নিজের মেয়ের বিয়েও অবৈধভাবে রেজিস্ট্রেশন করলেন ভুয়া কাজী
jugantor
নিজের মেয়ের বিয়েও অবৈধভাবে রেজিস্ট্রেশন করলেন ভুয়া কাজী

  কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি   

২৬ জুলাই ২০২০, ২২:৫০:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় অবৈধভাবে বিয়ে, তালাক ও একাধিক বাল্যবিবাহ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে ভুয়া কাজী শরিফুল ইসলাম হেলালীর বিরুদ্ধে। এমনকি নিজের মেয়ের বিয়েও রেজিস্ট্রেশন করেছেন তিনি।

শরিফুল ইসলাম হেলালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের ধর্মপাড়া গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে। তিনি ভালুকা শহীদ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও চাপড়া জামে মসজিদের ইমাম।

ভুয়া কাজী শরিফুলের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন চাপড়া ইউনিয়নের রেজিস্ট্রার কাজী তৌহিদুল ইসলাম তুহিন ও যদুবয়বা ইউনিয়নের কাজী রেজাউল করিম। তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানিতে অভিযোগের কথা স্বীকার করে ভুয়া কাজী শরিফুল ইসলাম হেলালী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে আসছি। আমার ভুল হয়েছে। আমি আর এমন কাজ করব না।

তিনি আরও বলেন, আমার মেয়ের বিয়েতেও ভুয়া কাবিননামা তৈরি করেছি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খান বলেন, কাজীদের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষ স্বীকার করে কিন্তু হাতেনাতে ধরতে না পাড়ায় এ ধরনের কাজ আর করবে না, এই মর্মে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি দীর্ঘদিনের হওয়ায় অধিকতর তদন্তের বিষয়। তাই আসল কাজীদের আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

নিজের মেয়ের বিয়েও অবৈধভাবে রেজিস্ট্রেশন করলেন ভুয়া কাজী

 কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি  
২৬ জুলাই ২০২০, ১০:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় অবৈধভাবে বিয়ে, তালাক ও একাধিক বাল্যবিবাহ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে ভুয়া কাজী শরিফুল ইসলাম হেলালীর বিরুদ্ধে। এমনকি নিজের মেয়ের বিয়েও রেজিস্ট্রেশন করেছেন তিনি।

শরিফুল ইসলাম হেলালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের ধর্মপাড়া গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে। তিনি ভালুকা শহীদ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও চাপড়া জামে মসজিদের ইমাম।

ভুয়া কাজী শরিফুলের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন চাপড়া ইউনিয়নের রেজিস্ট্রার কাজী তৌহিদুল ইসলাম তুহিন ও যদুবয়বা ইউনিয়নের কাজী রেজাউল করিম। তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানিতে অভিযোগের কথা স্বীকার করে ভুয়া কাজী শরিফুল ইসলাম হেলালী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে আসছি। আমার ভুল হয়েছে। আমি আর এমন কাজ করব না।

তিনি আরও বলেন, আমার মেয়ের বিয়েতেও ভুয়া কাবিননামা তৈরি করেছি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খান বলেন, কাজীদের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ  শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষ স্বীকার করে কিন্তু হাতেনাতে ধরতে না পাড়ায় এ ধরনের কাজ আর করবে না, এই মর্মে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি দীর্ঘদিনের হওয়ায় অধিকতর তদন্তের বিষয়। তাই আসল কাজীদের আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন