গাজীপুরে মুক্তিপণ না পেয়ে শিশুকে হত্যা
jugantor
গাজীপুরে মুক্তিপণ না পেয়ে শিশুকে হত্যা

  গাজীপুর প্রতিনিধি  

২৯ জুলাই ২০২০, ১৯:৪৮:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরে অপহরণের একদিন পর মুক্তিপণ না পেয়ে ফাহিম (৭) নামে এক প্রতিবন্ধী শিশুকে হত্যা করেছে অপহরণকারীরা। গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা পুলিশ শিশুটির বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

নিহত ফাহিম নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার শুরমুখ্যা গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে। শিশুটিকে মুক্তিপণের দাবিতে সোমবার অপহরণ করা হয়েছিল।

নিহতের পরিবার ও বাসন থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, গাজীপুর মহানগরের নলজানী মধ্যপাড়া এলাকায় সপরিবারে ভাড়া বাসায় থাকেন কামরুল ইসলাম। কামরুল ও তার স্ত্রী স্থানীয় পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। তাদের ৭ বছরের প্রতিবন্ধী (একটি হাত ছোট) সন্তান ফাহিম স্থানীয় চান্দনা কেজি ইন্সটিটিউট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। প্রতিদিনের মতো সোমবার ফাহিমকে বাসায় রেখে কামরুল ও তার স্ত্রী গার্মেন্টসে যান। দুপুরে খাবারের বিরতির সময় দম্পতি বাসায় এসে ফাহিমকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন।

রাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা মোবাইলে পরিবারের কাছে ফাহিমকে অপহরণ করার কথা জানিয়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ না পেলে হত্যা করার হুমকি দেয়।

অপহরণকারীদের হুমকির কারণে সন্তানকে ফিরে পেতে তাদের মোবাইলে বিকাশের মাধ্যমে দুই হাজার টাকা দেন শিশুটির বাবা। একপর্যায়ে ছেলেকে না পেয়ে পুলিশকে জানায় তার বাবা। পরে তাদের বাসার পাশে একটি পরিত্যক্ত জমিতে বস্তাবন্দি লাশটি লোকজন দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

বাসন থানার ওসি রফিকুল ইসলাম আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে, অপহরণের পর শিশুটিকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে। অপহরণকারীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গাজীপুরে মুক্তিপণ না পেয়ে শিশুকে হত্যা

 গাজীপুর প্রতিনিধি 
২৯ জুলাই ২০২০, ০৭:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরে অপহরণের একদিন পর মুক্তিপণ না পেয়ে ফাহিম (৭) নামে এক প্রতিবন্ধী শিশুকে হত্যা করেছে অপহরণকারীরা। গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা পুলিশ শিশুটির বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

নিহত ফাহিম নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার শুরমুখ্যা গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে। শিশুটিকে মুক্তিপণের দাবিতে সোমবার অপহরণ করা হয়েছিল।

নিহতের পরিবার ও বাসন থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, গাজীপুর মহানগরের নলজানী মধ্যপাড়া এলাকায় সপরিবারে ভাড়া বাসায় থাকেন কামরুল ইসলাম। কামরুল ও তার স্ত্রী স্থানীয় পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। তাদের ৭ বছরের প্রতিবন্ধী (একটি হাত ছোট) সন্তান ফাহিম স্থানীয় চান্দনা কেজি ইন্সটিটিউট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। প্রতিদিনের মতো সোমবার ফাহিমকে বাসায় রেখে কামরুল ও তার স্ত্রী গার্মেন্টসে যান। দুপুরে খাবারের বিরতির সময় দম্পতি বাসায় এসে ফাহিমকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন।

রাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা মোবাইলে পরিবারের কাছে ফাহিমকে অপহরণ করার কথা জানিয়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ না পেলে হত্যা করার হুমকি দেয়।

অপহরণকারীদের হুমকির কারণে সন্তানকে ফিরে পেতে তাদের মোবাইলে বিকাশের মাধ্যমে দুই হাজার টাকা দেন শিশুটির বাবা। একপর্যায়ে ছেলেকে না পেয়ে পুলিশকে জানায় তার বাবা। পরে তাদের বাসার পাশে একটি পরিত্যক্ত জমিতে বস্তাবন্দি লাশটি লোকজন দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

বাসন থানার ওসি রফিকুল ইসলাম আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে, অপহরণের পর শিশুটিকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে। অপহরণকারীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন