দোহারে পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ চরমে
jugantor
দোহারে পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ চরমে

  যুগান্তর রিপোর্ট, নবাবগঞ্জ  

২১ জুলাই ২০২০, ২২:৫৮:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার দোহার উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ যেন পিছু ছাড়ছে না। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাব। ফলে এ সব এলাকায় পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও খ্যাদ্য সহায়তা পৌঁছেনি।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মাহমুদপুর, বিলাসপুর, নারিশা, মুকসুদপুর ইউনিয়নের পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকার প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হেলেনা বেগম বলেন, গত এক সপ্তাহ যাবত পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরকুশাইচর, মাহমুদপুর, চরলটাখোলা, চরকুসুমহাটি, চরবৈতা, নারায়ণপুর, হরিচণ্ডীসহ আরও বেশকিছু গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে। যোগাযোগের মাধ্যম গ্রামীণ কাঁচা-পাকা সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে স্বল্প আয়ের দরিদ্র মানুষ হতাশার মধ্যে দিন-রাত পার করছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের রাধানগর, কুলছুরি, কুতুবপুর, রামনাথপুর, হাজারবিঘা এলাকার সড়ক ও ঘরবাড়ি পানিতে পদ্মার পানি প্রবেশ করেছে। এ ছাড়া সুতারপাড়া মধুরচর, দোহার খালপাড়, আল-আমিন বাজার, গজারিয়া, পশ্চিম পুরসুতারপাড়া, মুকসুদপুরের পদ্মা তীরবর্তী এলাকাসমূহ পানিতে প্লাবিত হয়েছে। কুসুমহাটী ইউনিয়নের চরকুশাই, চরকুসুমহাটি, চরসুন্দরীপাড়া এলাকায়ও ইতিমধ্যে পদ্মার পানি প্রবেশ করেছে।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম ফিরোজ মাহমুদ বলেন, পানিতে প্লাবিত হওয়া এলাকাগুলোতে সরকারি সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও খ্যাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার থেকে সাইনপুকুর এলাকায় ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে। এখানে প্রতিদিন প্রায় ২৫০ জন অসহায় মানুষকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

দোহারে পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ চরমে

 যুগান্তর রিপোর্ট, নবাবগঞ্জ 
২১ জুলাই ২০২০, ১০:৫৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার দোহার উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ যেন পিছু ছাড়ছে না। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাব। ফলে এ সব এলাকায় পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও খ্যাদ্য সহায়তা পৌঁছেনি।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মাহমুদপুর, বিলাসপুর, নারিশা, মুকসুদপুর  ইউনিয়নের পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকার প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হেলেনা বেগম বলেন, গত এক সপ্তাহ যাবত পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরকুশাইচর, মাহমুদপুর, চরলটাখোলা, চরকুসুমহাটি, চরবৈতা, নারায়ণপুর, হরিচণ্ডীসহ আরও বেশকিছু গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে। যোগাযোগের মাধ্যম গ্রামীণ কাঁচা-পাকা সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে স্বল্প আয়ের দরিদ্র মানুষ হতাশার মধ্যে দিন-রাত পার করছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের রাধানগর, কুলছুরি, কুতুবপুর, রামনাথপুর, হাজারবিঘা এলাকার সড়ক ও ঘরবাড়ি পানিতে পদ্মার পানি প্রবেশ করেছে। এ ছাড়া সুতারপাড়া মধুরচর, দোহার খালপাড়, আল-আমিন বাজার, গজারিয়া, পশ্চিম পুরসুতারপাড়া, মুকসুদপুরের পদ্মা তীরবর্তী এলাকাসমূহ পানিতে প্লাবিত হয়েছে। কুসুমহাটী ইউনিয়নের চরকুশাই, চরকুসুমহাটি, চরসুন্দরীপাড়া এলাকায়ও ইতিমধ্যে পদ্মার পানি প্রবেশ করেছে।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম  ফিরোজ মাহমুদ বলেন, পানিতে প্লাবিত হওয়া এলাকাগুলোতে সরকারি সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও খ্যাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার থেকে সাইনপুকুর এলাকায় ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে। এখানে প্রতিদিন প্রায় ২৫০ জন অসহায় মানুষকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন