ভিজিএফের চাল আত্মসাৎ, ভালুকায় চেয়ারম্যান দফাদার আটক
jugantor
ভিজিএফের চাল আত্মসাৎ, ভালুকায় চেয়ারম্যান দফাদার আটক

  ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২২ জুলাই ২০২০, ২২:৪৯:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের ৬ শতাধিক হতদরিদ্র ভিজিএফের কার্ডধারী হতদরিদ্রের চাল আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরের এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার রানী ও আকবর হোসেন নামে এক দফাদারকে থানায় নেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নে ৪ হাজার তিরাশি জনের ভিজিএফের কার্ডের তালিকা রয়েছে। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রতিজনকে মাথা পিছু ১০ কেজি করে বিনামূল্যে চাল দেয়ার কথা। ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে মঙ্গলবার চাল দেয়া শুরু হয়। বুধবার দুপুরে ৬ শতাধিক কার্ডধারী বাকি থাকতেই চাল শেষ হয়ে যায়। চাল না পেয়ে এ সময় উপস্থিত কার্ডধারী হতদরিদ্ররা হট্টগোল শুরু করেন।

বিষয়টি ট্যাগ অফিসার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জুয়েল আশরাফের নজরে আসে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ কামাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে কার্ডধারীরা তাদের চাল দাবি করেন।

ট্র্যাগ অফিসার জুয়েল আশরাফ জানান, আমি উপস্থিত থেকে চাল দিয়েছি, ২ শতাধিক কার্ডধারী চাল পাননি। কার্ড থাকা সত্ত্বেও মজুতকৃত চাল শেষ হয়ে যাওয়ায় আমি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করি।

ইউপি চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার রানী জানান, দুদিন যাবৎ চাল দেয়া হচ্ছে আজকে চাল দেয়ার সময় আনুমানিক ৭৫-৭৬টি কার্ডের চাল কম পড়ে গেছে। যে কয়েকজন কার্ডধারীর চাল কম পড়েছে আমরা তাদের চাল কিনে দিয়ে দিব। কিভাবে চাল কম পড়ল আমি বুঝে উঠতে পারছি না।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা আবুল বাসার জানান, গত তিনদিনে গুদাম থেকে ওই ইউনিয়নের ভিজিএফের কার্ডের সব চাল চেয়ারম্যান সাহেবের পক্ষে দফাদার আকবর উত্তোলন করে নিয়ে গেছেন।

ভালুকা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, প্রতি বস্তা ৩০ কেজি ওজনের ২৩০ বস্তা চাল কম পড়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার রানী ও আকবর হোসেন নামে এক দফাদারকে থানায় আনা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ কামাল জানান, ‘ঈদ উপলক্ষে বিশেষ বরাদ্দের ভিজিএফ চালের জন্য ওই ইউনিয়নের সব টোকেনধারী চাল পাননি এমন খবরের ভিত্তিতে আমি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে হাজির হই। টোকেনধারীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি যে, তারা চাল পাননি। উপস্থিত মেম্বার ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন চেয়ারম্যান চাল বিক্রি করে দিয়েছেন। তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত চলছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চেয়ারম্যান ও এক দফাদারকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

ভিজিএফের চাল আত্মসাৎ, ভালুকায় চেয়ারম্যান দফাদার আটক

 ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২২ জুলাই ২০২০, ১০:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের ৬ শতাধিক হতদরিদ্র ভিজিএফেরকার্ডধারী হতদরিদ্রের চাল আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরের এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার রানী ও আকবর হোসেন নামে এক দফাদারকে থানায় নেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নে ৪ হাজার তিরাশি জনের ভিজিএফেরকার্ডের তালিকা রয়েছে। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রতিজনকে মাথা পিছু ১০ কেজি করে বিনামূল্যে চাল দেয়ার কথা। ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে মঙ্গলবার চাল দেয়া শুরু হয়। বুধবার দুপুরে ৬ শতাধিক কার্ডধারী বাকি থাকতেই চাল শেষ হয়ে যায়। চাল না পেয়ে এ সময় উপস্থিত কার্ডধারী হতদরিদ্ররা হট্টগোল শুরু করেন।

বিষয়টি ট্যাগ অফিসার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জুয়েল আশরাফের নজরে আসে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ কামাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে কার্ডধারীরা তাদের চাল দাবি করেন।

ট্র্যাগ অফিসার জুয়েল আশরাফ জানান, আমি উপস্থিত থেকে চাল দিয়েছি, ২ শতাধিক কার্ডধারী চাল পাননি। কার্ড থাকা সত্ত্বেও মজুতকৃত চাল শেষ হয়ে যাওয়ায় আমি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করি।

ইউপি চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার রানী জানান, দুদিন যাবৎ চাল দেয়া হচ্ছে আজকে চাল দেয়ার সময় আনুমানিক ৭৫-৭৬টি কার্ডের চাল কম পড়ে গেছে। যে কয়েকজন কার্ডধারীর চাল কম পড়েছে আমরা তাদের চাল কিনে দিয়ে দিব। কিভাবে চাল কম পড়ল আমি বুঝে উঠতে পারছি না।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা আবুল বাসার জানান, গত তিনদিনে গুদাম থেকে ওই ইউনিয়নের ভিজিএফেরকার্ডের সব চাল চেয়ারম্যান সাহেবের পক্ষে দফাদার আকবর উত্তোলন করে নিয়ে গেছেন।

ভালুকা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, প্রতি বস্তা ৩০ কেজি ওজনের ২৩০ বস্তা চাল কম পড়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার রানী ও আকবর হোসেন নামে এক দফাদারকে থানায় আনা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ কামাল জানান, ‘ঈদ উপলক্ষে বিশেষ বরাদ্দের ভিজিএফ চালের জন্য ওই ইউনিয়নের সব টোকেনধারী চাল পাননি এমন খবরের ভিত্তিতে আমি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে হাজির হই। টোকেনধারীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি যে, তারা চাল পাননি। উপস্থিত মেম্বার ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন চেয়ারম্যান চাল বিক্রি করে দিয়েছেন। তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত চলছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চেয়ারম্যান ও এক দফাদারকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।