কমছে সিলেটের নদ-নদীর পানি, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি
jugantor
কমছে সিলেটের নদ-নদীর পানি, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

  সিলেট ব্যুরো  

২৯ জুলাই ২০২০, ২৩:০৫:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

গত কয়েকদিন ভারি বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কমতে শুরু করেছে সিলেটের নদ-নদীর পানি। ফলে উন্নতি হয়েছে বন্যার পরিস্থিতিরও। সিলেটের নদীগুলোর মধ্যে কেবল কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর অন্যান্য নদীর পানি সবগুলো পয়েন্টেই বিপৎসীমার নিচে নেমে এসেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৬টায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট কার্যালয় থেকে প্রেরিত দৈনিক পানির স্তর-সম্পর্কিত তথ্য থেকে এমনটি জানা গেছে। তবে বুধবারের ভারি বৃষ্টিপাতে ফের পানি বাড়তে শুরু করেছে। বুধবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট ছাড়া সবগুলোতে বিপৎসীমার নিচে রয়েছে পানি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ শহীদুজ্জামান সরকার যুগান্তরকে জানান, সিলেটের দুই প্রধান নদী সুরমা ও কুশিয়ারার সঙ্গে বিভিন্ন শাখা নদীর মাধ্যমে মিলিত হয়েছে সীমান্ত থেকে নেমে আসা নদী সারী ও লোভা। সারী নদী জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট উপজেলা হয়ে চেঙ্গেরখাল নদ দিয়ে সুরমায় মিশেছে। লোভা কানাইঘাট উপজেলায় মিশেছে সুরমা নদীর সঙ্গে। সুরমা নদীর বিভিন্ন শাখা নদী কুশিয়ারার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। সীমান্ত নদীতে পানি বাড়লে সুরমা ও কুশিয়ারার পানিও বাড়ে।

বুধবারের বৃষ্টিপাতে নদ-নদীর পানি কিছুটা বাড়লেও বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই বলেও জানান শহিদুজ্জামান সরকার।

পাউবোর দৈনিক পানির স্তর সম্পর্কিত তথ্যে (ডেইলি ওয়াটার লেভেল ডেটা) দেখা গেছে, সারী নদীর পানি সারীঘাট পয়েন্টে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ১০ দশমিক ২৮ মিটার থেকে নেমে বুধবার সকালে ১০ দশমিক ০৪ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমার ধারা দেখা গেছে লোভা নদীতেও। কানাইঘাটের কাছে লোভার পানি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ১৩ দশমিক ৫০ মিটার থেকে কমে বুধবার সকালে ১৩ দশমিক ২২ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সারী ও লোভার পানি কমায় সুরমা ও কুশিয়ারার পানিও কমছে। মঙ্গলবার সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি ১২ দশমিক ৩৭ মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। বুধবার সকাল ১২ দশমিক ১০ মিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।

এখনও বিপৎসীমার উপরে থাকলেও কুশিয়ারার ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানিও কমছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৯ দশমিক ৯১ মিটার থেকে নেমে বুধবার সকালে ৯ দশমিক ৮৭ মিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারার পানির বিপৎসীমা ৯ দশমিক ৪৫ মিটার।

এ ছাড়া বুধবার দুপুরে সুরমা নদীর পানি সিলেট পয়েন্টে ৯.৮৬, কুশিয়ারা নদীর পানি অমলসীদ পয়েন্টে ১৪.৬২, শেওলা পয়েন্টে ১২.২৬, শেরপুর পয়েন্টে ৮.২৫ ও ধলাই নদীর পানি ইসলামপুর পয়েন্টে ৯.৯৭ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

কমছে সিলেটের নদ-নদীর পানি, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

 সিলেট ব্যুরো 
২৯ জুলাই ২০২০, ১১:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গত কয়েকদিন ভারি বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কমতে শুরু করেছে সিলেটের নদ-নদীর পানি। ফলে উন্নতি হয়েছে বন্যার পরিস্থিতিরও। সিলেটের নদীগুলোর মধ্যে কেবল কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর অন্যান্য নদীর পানি সবগুলো পয়েন্টেই বিপৎসীমার নিচে নেমে এসেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৬টায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট কার্যালয় থেকে প্রেরিত দৈনিক পানির স্তর-সম্পর্কিত তথ্য থেকে এমনটি জানা গেছে। তবে বুধবারের ভারি বৃষ্টিপাতে ফের পানি বাড়তে শুরু করেছে। বুধবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট ছাড়া সবগুলোতে বিপৎসীমার নিচে রয়েছে পানি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ শহীদুজ্জামান সরকার যুগান্তরকে জানান, সিলেটের দুই প্রধান নদী সুরমা ও কুশিয়ারার সঙ্গে বিভিন্ন শাখা নদীর মাধ্যমে মিলিত হয়েছে সীমান্ত থেকে নেমে আসা নদী সারী ও লোভা। সারী নদী জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট উপজেলা হয়ে চেঙ্গেরখাল নদ দিয়ে সুরমায় মিশেছে। লোভা কানাইঘাট উপজেলায় মিশেছে সুরমা নদীর সঙ্গে। সুরমা নদীর বিভিন্ন শাখা নদী কুশিয়ারার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। সীমান্ত নদীতে পানি বাড়লে সুরমা ও কুশিয়ারার পানিও বাড়ে।

বুধবারের বৃষ্টিপাতে নদ-নদীর পানি কিছুটা বাড়লেও বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই বলেও জানান শহিদুজ্জামান সরকার।

পাউবোর দৈনিক পানির স্তর সম্পর্কিত তথ্যে (ডেইলি ওয়াটার লেভেল ডেটা) দেখা গেছে, সারী নদীর পানি সারীঘাট পয়েন্টে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ১০ দশমিক ২৮ মিটার থেকে নেমে বুধবার সকালে ১০ দশমিক ০৪ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমার ধারা দেখা গেছে লোভা নদীতেও। কানাইঘাটের কাছে লোভার পানি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ১৩ দশমিক ৫০ মিটার থেকে কমে বুধবার সকালে ১৩ দশমিক ২২ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সারী ও লোভার পানি কমায় সুরমা ও কুশিয়ারার পানিও কমছে। মঙ্গলবার সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি ১২ দশমিক ৩৭ মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। বুধবার সকাল ১২ দশমিক ১০ মিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।

এখনও বিপৎসীমার উপরে থাকলেও কুশিয়ারার ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানিও কমছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৯ দশমিক ৯১ মিটার থেকে নেমে বুধবার সকালে ৯ দশমিক ৮৭ মিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারার পানির বিপৎসীমা ৯ দশমিক ৪৫ মিটার।

এ ছাড়া বুধবার দুপুরে সুরমা নদীর পানি সিলেট পয়েন্টে ৯.৮৬, কুশিয়ারা নদীর পানি অমলসীদ পয়েন্টে ১৪.৬২, শেওলা পয়েন্টে ১২.২৬, শেরপুর পয়েন্টে ৮.২৫ ও ধলাই নদীর পানি ইসলামপুর পয়েন্টে ৯.৯৭ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

 

ঘটনাপ্রবাহ : বন্যা ২০২০

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন