আলট্রাসনোগ্রামে রিপোর্টে দুই শিশু, প্রসূতি পেলেন একটি
jugantor
আলট্রাসনোগ্রামে রিপোর্টে দুই শিশু, প্রসূতি পেলেন একটি

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

২১ জুলাই ২০২০, ০৩:১৩:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে আলট্রাসনোগ্রামে এক প্রসূতির যমজ শিশুর কথা উল্লেখ থাকলেও সিজারের পর তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হয় একটি নবজাতক শিশু। তবে প্রসূতি পরিবার তা মানতে নারাজ। তাদের দাবি অপর শিশুটি কোথায়?

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও জানিয়েছিল দুইটি শিশু হবে। সেই মোতাবেক তারা অপারেশন করিয়েছিল। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে বিষয়টি আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে ভুল করেছে চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। তাই ডা. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকও ভুল স্বীকার করে এখন ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

জানা যায়, জেলার সদর উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী মাহবুবুর রহমানে স্ত্রী শিউলী বেগম রোববার বিকালে শহরের সেবা ক্লিনিকে ভর্তি হয়। এই সময় পরীক্ষা পত্র যাচাই বাছাই করে তাকে জানানো হয় তার গর্ভে যমজ শিশু রয়েছে। তার সিজার করেন সেবা ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. সাইমা রহমান ইমা।

সিজারের পর তাকে জানানো হয় তার একটি নবজাতক শিশু জন্ম নিয়েছে। এই নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রোগীর স্বজনরা তর্ক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। এই সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে।

প্রসূতি শিউলী বেগমের মা সালমা বেগম বলেন, তার মেয়ে শিউলী গর্ভবতী হওয়ার পর সেবা ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. সাইমা রহমান ইমাকে নিয়মিত দেখাতেন। সর্বশেষ তার পরামর্শক্রমে স্থানীয় সেফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডা. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের কাছে একটি আলট্রাসনোগ্রাম করতে বলেন।

আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট অনুযায়ী আমাদের জানানো হয় যমজ শিশু হবে। সিজারের পর একটি নবজাতক শিশু দেয়া হয়েছে। অপর শিশু কোথায়? খোঁজ নিতে চাইলে, তারা অশোভন আচরণ করে। এই সময় অপর শিশুটি ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানান তারা।

সেবা ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. সাইমা রহমান ইমা জানান, আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টটিতে ভুল করা হয়েছে। তিনি সিজারের সময় একটি শিশু পেয়েছেন বলে দাবি করেন।

তবে অভিযুক্ত সেফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, সারাদিন একাধিক রিপোর্ট দেখতে হয়। তার মধ্যে এই রিপোর্টটি ছিল। এই সময় দেখায় ভুল হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে তা স্বীকার করে। এই সময় তিনি সমঝোতা করার অনুরোধ করেন।

আলট্রাসনোগ্রামে রিপোর্টে দুই শিশু, প্রসূতি পেলেন একটি

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  
২১ জুলাই ২০২০, ০৩:১৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে আলট্রাসনোগ্রামে এক প্রসূতির যমজ শিশুর কথা উল্লেখ থাকলেও সিজারের পর তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হয় একটি নবজাতক শিশু। তবে প্রসূতি পরিবার তা মানতে নারাজ। তাদের দাবি অপর শিশুটি কোথায়? 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও জানিয়েছিল দুইটি শিশু হবে। সেই মোতাবেক তারা অপারেশন করিয়েছিল। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে বিষয়টি আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে ভুল করেছে চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। তাই ডা. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকও ভুল স্বীকার করে এখন ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। 

জানা যায়, জেলার সদর উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী মাহবুবুর রহমানে স্ত্রী শিউলী বেগম রোববার বিকালে শহরের সেবা ক্লিনিকে ভর্তি হয়। এই সময় পরীক্ষা পত্র যাচাই বাছাই করে তাকে জানানো হয় তার গর্ভে যমজ শিশু রয়েছে। তার সিজার করেন সেবা ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. সাইমা রহমান ইমা। 

সিজারের পর তাকে জানানো হয় তার একটি নবজাতক শিশু জন্ম নিয়েছে। এই নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রোগীর স্বজনরা তর্ক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। এই সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে। 

প্রসূতি শিউলী বেগমের মা সালমা বেগম বলেন, তার মেয়ে শিউলী গর্ভবতী হওয়ার পর সেবা ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. সাইমা রহমান ইমাকে নিয়মিত দেখাতেন। সর্বশেষ তার পরামর্শক্রমে স্থানীয় সেফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডা. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের কাছে একটি আলট্রাসনোগ্রাম করতে বলেন।  

আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট অনুযায়ী আমাদের জানানো হয় যমজ শিশু হবে। সিজারের পর একটি নবজাতক শিশু দেয়া হয়েছে। অপর শিশু কোথায়? খোঁজ নিতে চাইলে, তারা অশোভন আচরণ করে। এই সময় অপর শিশুটি ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানান তারা।

সেবা ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. সাইমা রহমান ইমা জানান, আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টটিতে ভুল করা হয়েছে। তিনি সিজারের সময় একটি শিশু পেয়েছেন বলে দাবি করেন।

তবে অভিযুক্ত সেফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, সারাদিন একাধিক রিপোর্ট দেখতে হয়। তার মধ্যে এই রিপোর্টটি ছিল। এই সময় দেখায় ভুল হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে তা স্বীকার করে। এই সময় তিনি সমঝোতা করার অনুরোধ করেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন