ডিআইজি হাবিবুরের পক্ষে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে কোরবানির মাংস বিতরণ
jugantor
ডিআইজি হাবিবুরের পক্ষে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে কোরবানির মাংস বিতরণ

  গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি  

০২ আগস্ট ২০২০, ১০:৩৩:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান পরিচালিত উত্তরণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ হতে দেশের বৃহত্তম দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর অসহায় ২ হাজার নারীকে ১ কেজি করে কোরবানির মাংস বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার পবিত্র ঈদুল আযহার দিন বিকালে যৌনপল্লী সংলগ্ন ইউপি সদস্য আবদুল জলিল ফকিরের বাড়ির আঙ্গিনায় রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান উপস্থিত থেকে এ মাংস বিতরণ করেন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রশাসনিকভাবে গত ২০ মার্চ থেকে এ যৌনপল্লী লকডাউনে রয়েছে।পল্লীতে জনসাধারণের যাতায়াত কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। এতে করে পল্লীতে বসবাসরত কয়েক হাজার মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে। সরকারি-বেসরকারি ত্রাণের উপর নির্ভর করে বেঁচে আছে তারা।

এ অবস্থার মধ্যে বন্যায় ডুবে গেছে পল্লীর বেশিরভাগ ঘরবাড়ি।এত দুর্যোগের মধ্যে ঈদুল আযহা তাদের কাছে আরেকটি কষ্টের কারণ হয়ে এসেছে। পল্লীর শিশুদের মুখে একটু ভালো খাবার ও নতুন জামা কিনে দিতে পারেনি প্রায় সব অসহায় মা।এ পরিস্থিতিতে ডিআইজি হাবিবুর রহমান ও পুলিশ সুপার তাদের পাশে দাঁড়ানোয় তারা কিছুটা মানসিক প্রশান্তি পাচ্ছেন।

মাংস বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি আশিকুর রহমান, পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল্লাহ আল তায়াবীর, স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল জলিল ফকির, পল্লীর অসহায় নারী ঐক্য কল্যাণ সংস্থার সভানেত্রী ঝুমুর বেগম, উত্তরণ ফাউন্ডেশনের গোয়ালন্দ উপজেলা শাখার সভানেত্রী মাহিয়া মাহি প্রমুখ।

নাম প্রকাশ না করে মাংস গ্রহণকালে কয়েকজন নারীর চোখে কৃতজ্ঞতার অশ্রু দেখা যায়। তারা বলেন, আমরাও যে মানুষ, দুর্যোগে আমাদেরও যে কষ্ট হয়, আমাদের জীবনেও যে ঈদ আছে সেটা আর কেউ না বুঝলেও ডিআইজি ও এসপি বুঝেছেন। এতে আমরা আনন্দের পাশাপাশি সম্মানিত বোধ করছি।

এ প্রসঙ্গে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান সমাজের পিছিয়ে পড়া বেদে ও হিজরা জনগোষ্ঠী, অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষাসহ নানা বিষয় নিয়ে উত্তরণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। তারই অংশ হিসেবে দৌলতদিয়ার এ পল্লীতে ২ হাজার বাসিন্দার জন্য ২ হাজার কেজি কোরবানির মাংস বিতরণ করা হল।যেন এতে সবাই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে মনে করতে পারে যে তারাও মানুষ।

এটা অভূতপূর্ব একটা আনন্দের ঘটনা উল্লেখ করে পুলিশ সুপার আরও বলেন, আমরা যৌনকর্মীদের জানাজার বন্দোবস্ত করেছি, তারা অনেক অন্যায় অত্যাচারের শিকার হতো সেটা বন্ধ করেছি। মানুষ হিসাবে তারা যাতে মুক্ত আলোয় মর্যাদা লাভ করতে পারে আমরা সে বিষয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

ডিআইজি হাবিবুরের পক্ষে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে কোরবানির মাংস বিতরণ

 গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 
০২ আগস্ট ২০২০, ১০:৩৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান পরিচালিত উত্তরণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ হতে দেশের বৃহত্তম দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর অসহায় ২ হাজার নারীকে ১ কেজি করে কোরবানির মাংস বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার পবিত্র ঈদুল আযহার দিন বিকালে যৌনপল্লী সংলগ্ন ইউপি সদস্য আবদুল জলিল ফকিরের বাড়ির আঙ্গিনায় রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান উপস্থিত থেকে এ মাংস বিতরণ করেন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রশাসনিকভাবে গত ২০ মার্চ থেকে এ যৌনপল্লী লকডাউনে রয়েছে।পল্লীতে জনসাধারণের যাতায়াত কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। এতে করে পল্লীতে বসবাসরত কয়েক হাজার মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে। সরকারি-বেসরকারি ত্রাণের উপর নির্ভর করে বেঁচে আছে তারা।

এ অবস্থার মধ্যে বন্যায় ডুবে গেছে পল্লীর বেশিরভাগ ঘরবাড়ি।এত দুর্যোগের মধ্যে ঈদুল আযহা তাদের কাছে আরেকটি কষ্টের কারণ হয়ে এসেছে। পল্লীর শিশুদের মুখে একটু ভালো খাবার ও নতুন জামা কিনে দিতে পারেনি প্রায় সব অসহায় মা।এ পরিস্থিতিতে ডিআইজি হাবিবুর রহমান ও পুলিশ সুপার তাদের পাশে দাঁড়ানোয় তারা কিছুটা মানসিক প্রশান্তি পাচ্ছেন।

মাংস বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি আশিকুর রহমান, পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল্লাহ আল তায়াবীর, স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল জলিল ফকির, পল্লীর অসহায় নারী ঐক্য কল্যাণ সংস্থার সভানেত্রী ঝুমুর বেগম, উত্তরণ ফাউন্ডেশনের গোয়ালন্দ উপজেলা শাখার সভানেত্রী মাহিয়া মাহি প্রমুখ।

নাম প্রকাশ না করে মাংস গ্রহণকালে কয়েকজন নারীর চোখে কৃতজ্ঞতার অশ্রু দেখা যায়। তারা বলেন, আমরাও যে মানুষ, দুর্যোগে আমাদেরও যে কষ্ট হয়, আমাদের জীবনেও যে ঈদ আছে সেটা আর কেউ না বুঝলেও ডিআইজি ও এসপি বুঝেছেন। এতে আমরা আনন্দের পাশাপাশি সম্মানিত বোধ করছি। 

এ প্রসঙ্গে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান সমাজের পিছিয়ে পড়া বেদে ও হিজরা জনগোষ্ঠী, অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষাসহ নানা বিষয় নিয়ে উত্তরণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। তারই অংশ হিসেবে দৌলতদিয়ার এ পল্লীতে ২ হাজার বাসিন্দার জন্য ২ হাজার কেজি কোরবানির মাংস বিতরণ করা হল।যেন এতে সবাই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে মনে করতে পারে যে তারাও মানুষ। 

এটা অভূতপূর্ব একটা আনন্দের ঘটনা উল্লেখ করে পুলিশ সুপার আরও বলেন, আমরা যৌনকর্মীদের জানাজার বন্দোবস্ত করেছি, তারা অনেক অন্যায় অত্যাচারের শিকার হতো সেটা বন্ধ করেছি। মানুষ হিসাবে তারা যাতে মুক্ত আলোয় মর্যাদা লাভ করতে পারে আমরা সে বিষয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন