স্বপন দাসের পরিবারের কেউ বেঁচে রইল না
jugantor
স্বপন দাসের পরিবারের কেউ বেঁচে রইল না

  দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৩ আগস্ট ২০২০, ১২:২৯:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ঈদের আগের দিন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুর্ঘটনায় সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের শ্যামারচর (বাগহাটি) গ্রামের নিহত স্বপন কুমার দাসের পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে ৪ জন। রোববার মারা গেল শেষ সদস্যও। এতে স্বপন দাসের পরিবারের কেউই আর বেঁচে রইলো না।

ঈদের আগের দিন শুক্রবার এনজিও কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাসের কর্মস্থল মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থেকে ঈদের ছুটিতে সপরিবারে গ্রামের বাড়ি আসছিল।

ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ওসমানীনগর থানার বড়াইয়া চাঁনপুর নামক স্থানে কুমিল্লা ট্রান্সপোর্টের বাসের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা যায় পরিবারের ৪ জন। একমাত্র কিশোর সৌরভ তৎক্ষণাৎ প্রাণে বেঁচে গেলেও ৩ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মারা গেল শেষ সদস্য সৌরভ। রোববার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় পরিবারের একমাত্র বেচে থাকা কিশোর সৌরভ।

স্বপন দাসের বড় ভাই বাকরুদ্ধ সমর দাস জানান, আমার একমাত্র ছোট ভাই স্বপন প্রত্যেক ঈদে ও দুর্গাপূজার ছুটিতে বাড়িতে আসতো। এবারও তার বৃহস্পতিবারে আসার কথা ছিল। না আসাতে বৃহস্পতিবার রাতে মোবাইলে জানতে পারি তারা শুক্রবার ভোরে রওয়ানা হবে। কিন্তু বিধি তাদের আর বাড়িতে ফিরতে দিলেন না।

শোকে পাথর সমর দাস আরও জানান, ছোটভাই ও তার স্ত্রী লাভলী রানী দাস যমজ দুই সন্তানসহ ঘটনাস্থলে মারা গেলেও পরিবারের স্বপ্ন সৌরভ (১৪) প্রাণে বেঁচে যায় সেদিন। কিন্তু সেও আর বেঁচে রইল না।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই স্বপন কুমার দাস স্ত্রী লাভলী রানী দাস ও তিন ছেলেকে নিয়ে প্রাইভেটকারে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে ফিরছিলেন।নিহত স্বপন কুমার দাস শ্যামারচর গ্রামের হরিধন দাসের ছেলে।

স্বপন দাসের পরিবারের কেউ বেঁচে রইল না

 দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৩ আগস্ট ২০২০, ১২:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঈদের আগের দিন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুর্ঘটনায় সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের শ্যামারচর (বাগহাটি) গ্রামের নিহত স্বপন কুমার দাসের পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে ৪ জন। রোববার মারা গেল শেষ সদস্যও। এতে স্বপন দাসের পরিবারের কেউই আর বেঁচে রইলো না।

ঈদের আগের দিন শুক্রবার এনজিও কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাসের কর্মস্থল মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থেকে ঈদের ছুটিতে সপরিবারে গ্রামের বাড়ি আসছিল।

ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ওসমানীনগর থানার বড়াইয়া চাঁনপুর নামক স্থানে কুমিল্লা ট্রান্সপোর্টের বাসের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা যায় পরিবারের ৪ জন। একমাত্র কিশোর সৌরভ তৎক্ষণাৎ প্রাণে বেঁচে গেলেও ৩ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মারা গেল শেষ সদস্য সৌরভ। রোববার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় পরিবারের একমাত্র বেচে থাকা কিশোর সৌরভ।

স্বপন দাসের বড় ভাই বাকরুদ্ধ সমর দাস জানান, আমার একমাত্র ছোট ভাই স্বপন প্রত্যেক ঈদে ও দুর্গাপূজার ছুটিতে বাড়িতে আসতো। এবারও তার বৃহস্পতিবারে আসার কথা ছিল। না আসাতে বৃহস্পতিবার রাতে মোবাইলে জানতে পারি তারা শুক্রবার ভোরে রওয়ানা হবে। কিন্তু বিধি তাদের আর বাড়িতে ফিরতে দিলেন না।

শোকে পাথর সমর দাস আরও জানান, ছোটভাই ও তার স্ত্রী লাভলী রানী দাস যমজ দুই সন্তানসহ ঘটনাস্থলে মারা গেলেও পরিবারের স্বপ্ন সৌরভ (১৪) প্রাণে বেঁচে যায় সেদিন। কিন্তু সেও আর বেঁচে রইল না।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই স্বপন কুমার দাস স্ত্রী লাভলী রানী দাস ও তিন ছেলেকে নিয়ে প্রাইভেটকারে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে ফিরছিলেন।নিহত স্বপন কুমার দাস শ্যামারচর গ্রামের হরিধন দাসের ছেলে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন