আমতলীর রাজলক্ষ্মীর ক্রেতা নেই!
jugantor
আমতলীর রাজলক্ষ্মীর ক্রেতা নেই!

  আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

২৯ জুলাই ২০২০, ২১:০৮:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনার আমতলী উপজেলার রাজলক্ষ্মীর কোনো ক্রেতা নেই। রাজলক্ষ্মীকে বিক্রির জন্য মালিক এনামুল আকন অধীর অপেক্ষায় হাটে বসে আছেন। ক্রেতা না থাকায় আক্ষেপ করে তিনি বলেন, এই বাজারে রাজলক্ষ্মীকে বিক্রি করতে না পারলে আর গরু লালন-পালনই করব না।

জানা গেছে, উপজেলার উত্তর টিয়াখালী গ্রামের এনামুল আকন গত তিন বছর ধরে গরু লালন-পালন করে আসছেন। তার খামারে ১২টি গরু রয়েছে। ওই খামারে ২০১৭ সালে রাজলক্ষ্মী জন্ম নেয়। অতি যত্নে লালন-পালন করে বড় করে তোলেন রাজলক্ষ্মীকে। এ বছর কোরবানি উপলক্ষে রাজলক্ষ্মীকে বিক্রির জন্য আমতলী উপজেলার বিভিন্ন হাটে নিয়েছেন কিন্তু কোনো বাজারেই রাজলক্ষ্মীর ক্রেতা নেই।

পরপর দুই সপ্তাহে রাজলক্ষ্মীকে হাটে তোলেন। মালিক রাজলক্ষ্মীর দাম হেঁকেছেন ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কিন্তু প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে কোরবানির পশুর দাম অনেক কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে রাজলক্ষ্মীর ওপর।

বুধবার রাজলক্ষ্মীকে বাজারে তোলা হলে শুধুই ক্রেতারা এসে দেখে যান এবং উৎসুক জনতা ছবি তোলেন। কিন্তু কেউ দাম হাঁকেন না।

রাজলক্ষ্মীর মালিক মো. এনামুল আকন আক্ষেপ করে বলেন, সবাই আমার রাজলক্ষ্মীকে দেখে যান এবং ছবি তোলেন কিন্তু দাম বলেন না। করোনার ভাইরাসের প্রভাবে পশুর দাম কমে গেছে। তাই ক্রেতা পাচ্ছি না। রাজলক্ষ্মীকে এ বছর বিক্রি করতে না পারলে আর গরু লালন-পালন করব না।

এ দিকে কোরবানির আর মাত্র দুইদিন বাকি। কিন্তু আমতলীর পশুর হাটে গরুতে সয়লাব হয়ে গেছে। কিন্তু বাজারে তেমন ক্রেতা নেই। বাজারে ক্রেতা কম থাকায় গবাদি পশুর দাম অনেক কম। এ বছর অনেক গরু অবিক্রীত থেকে যাবে এমন দাবি করেন হাট পরিচালক  মো. আলাউদ্দিন মৃধা।

আমতলী পৌরসভার সবুজবাগ এলাকার রাসেল মিয়া বলেন, ৪০ হাজার টাকায় গরু ক্রয় করেছি। মনে হচ্ছে তুলনামূলকভাবে দাম অনেক কম।

তালতলী উপজেলার ঠংপাড়া গ্রামের বাবুল বলেন, বড় গরুর কোনো ক্রেতা নেই। দুইটি গরু নিয়ে এসেছি কেউ দাম বলেন না।

আমতলী গরু হাটের ইজারাদার সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে পশু কোরবানিতে মানুষের আগ্রহ কম। তাই এ বছর পশুর দাম কম।

আমতলী থানার ওসি শাহ আলম হাওলাদার বলেন, সামাজিক ও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কোরবানি উপলক্ষে পশুর বাজারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে পশু ক্রয়-বিক্রয় করে গন্তব্যে পৌঁছতে কোনো সমস্যা না হয়।

তিনি আরও বলেন, জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিনসহ সাদা পোশাকে পুলিশ বাজারে কাজ করছে।

আমতলীর রাজলক্ষ্মীর ক্রেতা নেই!

 আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
২৯ জুলাই ২০২০, ০৯:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনার আমতলী উপজেলার রাজলক্ষ্মীর কোনো ক্রেতা নেই। রাজলক্ষ্মীকে বিক্রির জন্য মালিক এনামুল আকন অধীর অপেক্ষায় হাটে বসে আছেন। ক্রেতা না থাকায় আক্ষেপ করে তিনি বলেন, এই বাজারে রাজলক্ষ্মীকে বিক্রি করতে না পারলে আর গরু লালন-পালনই করব না।

জানা গেছে, উপজেলার উত্তর টিয়াখালী গ্রামের এনামুল আকন গত তিন বছর ধরে গরু লালন-পালন করে আসছেন। তার খামারে ১২টি গরু রয়েছে। ওই খামারে ২০১৭ সালে রাজলক্ষ্মী জন্ম নেয়। অতি যত্নে লালন-পালন করে বড় করে তোলেন রাজলক্ষ্মীকে। এ বছর কোরবানি উপলক্ষে রাজলক্ষ্মীকে বিক্রির জন্য আমতলী উপজেলার বিভিন্ন হাটে নিয়েছেন কিন্তু কোনো বাজারেই রাজলক্ষ্মীর ক্রেতা নেই।

পরপর দুই সপ্তাহে রাজলক্ষ্মীকে হাটে তোলেন। মালিক রাজলক্ষ্মীর দাম হেঁকেছেন ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কিন্তু প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে কোরবানির পশুর দাম অনেক কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে রাজলক্ষ্মীর ওপর।

বুধবার রাজলক্ষ্মীকে বাজারে তোলা হলে শুধুই ক্রেতারা এসে দেখে যান এবং উৎসুক জনতা ছবি তোলেন। কিন্তু কেউ দাম হাঁকেন না।

রাজলক্ষ্মীর মালিক মো. এনামুল আকন আক্ষেপ করে বলেন, সবাই আমার রাজলক্ষ্মীকে দেখে যান এবং ছবি তোলেন কিন্তু দাম বলেন না। করোনার ভাইরাসের প্রভাবে পশুর দাম কমে গেছে। তাই ক্রেতা পাচ্ছি না। রাজলক্ষ্মীকে এ বছর বিক্রি করতে না পারলে আর গরু লালন-পালন করব না।

এ দিকে কোরবানির আর মাত্র দুইদিন বাকি। কিন্তু আমতলীর পশুর হাটে গরুতে সয়লাব হয়ে গেছে। কিন্তু বাজারে তেমন ক্রেতা নেই। বাজারে ক্রেতা কম থাকায় গবাদি পশুর দাম অনেক কম। এ বছর অনেক গরু অবিক্রীত থেকে যাবে এমন দাবি করেন হাট পরিচালক মো. আলাউদ্দিন মৃধা।

আমতলী পৌরসভার সবুজবাগ এলাকার রাসেল মিয়া বলেন, ৪০ হাজার টাকায় গরু ক্রয় করেছি। মনে হচ্ছে তুলনামূলকভাবে দাম অনেক কম।

তালতলী উপজেলার ঠংপাড়া গ্রামের বাবুল বলেন, বড় গরুর কোনো ক্রেতা নেই। দুইটি গরু নিয়ে এসেছি কেউ দাম বলেন না।

আমতলী গরু হাটের ইজারাদার সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে পশু কোরবানিতে মানুষের আগ্রহ কম। তাই এ বছর পশুর দাম কম।

আমতলী থানার ওসি শাহ আলম হাওলাদার বলেন, সামাজিক ও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কোরবানি উপলক্ষে পশুর বাজারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে পশু ক্রয়-বিক্রয় করে গন্তব্যে পৌঁছতে কোনো সমস্যা না হয়।

তিনি আরও বলেন, জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিনসহ সাদা পোশাকে পুলিশ বাজারে কাজ করছে।