তালাক দেয়ায় দ্বিতীয় স্বামীকে কুপিয়ে জখম
jugantor
তালাক দেয়ায় দ্বিতীয় স্বামীকে কুপিয়ে জখম

  শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি  

২৩ জুলাই ২০২০, ২৩:২৪:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটের শরণখোলায় তিন সন্তানের মা নূপুর বেগম (৩৫) স্বামী শাহ আলমকে ডিভোর্স দিয়ে ছয় মাস আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেন আ. রহমান হাওলাদার (৪৮) নামের এক মুদি ব্যবসায়ীকে। স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করার অপরাধে আ. রহমানের উপর ক্ষিপ্ত হয় শাহ আলম।

একপর্যায়ে বুধবার রাত ১২টার দিকে শাহ আলম সুযোগ পেয়ে চাপাতি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে আ. রহমানকে।

ঘটনাটি ঘটেছে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের পশ্চিম কদমতলা গ্রামে। ওই রাতেই তাকে শরণখোলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত আ. রহমান ওই গ্রামের আ. মজিদ হাওলাদারের ছেলে।

আহতের ছোট ভাই মো. বেল্লাল হাওলাদার জানান, প্রায় ছয় মাস আগে নূপুর বেগম প্রথম স্বামী একই গ্রামের রহমান বিশ্বাসের ছেলে শাহ আলমকে ডিভোর্স দেয়। এরপর রহমানকে সে বিয়ে করে। এতে শাহ আলম ক্ষিপ্ত হয়ে রহমানকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল।
 
তিনি জানান, বুধবার রাত ১২টার দিকে তার ভাই উপজেলা সদরের পাঁচরাস্তা মোড়ের মুদি দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি যাচ্ছিলেন। বাড়ির কাছাকাছি গেলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা শাহ আলমসহ তিন-চারজন দুর্বৃত্ত তার ভাইকে হত্যার উদ্দেশে চাপাতি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। এ সময় তার আর্তচিৎকারে বাড়ির লোকজন ছুটে এলে চাপাতি ফেলে পালিয়ে যায় তারা।

এ ব্যাপারে পশ্চিম খাদা গ্রামের মানিক হাওলাদারের মেয়ে নূপুর বেগম জানান, শাহ আলমের সঙ্গে প্রায় ২৫ বছর আগে তার বিয়ে হয়। তার সংসারে তিন সন্তান। কিন্তু এত বছর সংসার করার পরও শাহ আলম তাকে বিভিন্ন কারণে সন্দেহ করে অমানসিক নির্যাতন করত। একে অতিষ্ঠ হয়ে তাকে তালাক দিয়ে আ. রহমানকে বিয়ে করেন তিনি। এ সব কারণে শাহ আলম তার বর্তমান স্বামীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে সে এই হামলা চালিয়েছে।

এ ব্যাপারে নূপুর বেগমের সাবেক স্বামী শাহ আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

শরণখোলা থানার ওসি এসকে আবদুল্লাহ আল সাইদ জানান, ওই রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলায় ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার করেছে।

তালাক দেয়ায় দ্বিতীয় স্বামীকে কুপিয়ে জখম

 শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি 
২৩ জুলাই ২০২০, ১১:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটের শরণখোলায় তিন সন্তানের মা নূপুর বেগম (৩৫) স্বামী শাহ আলমকে ডিভোর্স দিয়ে ছয় মাস আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেন আ. রহমান হাওলাদার (৪৮) নামের এক মুদি ব্যবসায়ীকে। স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করার অপরাধে আ. রহমানের উপর ক্ষিপ্ত হয় শাহ আলম।

একপর্যায়ে বুধবার রাত ১২টার দিকে শাহ আলম সুযোগ পেয়ে চাপাতি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে আ. রহমানকে।

ঘটনাটি ঘটেছে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের পশ্চিম কদমতলা গ্রামে। ওই রাতেই তাকে শরণখোলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত আ. রহমান ওই গ্রামের আ. মজিদ হাওলাদারের ছেলে।

আহতের ছোট ভাই মো. বেল্লাল হাওলাদার জানান, প্রায় ছয় মাস আগে নূপুর বেগম প্রথম স্বামী একই গ্রামের রহমান বিশ্বাসের ছেলে শাহ আলমকে ডিভোর্স দেয়। এরপর রহমানকে সে বিয়ে করে। এতে শাহ আলম ক্ষিপ্ত হয়ে রহমানকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল।

তিনি জানান, বুধবার রাত ১২টার দিকে তার ভাই উপজেলা সদরের পাঁচরাস্তা মোড়ের মুদি দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি যাচ্ছিলেন। বাড়ির কাছাকাছি গেলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা শাহ আলমসহ তিন-চারজন দুর্বৃত্ত তার ভাইকে হত্যার উদ্দেশে চাপাতি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। এ সময় তার আর্তচিৎকারে বাড়ির লোকজন ছুটে এলে চাপাতি ফেলে পালিয়ে যায় তারা।

এ ব্যাপারে পশ্চিম খাদা গ্রামের মানিক হাওলাদারের মেয়ে নূপুর বেগম জানান, শাহ আলমের সঙ্গে প্রায় ২৫ বছর আগে তার বিয়ে হয়। তার সংসারে তিন সন্তান। কিন্তু এত বছর সংসার করার পরও শাহ আলম তাকে বিভিন্ন কারণে সন্দেহ করে অমানসিক নির্যাতন করত। একে অতিষ্ঠ হয়ে তাকে তালাক দিয়ে আ. রহমানকে বিয়ে করেন তিনি। এ সব কারণে শাহ আলম তার বর্তমান স্বামীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে সে এই হামলা চালিয়েছে।

এ ব্যাপারে নূপুর বেগমের সাবেক স্বামী শাহ আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

শরণখোলা থানার ওসি এসকে আবদুল্লাহ আল সাইদ জানান, ওই রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলায় ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার করেছে।