গোপালগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
jugantor
গোপালগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

  কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি  

৩০ জুলাই ২০২০, ১৯:৪৫:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে পিংকি বেগম (২২) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ ফুকরা গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়। 

অভিযোগ উঠেছে, গৃহবধূর স্বামী ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন শ্বাসরোধ এবং নির্যাতন করে তাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী জুয়েল মোল্যাকে (২৪) আটক করেছে পুলিশ।

পিংকি একই উপজেলার আড়ুয়াকান্দি গ্রামের নজির সরদারের মেয়ে। তিন বছর আগে তার বিয়ে হয়। তিনি এক পুত্রসন্তানের জননী। 

নিহত পিংকির ভাই সুমন সরদার বলেন, ৩ বছর আগে জুয়েলের সঙ্গে আমার বোনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকসহ নানা কারণে জুয়েল ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন পিংকির সাথে খারাপ আচরণ করে। বুধবার রাত আড়াইটার দিকে পিকিং আত্মহত্যা করেছে বলে জুয়েল আমাকে ফোন করে জানায়।

তবে আমার বোনকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। 

কাশিয়ানী থানার রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই প্রকাশ চন্দ্র বোস জানান, খবর পেয়ে নিহতের শ্বশুরবাড়ির একটি বসতঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী জুয়েলকে আটক করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

কাশিয়ানী থানার ওসি মো. আজিজুর রহমান জানান, শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। 

গোপালগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

 কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি 
৩০ জুলাই ২০২০, ০৭:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে পিংকি বেগম (২২) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ ফুকরা গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, গৃহবধূর স্বামী ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন শ্বাসরোধ এবং নির্যাতন করে তাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী জুয়েল মোল্যাকে (২৪) আটক করেছে পুলিশ।

পিংকি একই উপজেলার আড়ুয়াকান্দি গ্রামের নজির সরদারের মেয়ে। তিন বছর আগে তার বিয়ে হয়। তিনি এক পুত্রসন্তানের জননী।

নিহত পিংকির ভাই সুমন সরদার বলেন, ৩ বছর আগে জুয়েলের সঙ্গে আমার বোনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকসহ নানা কারণে জুয়েল ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন পিংকির সাথে খারাপ আচরণ করে। বুধবার রাত আড়াইটার দিকে পিকিং আত্মহত্যা করেছে বলে জুয়েল আমাকে ফোন করে জানায়।

তবে আমার বোনকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে।

কাশিয়ানী থানার রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই প্রকাশ চন্দ্র বোস জানান, খবর পেয়ে নিহতের শ্বশুরবাড়ির একটি বসতঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী জুয়েলকে আটক করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কাশিয়ানী থানার ওসি মো. আজিজুর রহমান জানান, শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।