বন্যায় রাজশাহী অঞ্চলের সাত লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত
jugantor
বন্যায় রাজশাহী অঞ্চলের সাত লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

  রাজশাহী ব্যুরো  

২৯ জুলাই ২০২০, ২৩:৪০:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বন্যায় রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় সাত লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। নষ্ট হয়েছে ২৭ হাজার ৭৭৩ হেক্টর জমির ফসল। বুধবার সন্ধ্যায় এক তথ্য বিবরণীতে এ সব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

বন্যার কারণে রাজশাহী জেলায় ১১ হাজার ২৩৫ জন, নাটোরে ৩০ হাজার ৫০০ জন, নওগাঁয় ১৮ হাজার ৯৬৮ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪০০ জন, সিরাজগঞ্জে ৫ লাখ ৪ হাজার এবং বগুড়ায় ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯০ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

বন্যায় রাজশাহী জেলার ১১৫ বর্গকিলোমিটার প্লাবিত হয়েছে। নাটোরের সিংড়া, নলডাঙ্গা ও গুরুদাসপুর উপজেলা, ২টি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। নওগাঁ সদর, জেলার মান্দা, আত্রাই, রানীনগর, পোরশা, সাপাহার ও মহাদেবপুরসহ সাত উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। মান্দা, রানীনগর ও আত্রাই উপজেলার বাঁধ ও স্লুইচগেট এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের কাজীপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালি, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া ও তাড়াশ উপজেলার মোট ১ হাজার ২৮ কিলোমিটার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বগুড়ার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের ১৬৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পাবনার বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিভাগের আট জেলার মধ্যে শুধু জয়পুরহাটে এখন পর্যন্ত বন্যা দেখা দেয়নি।

এ দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীর ৩ হাজার ৩০০ মিটার ও মহানন্দা নদীর ১ হাজার ৭৫৪ মিটার বাঁধ অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। পদ্মা নদীর পানি এখন বিপৎসীমার ১ দশমিক ৬৪ মিটার, মহানন্দা নদীর পানি শূন্য দশমিক ৮৬ মিটার ও পুনর্ভবা নদীর পানি শূন্য দশমিক ৬১ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। রাজশাহীতে ২০ মেট্রিক টন চাল ও ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নগদ সহায়তা দেয়া হয়েছে। বিতরণ করা হয়েছে ৯৬০ প্যাকেট শুকনো খাবার। নাটোরে ৬৮ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া নওগাঁয় ১৩৫ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ আড়াই হাজার টাকা ও এক হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার; চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই মেট্রিক টন চাল, পাবনায় ৯৫ মেট্রিক টন চাল, সিরাজগঞ্জে ২৮৫ মেট্রিক টন চাল, ৩ লাখ ৮৯ হাজার টাকা, পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, দুই লাখ টাকার গোখাদ্য ও দুই লাখ টাকার শিশুখাদ্য এবং বগুড়ায় ৬১০ মেট্রিক টন চাল, ১৩ লাখ টাকা, ছয় হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, দুই লাখ টাকার গোখাদ্য এবং দুই লাখ টাকার শিশুখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। দুর্গত এলাকায় সরকারি সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

বন্যায় রাজশাহী অঞ্চলের সাত লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

 রাজশাহী ব্যুরো 
২৯ জুলাই ২০২০, ১১:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বন্যায় রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় সাত লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। নষ্ট হয়েছে ২৭ হাজার ৭৭৩ হেক্টর জমির ফসল। বুধবার সন্ধ্যায় এক তথ্য বিবরণীতে এ সব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

বন্যার কারণে রাজশাহী জেলায় ১১ হাজার ২৩৫ জন, নাটোরে ৩০ হাজার ৫০০ জন, নওগাঁয় ১৮ হাজার ৯৬৮ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪০০ জন, সিরাজগঞ্জে ৫ লাখ ৪ হাজার এবং বগুড়ায় ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯০ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

বন্যায় রাজশাহী জেলার ১১৫ বর্গকিলোমিটার প্লাবিত হয়েছে। নাটোরের সিংড়া, নলডাঙ্গা ও গুরুদাসপুর উপজেলা, ২টি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। নওগাঁ সদর, জেলার মান্দা, আত্রাই, রানীনগর, পোরশা, সাপাহার ও মহাদেবপুরসহ সাত উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। মান্দা, রানীনগর ও আত্রাই উপজেলার বাঁধ ও স্লুইচগেট এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের কাজীপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালি, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া ও তাড়াশ উপজেলার মোট ১ হাজার ২৮ কিলোমিটার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বগুড়ার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের ১৬৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পাবনার বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিভাগের আট জেলার মধ্যে শুধু জয়পুরহাটে এখন পর্যন্ত বন্যা দেখা দেয়নি।

এ দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীর ৩ হাজার ৩০০ মিটার ও মহানন্দা নদীর ১ হাজার ৭৫৪ মিটার বাঁধ অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। পদ্মা নদীর পানি এখন বিপৎসীমার ১ দশমিক ৬৪ মিটার, মহানন্দা নদীর পানি শূন্য দশমিক ৮৬ মিটার ও পুনর্ভবা নদীর পানি শূন্য দশমিক ৬১ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। রাজশাহীতে ২০ মেট্রিক টন চাল ও ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নগদ সহায়তা দেয়া হয়েছে। বিতরণ করা হয়েছে ৯৬০ প্যাকেট শুকনো খাবার। নাটোরে ৬৮ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া নওগাঁয় ১৩৫ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ আড়াই হাজার টাকা ও এক হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার; চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই মেট্রিক টন চাল, পাবনায় ৯৫ মেট্রিক টন চাল, সিরাজগঞ্জে ২৮৫ মেট্রিক টন চাল, ৩ লাখ ৮৯ হাজার টাকা, পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, দুই লাখ টাকার গোখাদ্য ও দুই লাখ টাকার শিশুখাদ্য এবং বগুড়ায় ৬১০ মেট্রিক টন চাল, ১৩ লাখ টাকা, ছয় হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, দুই লাখ টাকার গোখাদ্য এবং দুই লাখ টাকার শিশুখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। দুর্গত এলাকায় সরকারি সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : বন্যা ২০২০

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন