। ঘাঘট নদীর তীরবর্তী এলাকা হওয়াতে প্রতি বছরই বন্যার সময় গ্রামের সড়কে-বাসা-বাড়ি পানিতে ডুবে যায়। গত শনিবার থেকে বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রামের মুল সড়ক ভেঙ্গে যায় ফলে গ্রামের মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।

মোল্লাপাড়া গ্রামের আতাউর রহমান বলেন, পানি নিষ্কাসনের পথ না থাকায় সড়কে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। অতি দ্রুত পানি নিষ্কাসনের পথ তৈরি না করলে সড়কটির ভাঙ্গন ঠেকানো যাবে না।

এ ব্যাপারে ওই ওয়ার্ড সামাজিক উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল বলেন, গত দুই দিন ধরে হাজারো মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন। ভাঙ্গন কবলিত সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি করেন তিনি।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহবুব মোর্শেদ শামীম জানান, বিষয়টি নিয়ে সিটি মেয়রের সঙ্গে কথা হয়েছে। দেখা যাক তিনি কি করেন।

একই কথা জানিয়ে মহিলা কাউন্সিলর নাজমুন নাহার নাজমা বলেন, বিষয়টি জানার পরেই খোঁজ নিয়েছি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন