যশোরে ৩ বছর সংসার করার পর সেবিকার ধর্ষণ মামলা!
jugantor
যশোরে ৩ বছর সংসার করার পর সেবিকার ধর্ষণ মামলা!

  যশোর ব্যুরো  

২১ জুলাই ২০২০, ২৩:০১:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে বিয়ের সিদ্ধান্ত। স্বামী-স্ত্রী হিসেবে তিন বছর সংসারও করেছেন। এতদিন পর জানা গেল তাদের বিয়ের কাবিননামা নেই। রঙিন কাগজে স্বাক্ষর করা কাবিননামাটি ছিল ভুয়া। প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালের এক সেবিকাকে (৩১) ধর্ষণের অভিযোগে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে আসামি শেখ শামীম আল মামুনকে (৩২) গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

আসামি শেখ শামীম আল মামুন সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার দিয়া গ্রামের মৃত শেখ ফজলুল হকের ছেলে ও বর্তমানে যশোর শহরের ঘোপ জেলরোড অন্ধ হাফেজিয়া মাদ্রাসার সামনে জনৈক মামুনের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

বাদী সেবিকা (৩১) এজাহারে উল্লেখ করেছেন, শেখ শামীম আল মামুনের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়। তার পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ও মামুন নিজেকে অবিবাহিত বলে বিয়ের প্রস্তাব দেন।  সরল মনে তিনি বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হন। ২০১৭ সালে ২ জুন সকাল ১০টায় প্রতারক শেখ শামীম আল মামুন একটি রঙিন কাগজে স্বাক্ষর করে নিয়ে বিয়ের কথা বলে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস শুরু করে।

তাদের মধ্যে ঘর-সংসার করাকালে শেখ শামীম আল মামুন তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে শুরু করে। তার আচরণে সন্দেহ সৃষ্টি হলে সেবিকা বিয়ের কাবিননামা দেখতে চায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।

সোমবার রাত ৯টার দিকে পুনরায় খারাপ ব্যবহার করলে তিনি প্রতিবাদ করেন ও কাবিননামা দেখতে চান। মামুন ক্ষিপ্ত হয়ে সেবিকাকে বলে বেশি বাড়াবাড়ি করলে খারাপ হবে। মামুন তাকে বলে, বিয়ে করেনি, ৩ বছর ১ মাস তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছি।

কোতোয়লি থানার এসআই সেকেন্দার আবু জাফর জানান, ভিকটিম সেবিকা মঙ্গলবার সকালে কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর পরই প্রতারক শেখ শামীম আল মামুনকে গ্রেফতার করা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সেবিকার ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

যশোরে ৩ বছর সংসার করার পর সেবিকার ধর্ষণ মামলা!

 যশোর ব্যুরো 
২১ জুলাই ২০২০, ১১:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে বিয়ের সিদ্ধান্ত। স্বামী-স্ত্রী হিসেবে তিন বছর সংসারও করেছেন। এতদিন পর জানা গেল তাদের বিয়ের কাবিননামা নেই। রঙিন কাগজে স্বাক্ষর করা কাবিননামাটি ছিল ভুয়া। প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালের এক সেবিকাকে (৩১) ধর্ষণের অভিযোগে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে আসামি শেখ শামীম আল মামুনকে (৩২) গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

আসামি শেখ শামীম আল মামুন সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার দিয়া গ্রামের মৃত শেখ ফজলুল হকের ছেলে ও বর্তমানে যশোর শহরের ঘোপ জেলরোড অন্ধ হাফেজিয়া মাদ্রাসার সামনে জনৈক মামুনের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

বাদী সেবিকা (৩১) এজাহারে উল্লেখ করেছেন, শেখ শামীম আল মামুনের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়। তার পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ও মামুন নিজেকে অবিবাহিত বলে বিয়ের প্রস্তাব দেন। সরল মনে তিনি বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হন। ২০১৭ সালে ২ জুন সকাল ১০টায় প্রতারক শেখ শামীম আল মামুন একটি রঙিন কাগজে স্বাক্ষর করে নিয়ে বিয়ের কথা বলে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস শুরু করে।

তাদের মধ্যে ঘর-সংসার করাকালে শেখ শামীম আল মামুন তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে শুরু করে। তার আচরণে সন্দেহ সৃষ্টি হলে সেবিকা বিয়ের কাবিননামা দেখতে চায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।

সোমবার রাত ৯টার দিকে পুনরায় খারাপ ব্যবহার করলে তিনি প্রতিবাদ করেন ও কাবিননামা দেখতে চান। মামুন ক্ষিপ্ত হয়ে সেবিকাকে বলে বেশি বাড়াবাড়ি করলে খারাপ হবে। মামুন তাকে বলে, বিয়ে করেনি, ৩ বছর ১ মাস তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছি।

কোতোয়লি থানার এসআই সেকেন্দার আবু জাফর জানান, ভিকটিম সেবিকা মঙ্গলবার সকালে কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর পরই প্রতারক শেখ শামীম আল মামুনকে গ্রেফতার করা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সেবিকার ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।