নোয়াখালী হাসপাতালের যন্ত্রপাতি আত্মসাতে দুদকের অনুসন্ধান
jugantor
নোয়াখালী হাসপাতালের যন্ত্রপাতি আত্মসাতে দুদকের অনুসন্ধান

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২২ জুলাই ২০২০, ২০:৪৪:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ৭ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি আত্মসাতের অভিযোগে দুদক অনুসন্ধান শুরু করেছে। নোয়াখালী দুদকের সহকারী পরিচালক ও তদন্ত টিমের প্রধান সুবেল আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত টিম বুধবার থেকে এ অনুসন্ধান শুরু করেছে বলে জেলা দুদক সূত্র জানায়।

২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে বিভিন্ন সময়ে সরবরাহকৃত সি আর এক্স-রে মেশিনসহ সরঞ্জামাদি ও যন্ত্রপাতির মূল্য যাচাই সম্পর্কে দুদক স্বাস্থ্য বিভাগের একটি উচ্চপদস্থ টিম নিয়ে সরেজমিন বুধবার থেকে অনুসন্ধান শুরু করেছে।

দুদকের এই অনুসন্ধান টিমের অন্য সদস্যরা হচ্ছেন সিএমএইচডি ঢাকার উপ-পরিচালক ডা. নিজামুদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদফতর হাসপাতাল-৪-এর সহকারী পরিচালক ডা. আহসানুল হক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের রেডিওলোজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শহিদুল ইসলাম, নিমিউ এন্ড টিসির সহকারী প্রকৌশলী (ইলেকট্রনিকস) নাশিদ রহমান, ডিপিএম হাসপাতালের ডা. সুরজিত দত্ত।

দুদকের সহকারী পরিচালক শফিউল আহমেদের নেতৃত্বে এই টিম বুধবার হাসপাতালে এসে দেখতে পায়, প্রায় ৫০ লাখ টাকা মূল্যের একটি সিআর এক্স-রে মেশিন -৫০০ অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে যা প্রায় ৫ বছর সরবরাহ নেয়ার পর থেকে একদিনও কাজে আসেনি। এ ছাড়া ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সরবরাহ নেয়া অটোমেশন, পোর্টাবেল ৪-ডি আল্ট্রাসনোগ্রাফি, আইসিইউ বেড, ডেন্টাল চেয়ারসহ যন্ত্রপাতি সরবরাহ নেয়া পণ্যের স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী সঠিক পাওয়া যায়নি। যার মূল্য অভিযোগকারী তার অভিযোগে ৭ কোটি টাকা উল্লেখ করেছেন।

নোয়াখালী দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। শিগগিরই এই অনুসন্ধান শেষ করে সরকারি টাকা আত্মসাৎকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

নোয়াখালী হাসপাতালের যন্ত্রপাতি আত্মসাতে দুদকের অনুসন্ধান

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২২ জুলাই ২০২০, ০৮:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ৭ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি আত্মসাতের অভিযোগে দুদক অনুসন্ধান শুরু করেছে। নোয়াখালী দুদকের সহকারী পরিচালক ও তদন্ত টিমের প্রধান সুবেল আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত টিম বুধবার থেকে এ অনুসন্ধান শুরু করেছে বলে জেলা দুদক সূত্র জানায়।

২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে বিভিন্ন সময়ে সরবরাহকৃত সি আর এক্স-রে মেশিনসহ সরঞ্জামাদি ও যন্ত্রপাতির মূল্য যাচাই সম্পর্কে দুদক স্বাস্থ্য বিভাগের একটি উচ্চপদস্থ টিম নিয়ে সরেজমিন বুধবার থেকে অনুসন্ধান শুরু করেছে।

দুদকের এই অনুসন্ধান টিমের অন্য সদস্যরা হচ্ছেন সিএমএইচডি ঢাকার উপ-পরিচালক ডা. নিজামুদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদফতর হাসপাতাল-৪-এর সহকারী পরিচালক ডা. আহসানুল হক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের রেডিওলোজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শহিদুল ইসলাম, নিমিউ এন্ড টিসির সহকারী প্রকৌশলী (ইলেকট্রনিকস) নাশিদ রহমান, ডিপিএম হাসপাতালের ডা. সুরজিত দত্ত।

দুদকের সহকারী পরিচালক শফিউল আহমেদের নেতৃত্বে এই টিম বুধবার হাসপাতালে এসে দেখতে পায়, প্রায় ৫০ লাখ টাকা মূল্যের একটি সিআর এক্স-রে মেশিন -৫০০ অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে যা প্রায় ৫ বছর সরবরাহ নেয়ার পর থেকে একদিনও কাজে আসেনি। এ ছাড়া ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সরবরাহ নেয়া অটোমেশন, পোর্টাবেল ৪-ডি আল্ট্রাসনোগ্রাফি, আইসিইউ বেড, ডেন্টাল চেয়ারসহ যন্ত্রপাতি সরবরাহ নেয়া পণ্যের স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী সঠিক পাওয়া যায়নি। যার মূল্য অভিযোগকারী তার অভিযোগে ৭ কোটি টাকা উল্লেখ করেছেন।

নোয়াখালী দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। শিগগিরই এই অনুসন্ধান শেষ করে সরকারি টাকা আত্মসাৎকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন