২০০ টাকার জন্য একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করে সাগর
jugantor
২০০ টাকার জন্য একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করে সাগর

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি  

২১ জুলাই ২০২০, ২২:৩০:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার কথা স্বীকার করে মঙ্গলবার আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেফতারকৃত সাগর আলী। দুপুরে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে সাগর জানায়, ঋণ চাইলে অপমান করায় একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করে সাগর।

গ্রেফতারকৃত অপর আসামি জোয়াদ আলী রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, মধুপুরের ব্রাহ্মনবাড়ি গ্রামের মৃত মকবর আলীর ছেলে সাগরকে (২৮) র্যা ব রোববার গ্রেফতার করে। পরে সোমবার তাকে মধুপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সাগর আলী পেশায় রিকশাচালক। নিহত আবদুল গনির বাসার কাছেই মাস্টারপাড়া এলাকায় তিনি ভাড়া বাসায় থাকেন।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর অহমেদ জানান, পুলিশের কাছে সাগর আলী আদালতে জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়। পরে সাগর আলী এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল আলম তার জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনার দিন সকালে ২০০ টাকা ঋণ চাইলে সাগর আলীকে আবদুল গনি খুব অপমান করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাগর গনিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরে তার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে চেতনানাশক সংগ্রহ করেন। রাতে আবদুল গনির বাড়িতে গিয়ে চেতনানাশক দিয়ে তাকে, তার স্ত্রী এবং ছেলে ও মেয়েকে অজ্ঞান করে হত্যা করেন। পরে ওই বাড়ি থেকে কিছু মালামালও লুট করেন।

এদিকে মধুপুর থানা পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জোয়াদ আলী (৩০) নামক এক ব্যক্তিকে রোববার গ্রেফতার করে। তিনি মধুপুরের ব্রাহ্মণবাড়ি গ্রামের আজগর আলীর ছেলে। গ্রেফতারকৃত জোয়াদ আলীকে সোমবার টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে জোয়াদ আলীর জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

মধুপুর থানার ওসি তারিক কামাল জানান, জিজ্ঞাসাবাদে জোয়াদ আলীর কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তার তথ্য যাচাই করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার মধুপুর উপজেলা সদরের মাস্টারপাড়া এলাকা নিজ বাসা থেকে ব্যবসায়ী আবদুল গনি (৫২), তার স্ত্রী তাজিরন বেগম (৪২), তাদের ছেলে তরিকুল ওরফে তাজেল (১৮) ও মেয়ে সাদিয়ার (৭) লাশ উদ্ধার করা হয়। তাদের প্রত্যেকের শরীরের ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওই দিনই নিহত গনির বড় মেয়ে সোনিয়া বেগম বাদী হয়ে মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

২০০ টাকার জন্য একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করে সাগর

 টাঙ্গাইল প্রতিনিধি 
২১ জুলাই ২০২০, ১০:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার কথা স্বীকার করে মঙ্গলবার আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেফতারকৃত সাগর আলী। দুপুরে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে সাগর জানায়, ঋণ চাইলে অপমান করায় একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করে সাগর।

গ্রেফতারকৃত অপর আসামি জোয়াদ আলী রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, মধুপুরের ব্রাহ্মনবাড়ি গ্রামের মৃত মকবর আলীর ছেলে সাগরকে (২৮) র্যা ব রোববার গ্রেফতার করে। পরে সোমবার তাকে মধুপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সাগর আলী পেশায় রিকশাচালক। নিহত আবদুল গনির বাসার কাছেই মাস্টারপাড়া এলাকায় তিনি ভাড়া বাসায় থাকেন।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর অহমেদ জানান, পুলিশের কাছে সাগর আলী আদালতে জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়। পরে সাগর আলী এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল আলম তার জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনার দিন সকালে ২০০ টাকা ঋণ চাইলে সাগর আলীকে আবদুল গনি খুব অপমান করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাগর গনিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরে তার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে চেতনানাশক সংগ্রহ করেন। রাতে আবদুল গনির বাড়িতে গিয়ে চেতনানাশক দিয়ে তাকে, তার স্ত্রী এবং ছেলে ও মেয়েকে অজ্ঞান করে হত্যা করেন। পরে ওই বাড়ি থেকে কিছু মালামালও লুট করেন।

এদিকে মধুপুর থানা পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জোয়াদ আলী (৩০) নামক এক ব্যক্তিকে রোববার গ্রেফতার করে। তিনি মধুপুরের ব্রাহ্মণবাড়ি গ্রামের আজগর আলীর ছেলে। গ্রেফতারকৃত জোয়াদ আলীকে সোমবার টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে জোয়াদ আলীর জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

মধুপুর থানার ওসি তারিক কামাল জানান, জিজ্ঞাসাবাদে জোয়াদ আলীর কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তার তথ্য যাচাই করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার মধুপুর উপজেলা সদরের মাস্টারপাড়া এলাকা নিজ বাসা থেকে ব্যবসায়ী আবদুল গনি (৫২), তার স্ত্রী তাজিরন বেগম (৪২), তাদের ছেলে তরিকুল ওরফে তাজেল (১৮) ও মেয়ে সাদিয়ার (৭) লাশ উদ্ধার করা হয়। তাদের প্রত্যেকের শরীরের ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওই দিনই নিহত গনির বড় মেয়ে সোনিয়া বেগম বাদী হয়ে মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন