মোবাইল না পেয়ে হাফেজের আত্মহত্যা
jugantor
মোবাইল না পেয়ে হাফেজের আত্মহত্যা

  দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

০৩ আগস্ট ২০২০, ১১:১৪:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর দুমকিতে পছন্দের মোবাইল ফোন না পাওয়ার অভিমানে রিয়াজ (২০) নামের এক কোরআনে হাফেজ ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে।

রোববার উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মোল্লাবাড়িতে এ অপমৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত রিয়াজ ৫ বছর আগে হাফেজি পাস করেছে। তার পিতা আবদুল মালেক মোল্লা ঢাকায় চাকরি করছেন ও মা বিদেশে থাকেন। রিয়াজ একাই বাড়িতে বসবাস করছিলেন। রিয়াজের বড় ভাই সিরাজুল ইসলাম ঢাকায় চাকরি করছেন।

নিহতের পিতা আবদুল মালেক মোল্লা জানান, গত বৃহস্পতিবার রিয়াজ ওর বড় ভাইয়ের কাছে একটি মোবাইল কিনে দেয়ার জন্য অনুরোধ করে। কাঙ্ক্ষিত মোবাইল ফোন না পাওয়ায় ক্ষোভ, দুঃখ ও অভিমানে সে (রিয়াজ) বসত ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

বাড়িতে একাকীত্বে বসবাসের হতাশা ও এলাকার বখে যাওয়া কতিপয় সমবয়সী বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে সে মাদকাসক্ত হয়ে পরছিল। মোবাইল ফোনের অভিমান নাকি নেশার কারণে কিশোর হাফেজ গলায় ফাঁস দিয়েছে- তা স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

দুমকি থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, রিয়াজ তার পরিবারের কাছে একটি মোবাইল চেয়েছিল। এছাড়াও শুনেছি মাদক সেবন করতেন তবে কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন তা এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

মোবাইল না পেয়ে হাফেজের আত্মহত্যা

 দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
০৩ আগস্ট ২০২০, ১১:১৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর দুমকিতে পছন্দের মোবাইল ফোন না পাওয়ার অভিমানে রিয়াজ (২০) নামের এক কোরআনে হাফেজ ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে।

রোববার উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মোল্লাবাড়িতে এ অপমৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত রিয়াজ ৫ বছর আগে হাফেজি পাস করেছে। তার পিতা আবদুল মালেক মোল্লা ঢাকায় চাকরি করছেন ও মা বিদেশে থাকেন। রিয়াজ একাই বাড়িতে বসবাস করছিলেন। রিয়াজের বড় ভাই সিরাজুল ইসলাম ঢাকায় চাকরি করছেন।

নিহতের পিতা আবদুল মালেক মোল্লা জানান, গত বৃহস্পতিবার রিয়াজ ওর বড় ভাইয়ের কাছে একটি মোবাইল কিনে দেয়ার জন্য অনুরোধ করে। কাঙ্ক্ষিত মোবাইল ফোন না পাওয়ায় ক্ষোভ, দুঃখ ও অভিমানে সে (রিয়াজ) বসত ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

বাড়িতে একাকীত্বে বসবাসের হতাশা ও এলাকার বখে যাওয়া কতিপয় সমবয়সী বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে সে মাদকাসক্ত হয়ে পরছিল। মোবাইল ফোনের অভিমান নাকি নেশার কারণে কিশোর হাফেজ গলায় ফাঁস দিয়েছে- তা স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

দুমকি থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, রিয়াজ তার পরিবারের কাছে একটি মোবাইল চেয়েছিল। এছাড়াও শুনেছি মাদক সেবন করতেন তবে কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন তা এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন