হোসেনপুরে গভীর রাতে আসামি ধরার নামে পুলিশি তাণ্ডব
jugantor
হোসেনপুরে গভীর রাতে আসামি ধরার নামে পুলিশি তাণ্ডব

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

২৩ জুলাই ২০২০, ২০:১২:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জ
হোসেনপুর থানার পল্লীতে গভীর রাতে জমি বিরোধের মামলার আসামি ধরার নামে বাড়িঘর ভাংচুর ও স্ত্রী-কন্যা-পুত্রসহ এক গৃহস্বামীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে

জেলার হোসেনপুর থানার পল্লীতে গভীর রাতে জমি বিরোধের মামলার আসামি ধরার নামে বাড়িঘর ভাংচুর ও স্ত্রী-কন্যা-পুত্রসহ এক গৃহস্বামীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাত ২টার দিকে উপজেলার সাহেদল ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগে জানা গেছে, বুধবার হোসেনপুর থানায় দায়েরকৃত দু’ইপক্ষের একটি জমি বিরোধের মামলায় ওই রাত আনুমানিক ২টার দিকে হোসেনপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ রফিক ও ওয়াসিম বিল্লাহর নেতৃত্বে একদল পুলিশ রহিমপুর গ্রামে এ অভিযান চালায়। 

এ সময় পুলিশ সাহেদল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিনের বাড়িতে আসামি আছে বলে হানা দিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর এবং স্ত্রীসহ গৃহস্বামী আওয়ামী লীগ নেতা আফাজ উদ্দিন ও তার ছেলে-মেয়েকে বেধড়ক লাঠিপেটা করে। 
এদের মধ্যে গুরুতর আহত আফাজ উদ্দিন (৫৫) ও তার স্ত্রী লায়লা আক্তারকে ( ৪৩) উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি লায়লা আক্তার যুগান্তরকে জানান, পুলিশের লাঠিচার্জে তার স্বামী আফাজ উদ্দিনের বাম হাত ভেঙে যায় এবং তার নিজের মাথায় রক্তাক্ত জখম হলে ৬টি সেলাই দিতে হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ হামলা থেকে তার এসএসসি পাস মেয়ে মেঘলা আক্তার (১৬) এবং দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে নাফিজও (৭) রক্ষা পায়নি।

লায়লা আক্তার জানান, তাদের সঙ্গে কারও বিরোধ ও মামলা মোকদ্দমাও নেই। তবে তার দেবর শফিকুল ইসলামের সঙ্গে প্রতিবেশী সোহরাব উদ্দিনের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। 

এ ঘটনায় সোহরাব উদ্দিন থানায় মামলা করলে পুলিশ এসে তাদের কাউকে বাড়িতে না পেয়ে বাড়িঘর ভাংচুরসহ তাদের ওপর বর্বরোচিত কায়দায় হামলা চালায়। আর এ হামলায় হোসেনপুর থানা পুলিশের সঙ্গে পুলিশে চাকরিরত বাদী সোহরাব উদ্দিনের ছেলে মামুন মিয়াও অংশ নেয়। 

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে হোসেনপুর থানার ওসি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তবে এ সময় তিনি দাবি করেন, মামলায় আসামি ধরতে গেলে তারাই পাল্টা ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ হামলায় ৭ পুলিশ আহত হয়েছেন এবং এদের মধ্যে ফারুক নামে এক কনস্টেবল হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
 

হোসেনপুরে গভীর রাতে আসামি ধরার নামে পুলিশি তাণ্ডব

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
২৩ জুলাই ২০২০, ০৮:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কিশোরগঞ্জ
হোসেনপুর থানার পল্লীতে গভীর রাতে জমি বিরোধের মামলার আসামি ধরার নামে বাড়িঘর ভাংচুর ও স্ত্রী-কন্যা-পুত্রসহ এক গৃহস্বামীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে

জেলার হোসেনপুর থানার পল্লীতে গভীর রাতে জমি বিরোধের মামলার আসামি ধরার নামে বাড়িঘর ভাংচুর ও স্ত্রী-কন্যা-পুত্রসহ এক গৃহস্বামীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাত ২টার দিকে উপজেলার সাহেদল ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগে জানা গেছে, বুধবার হোসেনপুর থানায় দায়েরকৃত দু’ইপক্ষের একটি জমি বিরোধের মামলায় ওই রাত আনুমানিক ২টার দিকে হোসেনপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ রফিক ও ওয়াসিম বিল্লাহর নেতৃত্বে একদল পুলিশ রহিমপুর গ্রামে এ অভিযান চালায়।

এ সময় পুলিশ সাহেদল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিনের বাড়িতে আসামি আছে বলে হানা দিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর এবং স্ত্রীসহ গৃহস্বামী আওয়ামী লীগ নেতা আফাজ উদ্দিন ও তার ছেলে-মেয়েকে বেধড়ক লাঠিপেটা করে।
এদের মধ্যে গুরুতর আহত আফাজ উদ্দিন (৫৫) ও তার স্ত্রী লায়লা আক্তারকে ( ৪৩) উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি লায়লা আক্তার যুগান্তরকে জানান, পুলিশের লাঠিচার্জে তার স্বামী আফাজ উদ্দিনের বাম হাত ভেঙে যায় এবং তার নিজের মাথায় রক্তাক্ত জখম হলে ৬টি সেলাই দিতে হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ হামলা থেকে তার এসএসসি পাস মেয়ে মেঘলা আক্তার (১৬) এবং দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে নাফিজও (৭) রক্ষা পায়নি।

লায়লা আক্তার জানান, তাদের সঙ্গে কারও বিরোধ ও মামলা মোকদ্দমাও নেই। তবে তার দেবর শফিকুল ইসলামের সঙ্গে প্রতিবেশী সোহরাব উদ্দিনের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

এ ঘটনায় সোহরাব উদ্দিন থানায় মামলা করলে পুলিশ এসে তাদের কাউকে বাড়িতে না পেয়ে বাড়িঘর ভাংচুরসহ তাদের ওপর বর্বরোচিত কায়দায় হামলা চালায়। আর এ হামলায় হোসেনপুর থানা পুলিশের সঙ্গে পুলিশে চাকরিরত বাদী সোহরাব উদ্দিনের ছেলে মামুন মিয়াও অংশ নেয়।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে হোসেনপুর থানার ওসি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তবে এ সময় তিনি দাবি করেন, মামলায় আসামি ধরতে গেলে তারাই পাল্টা ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়।এ হামলায় ৭ পুলিশ আহত হয়েছেন এবং এদের মধ্যে ফারুক নামে এক কনস্টেবল হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।