চট্টগ্রামে ভারতীয় ট্রানজিট পণ্যের প্রথম চালান
jugantor
চট্টগ্রামে ভারতীয় ট্রানজিট পণ্যের প্রথম চালান

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  

২১ জুলাই ২০২০, ১৯:০৮:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রটম পোর্ট
চট্টগ্রাম বন্দর / ফাইল ফটো

২০১৮ সালের ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ইউজ অব চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভম্যান্ট অব গুডস্ টু অ্যান্ড ফ্রম ইন্ডিয়া’ চুক্তির আওতায় আর্টিক্যাল টু (অনুচ্ছেদ দুই) অনুযায়ী এবং ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর উভয় দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার করে নিজ দেশে পণ্য পরিবহন করছে ভারত।

পরীক্ষামূলক প্রথম চালান হিসেবে ১৪ জুলাই কলকাতার বন্দর থেকে রওনা হওয়া ‘এমভি সেজুতি’ জাহাজে করে রড ও ডাল আসছে। এর মধ্যে রডের পরিমাণ ৫৩.২৫ মেট্রিক টন আর ডাল রয়েছে ৪৯.৮৩ মেট্রিক টন। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সড়কপথে টেইলরে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে এ সব রড ও ডাল যাবে ভারতে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায়।

পণ্য পরিবহনের দায়িত্ব পাওয়া সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আদনান ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারি আকতার হোসেন জানান, পণ্য বোঝাই জাহাজটি সোমবার মধ্য রাতে চট্টগ্রাম বন্দরে আউটারে নোঙর করে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় দিকে বন্দরের জিটিতে নোঙর করে। বিকাল থেকে জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের কাজ শুরু করার কথা রয়েছে। রাতেই আখাউড়া স্থলবন্দরে পাঠানা হবে। এরপর সবকিছু ঠিক থাকলে বুধবার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আগরতলায় পাঠানো হবে পণ্যগুলো।

আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা হারুনুর রশীদ জানান, ভারতীয় পণ্য পরিবহনের জন্য কাস্টমস্ ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।

এর আগে আশুগঞ্জ নদীবন্দর ব্যবহার করে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ত্রিপুরার পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল পরিবহন করে ভারত সরকার।

এই দিকে, বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহা করে ভারতের পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ফি নির্ধারণ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দ্বিতীয় সচিব (কাস্টমস্: আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও চুক্তি) আক্তার হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে জানা গেছে, পরীক্ষামূলকভাবে ট্রানজিট পণ্য চালানের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ডকুমেন্ট প্রসেসিং ফি প্রতি চালান ৩০ টাকা, ট্রান্সশিপমেন্ট ফি প্রতি মেট্রিকটন ২০ টাকা, সিকিউরিটি চার্জ ।

প্রতি মেট্রিক টন ১০০ টাকা, অ্যাসকর্ট চার্জ প্রতি মেট্রিক টন ৫০ টাকা, বিবিধ প্রশাসনিক চার্জ প্রতি মেট্রিক টন ১০০ টাকা, কন্টেইনার স্ক্যানিং ফি প্রতি কন্টেইনার ২৫৪ টাকা। এ ছাড়া ইলেকট্রিক লক অ্যান্ড সিল ফি হিসাবে বিধিমালা দ্বারা নির্ধারিত পরিমাণ দিতে হবে।

চট্টগ্রামে ভারতীয় ট্রানজিট পণ্যের প্রথম চালান

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি 
২১ জুলাই ২০২০, ০৭:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রটম পোর্ট
চট্টগ্রাম বন্দর / ফাইল ফটো

২০১৮ সালের ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ইউজ অব চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভম্যান্ট অব গুডস্ টু অ্যান্ড ফ্রম ইন্ডিয়া’ চুক্তির আওতায় আর্টিক্যাল টু (অনুচ্ছেদ দুই) অনুযায়ী এবং ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর উভয় দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার করে নিজ দেশে পণ্য পরিবহন করছে ভারত।

পরীক্ষামূলক প্রথম চালান হিসেবে ১৪ জুলাই কলকাতার বন্দর থেকে রওনা হওয়া ‘এমভি সেজুতি’ জাহাজে করে রড ও ডাল আসছে। এর মধ্যে রডের পরিমাণ ৫৩.২৫ মেট্রিক টন আর ডাল রয়েছে ৪৯.৮৩ মেট্রিক টন। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সড়কপথে টেইলরে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে এ সব রড ও ডাল যাবে ভারতে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায়।

পণ্য পরিবহনের দায়িত্ব পাওয়া সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আদনান ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারি আকতার হোসেন জানান, পণ্য বোঝাই জাহাজটি সোমবার মধ্য রাতে চট্টগ্রাম বন্দরে আউটারে নোঙর করে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় দিকে বন্দরের জিটিতে নোঙর করে। বিকাল থেকে জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের কাজ শুরু করার কথা রয়েছে। রাতেই আখাউড়া স্থলবন্দরে পাঠানা হবে। এরপর সবকিছু ঠিক থাকলে বুধবার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আগরতলায় পাঠানো হবে পণ্যগুলো।

আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা হারুনুর রশীদ জানান, ভারতীয় পণ্য পরিবহনের জন্য কাস্টমস্ ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।

এর আগে আশুগঞ্জ নদীবন্দর ব্যবহার করে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ত্রিপুরার পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল পরিবহন করে ভারত সরকার।

এই দিকে, বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহা করে ভারতের পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ফি নির্ধারণ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দ্বিতীয় সচিব (কাস্টমস্: আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও চুক্তি) আক্তার হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে জানা গেছে, পরীক্ষামূলকভাবে ট্রানজিট পণ্য চালানের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ডকুমেন্ট প্রসেসিং ফি প্রতি চালান ৩০ টাকা, ট্রান্সশিপমেন্ট ফি প্রতি মেট্রিকটন ২০ টাকা, সিকিউরিটি চার্জ ।

প্রতি মেট্রিক টন ১০০ টাকা, অ্যাসকর্ট চার্জ প্রতি মেট্রিক টন ৫০ টাকা, বিবিধ প্রশাসনিক চার্জ প্রতি মেট্রিক টন ১০০ টাকা, কন্টেইনার স্ক্যানিং ফি প্রতি কন্টেইনার ২৫৪ টাকা। এ ছাড়া ইলেকট্রিক লক অ্যান্ড সিল ফি হিসাবে বিধিমালা দ্বারা নির্ধারিত পরিমাণ দিতে হবে।