বাবাকে পুলিশে ধরিয়ে দিল মেয়ে, জামিনের খবরে পালিয়ে কুষ্টিয়ায় 
jugantor
বাবাকে পুলিশে ধরিয়ে দিল মেয়ে, জামিনের খবরে পালিয়ে কুষ্টিয়ায় 

  ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি  

২৩ জুলাই ২০২০, ২১:৫৮:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

নাম তানিয়া। বয়স মাত্র ১৩-১৪ হবে। ঠাকুরগাঁও জেলা সদরে এক জরাজীর্ণ বস্তিতে তার বসবাস। ৮ বোন ও পিতা-মাতা নিয়ে তাদের ১০ জনের সংসার। দিনে ১ বেলাও খাবার জোটে না ভালোভাবে। তাতে কি? এইটুকু মেয়ে মেনে নেয়নি বাবা অবৈধ পেশাকে। 

তার বাবা মানিক সরদার একজন কুখ্যাত ডাকাত। পুলিশের চোখে ব্ল্যাকলিস্টেড। ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির। তখন তানিয়া পরিকল্পনা নেয় বাবাকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়ার। সাহস নিয়ে চলে যায় স্থানীয় থানায়। 

কথা বলে সে থানার একজন এসআইয়ের সঙ্গে। সেই পুলিশ অফিসারের পরামর্শ মোতাবেক সময়োপযোগী তথ্য দিয়ে তানিয়া তার বাবাকে কয়েকদিনের মধ্যে গ্রেফতার করাতে সক্ষম হয়। বেশ কিছুদিন অতিবাহিত হয়ে যায়। 

এর মধ্যে তানিয়া বিভিন্ন মাধ্যমে শুনতে পায় তার বাবা জেল থেকে ছাড়া পেলেই তাকে প্রাণে মেরে ফেলবে। হয়তো তার বাবা বুঝতে পেরেছে তার মেয়েই তাকে ধরিয়ে দিয়েছে। হঠাৎ বাবার জেল থেকে জামিনের কথা শুনে বাস ও ট্রেনযোগে অজানা উদ্দেশ্য বেরিয়ে এসে পৌঁছায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায়। 

লোকমুখে থানার কথা জিজ্ঞেস করে বুধবার সন্ধ্যায় চলে আসে ভেড়ামারা থানায়। 

সে এসে বলে, ওসি আংকেলের সঙ্গে কথা বলব। তানিয়া বিস্তারিত ঘটনা জানায় ভেড়ামারা থানার ওসি মোহাম্মদ শাহজালালকে। ওসির নির্দেশে ভেড়ামারা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই প্রকাশ রায় ঠাকুরগাঁও সংশ্লিষ্ট থানায় কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হন। জানতে পারেন তানিয়ার বাবা এখনও জেল থেকে জামিন পায়নি। 

ভেড়ামারা থানার ওসির যথাযথ পদক্ষেপের মাধ্যমে তার পরিবার ও উক্ত থানায় কথা বলে তখনই তানিয়ার বাড়ি যাওয়ার সুব্যবস্থা করেন। সেই সঙ্গে সেখানকার থানাকেও অনুরোধ করেন তানিয়ার নিরাপত্তার বিষয়টি। 

বৃহস্পতিবার সকালে তানিয়া নিরাপদে বাড়ি পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন তার নানা তালাশ হোসেন। 

বাবাকে পুলিশে ধরিয়ে দিল মেয়ে, জামিনের খবরে পালিয়ে কুষ্টিয়ায় 

 ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি 
২৩ জুলাই ২০২০, ০৯:৫৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাম তানিয়া। বয়স মাত্র ১৩-১৪ হবে। ঠাকুরগাঁও জেলা সদরে এক জরাজীর্ণ বস্তিতে তার বসবাস। ৮ বোন ও পিতা-মাতা নিয়ে তাদের ১০ জনের সংসার। দিনে ১ বেলাও খাবার জোটে না ভালোভাবে। তাতে কি? এইটুকু মেয়ে মেনে নেয়নি বাবা অবৈধ পেশাকে।

তার বাবা মানিক সরদার একজন কুখ্যাত ডাকাত। পুলিশের চোখে ব্ল্যাকলিস্টেড। ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির। তখন তানিয়া পরিকল্পনা নেয় বাবাকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়ার। সাহস নিয়ে চলে যায় স্থানীয় থানায়।

কথা বলে সে থানার একজন এসআইয়ের সঙ্গে। সেই পুলিশ অফিসারের পরামর্শ মোতাবেক সময়োপযোগী তথ্য দিয়ে তানিয়া তার বাবাকে কয়েকদিনের মধ্যে গ্রেফতার করাতে সক্ষম হয়। বেশ কিছুদিন অতিবাহিত হয়ে যায়।

এর মধ্যে তানিয়া বিভিন্ন মাধ্যমে শুনতে পায় তার বাবা জেল থেকে ছাড়া পেলেই তাকে প্রাণে মেরে ফেলবে। হয়তো তার বাবা বুঝতে পেরেছে তার মেয়েই তাকে ধরিয়ে দিয়েছে। হঠাৎ বাবার জেল থেকে জামিনের কথা শুনে বাস ও ট্রেনযোগে অজানা উদ্দেশ্য বেরিয়ে এসে পৌঁছায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায়।

লোকমুখে থানার কথা জিজ্ঞেস করে বুধবার সন্ধ্যায় চলে আসে ভেড়ামারা থানায়।

সে এসে বলে, ওসি আংকেলের সঙ্গে কথা বলব। তানিয়া বিস্তারিত ঘটনা জানায় ভেড়ামারা থানার ওসি মোহাম্মদ শাহজালালকে। ওসির নির্দেশে ভেড়ামারা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই প্রকাশ রায় ঠাকুরগাঁও সংশ্লিষ্ট থানায় কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হন। জানতে পারেন তানিয়ার বাবা এখনও জেল থেকে জামিন পায়নি।

ভেড়ামারা থানার ওসির যথাযথ পদক্ষেপের মাধ্যমে তার পরিবার ও উক্ত থানায় কথা বলে তখনই তানিয়ার বাড়ি যাওয়ার সুব্যবস্থা করেন। সেই সঙ্গে সেখানকার থানাকেও অনুরোধ করেন তানিয়ার নিরাপত্তার বিষয়টি।

বৃহস্পতিবার সকালে তানিয়া নিরাপদে বাড়ি পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন তার নানা তালাশ হোসেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন