কুষ্টিয়ায় প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণ 
jugantor
কুষ্টিয়ায় প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণ 

  কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি   

২৪ জুলাই ২০২০, ১৬:০০:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর শিলাইদহ ইউনিয়নের কল্যাণপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে মো. রাসেল নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

এজাহার অনুযায়ী জানা যায়, ৮ জুলাই রাতে মির্জাপুর গ্রামের জালাল শেখের ছেলে মো. জয় (১৯) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে ইঞ্জিনচালিত ভ্যানযোগে কামারপাড়া চরে কলাবাগানে নিয়ে যায়।

সেখানে কল্যাণপুর গ্রামের মৃত কামরুদ্দিনের ছেলে মামুন (২৪), আশরাফ আলীর ছেলে রাসেল (৩০), মো. বাদশাহর ছেলে নাসিম (২০) ও হানেফ প্রামাণিকের ছেলে নান্নুসহ (৪০) পাঁচজন জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে তাকে অসুস্থ অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী ওই তরুণী পরবর্তী সময় ধর্ষকদের পরিবারের চাপে পালিয়ে ঢাকা চলে যাওয়ার কারণে মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। শুক্রবার ভুক্তভোগী তরুণী নিজে বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় এসে মামলা করে।

এ ব্যাপারে কুমারখালী থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান, ৮ তারিখের গণর্ধষণের বিষয়টি জানার পর বাদীকে খুঁজে না পাওয়ার কারণে ব্যবস্থা নেয়া যায়নি। পরে বাদী সশরীরে থানায় এসে অভিযোগ দেয়ার পর মামলা এন্ট্রি হয়েছে এবং একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণ 

 কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি  
২৪ জুলাই ২০২০, ০৪:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর শিলাইদহ ইউনিয়নের কল্যাণপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে মো. রাসেল নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। 

এজাহার অনুযায়ী জানা যায়, ৮ জুলাই রাতে মির্জাপুর গ্রামের জালাল শেখের ছেলে মো. জয় (১৯) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে ইঞ্জিনচালিত ভ্যানযোগে কামারপাড়া চরে কলাবাগানে নিয়ে যায়। 

সেখানে কল্যাণপুর গ্রামের মৃত কামরুদ্দিনের ছেলে মামুন (২৪), আশরাফ আলীর ছেলে রাসেল (৩০), মো. বাদশাহর ছেলে নাসিম (২০) ও হানেফ প্রামাণিকের ছেলে নান্নুসহ (৪০) পাঁচজন জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে তাকে অসুস্থ অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। 

ভুক্তভোগী ওই তরুণী পরবর্তী সময় ধর্ষকদের পরিবারের চাপে পালিয়ে ঢাকা চলে যাওয়ার কারণে মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। শুক্রবার ভুক্তভোগী তরুণী নিজে বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় এসে মামলা করে। 

এ ব্যাপারে কুমারখালী থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান, ৮ তারিখের গণর্ধষণের বিষয়টি জানার পর বাদীকে খুঁজে না পাওয়ার কারণে ব্যবস্থা নেয়া যায়নি। পরে বাদী সশরীরে থানায় এসে অভিযোগ দেয়ার পর মামলা এন্ট্রি হয়েছে এবং একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন