ছাগলের চামড়া ৫ টাকা!
jugantor
ছাগলের চামড়া ৫ টাকা!

  বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি  

০২ আগস্ট ২০২০, ১৩:০৪:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর বাঘয় ৫ টাকা দরে ছাগলের চামড়া বিক্রি হয়েছে। শনিবার ঈদুল আযহার দিন দুপুরে কোরবানির পশুর চামড়া ফড়িয়াররা গ্রামে গ্রামে ঘুরে এ চামড়া কিনতে দেখা দেখা গেছে।

এ বিষয়ে আড়ানী গোচর গ্রামের ফড়িয়ার চামড়া ব্যবসায়ী আরিফুল রহমান বলেন, চাহিদা না থাকায় বকরি ছাগলের একটি চামড়া ৫ টাকা দরে ক্রয় করছি। এ দামে কিনে নিয়ে স্থানীয় আড়তে বিক্রি করব। পরিবহন খরচ বাদ দিয়ে একটি ছাগলে চামড়াতে এক থেকে দুই টাকা লাভের আশা করছি।

আড়ানী গোচর গ্রামের সমাজ প্রধান আকরাম আলী বলেন, চামড়ার কোনো চাহিদা নেই। কোরবানির পশুর চামড়া কেউ কিনতে চাচ্ছিল না। অবশেষে স্থানীয় একজন ফড়িয়া এসে খাসী ছাগলের চামড়া প্রতিটি ৩০ টাকা আর ছাগী ছাগলের চামড়া ৫ টাকা দরে বিক্রি করেছি। গত বছর যে দাম ছিল তার চেয়ে দ্বিগুণ দাম কমে চামড়া বিক্রি করেছি।

আড়ানীর চামড়া আড়তদার ইলিয়াস হোসেন বলেন, চাহিদা না থাকায় চামড়া কম দামে নিতে হচ্ছে। এ চামড়া কিনেও লাভ হবে কিনা জানা নেই। তারপরও কিনেছি। ফড়িয়াদের কাছে দুই-এক টাকা বেশি দিয়ে চামড়া কিনেছি। এছাড়াও সমাজ প্রধানের প্রতিনিধিরা চামড়া নিয়ে আসছেন। তাদেরও কাছে থেকে ফড়িয়াদের মতো দাম দিয়ে কিনেছি।

ছাগলের চামড়া ৫ টাকা!

 বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি 
০২ আগস্ট ২০২০, ০১:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর বাঘয় ৫ টাকা দরে ছাগলের চামড়া বিক্রি হয়েছে। শনিবার ঈদুল আযহার দিন দুপুরে কোরবানির পশুর চামড়া ফড়িয়াররা গ্রামে গ্রামে ঘুরে এ চামড়া কিনতে দেখা দেখা গেছে।

এ বিষয়ে আড়ানী গোচর গ্রামের ফড়িয়ার চামড়া ব্যবসায়ী আরিফুল রহমান বলেন, চাহিদা না থাকায় বকরি ছাগলের একটি চামড়া ৫ টাকা দরে ক্রয় করছি। এ দামে কিনে নিয়ে স্থানীয় আড়তে বিক্রি করব। পরিবহন খরচ বাদ দিয়ে একটি ছাগলে চামড়াতে এক থেকে দুই টাকা লাভের আশা করছি।

আড়ানী গোচর গ্রামের সমাজ প্রধান আকরাম আলী বলেন, চামড়ার কোনো চাহিদা নেই। কোরবানির পশুর চামড়া কেউ কিনতে চাচ্ছিল না। অবশেষে স্থানীয় একজন ফড়িয়া এসে খাসী ছাগলের চামড়া প্রতিটি ৩০ টাকা আর ছাগী ছাগলের চামড়া ৫ টাকা দরে বিক্রি করেছি। গত বছর যে দাম ছিল তার চেয়ে দ্বিগুণ দাম কমে চামড়া বিক্রি করেছি।

আড়ানীর চামড়া আড়তদার ইলিয়াস হোসেন বলেন, চাহিদা না থাকায় চামড়া কম দামে নিতে হচ্ছে। এ চামড়া কিনেও লাভ হবে কিনা জানা নেই। তারপরও কিনেছি। ফড়িয়াদের কাছে দুই-এক টাকা বেশি দিয়ে চামড়া কিনেছি। এছাড়াও সমাজ প্রধানের প্রতিনিধিরা চামড়া নিয়ে আসছেন। তাদেরও কাছে থেকে ফড়িয়াদের মতো দাম দিয়ে কিনেছি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন