বান্দরবানে টানা বর্ষণে পাহাড় ধস

টিনের ঘেরা দিয়ে কাটা হচ্ছে পাহাড়

  বান্দরবান প্রতিনিধি ২৩ জুলাই ২০২০, ১৯:৩৭:১৭ | অনলাইন সংস্করণ

বান্দরবানে পাহাড় ধসের শঙ্কা তৈরি হয়েছে

টানা বর্ষণে বান্দরবানের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার সদরের কাসেমপাড়া এবং হাফেজঘোনা চিম্বুক সড়ক এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে চারপাশে টিনের ঘেরাও দিয়ে পাহাড় কাটতে দেখা গেছে।
এদিকে পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বান্দরবান পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে এখনও ঝুঁকিপর্ণভাবে বসবাস করছে হাজার হাজার পরিবার। বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে প্রাণহানির শঙ্কা দেখা দেয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ বসতি ছেড়ে লোকজনদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।

প্রশাসন, পৌরসভা ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার থেকে বান্দরবানে অবিরাম বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। গত আটচল্লিশ ঘণ্টায় বান্দরবানে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা বর্ষণে বান্দরবান পৌরসভার ইসলামপুর, কাসেমপাড়া, বনরুপাপাড়া, কালাঘাটা, কসাইপাড়া, বালাঘাটা, লেমুঝিরি, হাফেজঘোনা এলাকায় ছোটখাটো পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে প্রতিবছর পাহাড় ধসে প্রাণহানির পরও থামছে না পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন।

বৃহস্পতিবারও বৃষ্টির মধ্যে চারপাশে টিনের ঘেরাও দিয়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাসেম পাড়া এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাফেজঘোনা চিম্বুক সড়ক এলাকায় পাহাড় কাটতে দেখা গেছে কয়েকজনকে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু নাছের অভিযোগ করে বলেন, বৃষ্টির মধ্যে টিনের ঘেরাও দিয়ে পাহাড় কাটা হচ্ছে। পাহাড় কাটার ফলে প্রতিবছরই পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।
বান্দরবান মৃত্তিকা সংরক্ষণ গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহাবুবুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার থেকেই বান্দরবান জেলায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গতকালের চেয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বেড়েছে।
অবিরাম বর্ষণের কারণে বান্দরবানে পাহাড় ধসের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রাণহানি রুখতে পাহাড়ের ঢালুতে ঝুকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হচ্ছে।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো. ইসলাম বেবী বলেন, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঝুকিপূর্ণ বসতিগুলো থেকে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে বসবাসকারীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, পাহাড় কাটা শাস্তিমূলক অপরাধ। কোনোভাবেই পাহাড় কাটা যাবে না। পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত