লক্ষ্মীপুরের ১১ গ্রামে শুক্রবার ঈদ
jugantor
লক্ষ্মীপুরের ১১ গ্রামে শুক্রবার ঈদ

  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

৩০ জুলাই ২০২০, ১৭:৫৪:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে লক্ষ্মীপুরের ১১ গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ ৪১ বছর ধরে ঈদসহ সব ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে আসছে। 

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকাল ৬টায় রামগঞ্জ পৌর শহরের খানকায়ে মাদানিয়া কাশেমিয়া মাঠে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এতে রামগঞ্জ রাব্বানিয়া কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা মোহাম্মদ রুহুল আমিন ইমামতি করার কথা রয়েছে। 

এ ছাড়া সকাল ১০টার দিকে রামগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ-পূর্ব নোয়াগাঁও পাঠানবাড়ি জামে মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এতে মাওলানা আমিনুল ইসলাম খানের ইমামতি করার কথা রয়েছে। এই মসজিদে কুমিল্লা থেকে মুসল্লিরা এসে অংশগ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, জেলার রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও, জয়পুরা, বিঘা, বারোঘরিয়া, হোটাটিয়া, শরশৈই, কাঞ্চনপুর ও রায়পুর উপজেলার কলাকোপাসহ ১১টি গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ ঈদ আনন্দে মেতে উঠে। তারা পৃথকভাবে স্ব-স্ব ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজের আয়োজন করেছেন। নামাজ শেষে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে পশু কোরবানি দেয়া হবে।

মাওলানা আমিনুল ইসলাম খান জানান, এ সব এলাকার মানুষ মাওলানা ইসহাক (রা.)-এর অনুসারি। এ জন্য পবিত্র ভূমি মক্কা ও মদিনার সঙ্গে মিল রেখে ঈদসহ সব ধর্মীয় উৎসব পালন করা হয়। গত ৪১ বছর ধরেই তারা সৌদির সঙ্গে মিল রেখে সব ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন।

লক্ষ্মীপুরের ১১ গ্রামে শুক্রবার ঈদ

 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  
৩০ জুলাই ২০২০, ০৫:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে লক্ষ্মীপুরের ১১ গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ ৪১ বছর ধরে ঈদসহ সব ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকাল ৬টায় রামগঞ্জ পৌর শহরের খানকায়ে মাদানিয়া কাশেমিয়া মাঠে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এতে রামগঞ্জ রাব্বানিয়া কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা মোহাম্মদ রুহুল আমিন ইমামতি করার কথা রয়েছে।

এ ছাড়া সকাল ১০টার দিকে রামগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ-পূর্ব নোয়াগাঁও পাঠানবাড়ি জামে মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এতে মাওলানা আমিনুল ইসলাম খানের ইমামতি করার কথা রয়েছে। এই মসজিদে কুমিল্লা থেকে মুসল্লিরা এসে অংশগ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, জেলার রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও, জয়পুরা, বিঘা, বারোঘরিয়া, হোটাটিয়া, শরশৈই, কাঞ্চনপুর ও রায়পুর উপজেলার কলাকোপাসহ ১১টি গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ ঈদ আনন্দে মেতে উঠে। তারা পৃথকভাবে স্ব-স্ব ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজের আয়োজন করেছেন। নামাজ শেষে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে পশু কোরবানি দেয়া হবে।

মাওলানা আমিনুল ইসলাম খান জানান, এ সব এলাকার মানুষ মাওলানা ইসহাক (রা.)-এর অনুসারি। এ জন্য পবিত্র ভূমি মক্কা ও মদিনার সঙ্গে মিল রেখে ঈদসহ সব ধর্মীয় উৎসব পালন করা হয়। গত ৪১ বছর ধরেই তারা সৌদির সঙ্গে মিল রেখে সব ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন।