কালিগঙ্গা নদীতে বিলীন নবাবগঞ্জের বসতবাড়ি ও কৃষিজমি
jugantor
কালিগঙ্গা নদীতে বিলীন নবাবগঞ্জের বসতবাড়ি ও কৃষিজমি

  যুগান্তর রিপোর্ট, নবাবগঞ্জ  

২৩ জুলাই ২০২০, ২২:০৩:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার নবাবগঞ্জের কালিগঙ্গা নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে শোল্লা ও কৈলাইল ইউনিয়নের অসংখ্য বসতবাড়ি ও কৃষিজমি।

চলমান বর্ষা মৌসুমে এ দুটি ইউনিয়নের কোন্ডা, খতিয়া, পাতিলঝাপ, মেলেং, মাতাপপুর, পাড়াগ্রামসহ বেশকিছু গ্রামে দেখা দিয়েছে ব্যাপক ভাঙন। এর ফলে প্রতিনিয়ত মানুষ গৃহহীন হয়ে মানবতের জীবনযাপন করছেন। এলাকার অসংখ্য মানুষ ঘরবাড়ি ভেঙে নিরাপদ স্থানে ছুটে যাচ্ছেন।

এলাকাবাসী জানায়, এমনিতেই করোনাভাইরাসের কারণে অসংখ্য মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তার পর মাথাগোঁজার ঠাঁইটুকু নদীতে হারিয়ে চরম বিপাকে দিন কাটাতে হচ্ছে। কালিগঙ্গার করাল গ্রাসে কমছে না তাদের দুর্দশা। ঘরবাড়ি  হারিয়ে যাওয়ায় লোকজন পরিবার ও গবাদিপশু নিয়ে দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন।

মেলেং গ্রামের হাবিবুর রহমান বলেন, কালিগঙ্গার ভাঙনে গত এক সপ্তাহে মেলেং গ্রামের ১০টি বসতবাড়ি ও বেশকিছু কৃষিজমি নদীতে চলে গেছে। এভাবে ভাঙতে থাকলে অচিরেই, মেলেং  ও পাড়াগ্রামের হাটবাজার, মসজিদ, মাদ্রাসা ও  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান  কালিগঙ্গা নদীতে চলে যাবে।

শোল্লা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা  আওয়ামী লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া কিসমত বলেন, সম্প্রতি শোল্লা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মাহবুবুর রহমান তারা মিয়ার বাড়ি, কোন্ডা গ্রামের  কবরস্থানসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। কালিগঙ্গা নদীর ভাঙন রোধ করা না গেলে অচিরেই শোল্লা ও কৈলাইল ইউনিয়নের ব্যাপক অংশ কালিগঙ্গা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। এই অঞ্চলে বাড়বে ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের সংখ্যা। 

নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু যুগান্তরকে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডকে তাৎক্ষণিক অবহিত করে ব্যবস্থা গ্রহণসহ তাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা হচ্ছে।  ভাঙনকবলিত মানুষের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করছে।
 

কালিগঙ্গা নদীতে বিলীন নবাবগঞ্জের বসতবাড়ি ও কৃষিজমি

 যুগান্তর রিপোর্ট, নবাবগঞ্জ 
২৩ জুলাই ২০২০, ১০:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার নবাবগঞ্জের কালিগঙ্গা নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে শোল্লা ও কৈলাইল ইউনিয়নের অসংখ্য বসতবাড়ি ও কৃষিজমি।

চলমান বর্ষা মৌসুমে এ দুটি ইউনিয়নের কোন্ডা, খতিয়া, পাতিলঝাপ, মেলেং, মাতাপপুর, পাড়াগ্রামসহ বেশকিছু গ্রামে দেখা দিয়েছে ব্যাপক ভাঙন। এর ফলে প্রতিনিয়ত মানুষ গৃহহীন হয়ে মানবতের জীবনযাপন করছেন। এলাকার অসংখ্য মানুষ ঘরবাড়ি ভেঙে নিরাপদ স্থানে ছুটে যাচ্ছেন।

এলাকাবাসী জানায়, এমনিতেই করোনাভাইরাসের কারণে অসংখ্য মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তার পর মাথাগোঁজার ঠাঁইটুকু নদীতে হারিয়ে চরম বিপাকে দিন কাটাতে হচ্ছে। কালিগঙ্গার করাল গ্রাসে কমছে না তাদের দুর্দশা। ঘরবাড়ি হারিয়ে যাওয়ায় লোকজন পরিবার ও গবাদিপশু নিয়ে দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন।

মেলেং গ্রামের হাবিবুর রহমান বলেন, কালিগঙ্গার ভাঙনে গত এক সপ্তাহে মেলেং গ্রামের ১০টি বসতবাড়ি ও বেশকিছু কৃষিজমি নদীতে চলে গেছে। এভাবে ভাঙতে থাকলে অচিরেই, মেলেং ও পাড়াগ্রামের হাটবাজার, মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কালিগঙ্গা নদীতে চলে যাবে।

শোল্লা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া কিসমত বলেন, সম্প্রতি শোল্লা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মাহবুবুর রহমান তারা মিয়ার বাড়ি, কোন্ডা গ্রামের কবরস্থানসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। কালিগঙ্গা নদীর ভাঙন রোধ করা না গেলে অচিরেই শোল্লা ও কৈলাইল ইউনিয়নের ব্যাপক অংশ কালিগঙ্গা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। এই অঞ্চলে বাড়বে ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের সংখ্যা।

নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু যুগান্তরকে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডকে তাৎক্ষণিক অবহিত করে ব্যবস্থা গ্রহণসহ তাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা হচ্ছে। ভাঙনকবলিত মানুষের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করছে।