‘ধাপের ওপর রান্দি, ধাপের ওপর খাই’
jugantor
‘ধাপের ওপর রান্দি, ধাপের ওপর খাই’

  কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৩ আগস্ট ২০২০, ১৩:৩৭:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

‘প্রায় ১০-১২ দিন হল বাড়িতে পানি উঠেছে। খুব কষ্টের মধ্য দিয়ে এই পানির ভিতর দিন কাটাচ্ছি। কচুরিপানা দিয়ে ধাপ বানিয়ে তার ওপর গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি নিয়ে বসবাস করছি। এখন এই ধাপের ওপর রান্দি বাড়ি, ধাপের ওপর খাই।’

এভাবেই কথা গুলো বলছিলেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের দিপঙ্কর বালার স্ত্রী লক্ষ্মী বালা।

কলাবাড়ী ইউনিয়নের রামনগর, কাফুলাবাড়ী, শিমুলবাড়ী গ্রামের ৩ শতাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় চেয়ারম্যান মাইকেল ওঝা। তিনি জানান, শতাধিক পরিবার ঘর বাড়ি ছেড়ে রামনগর বাজার ও এর পাশের এলাকাগুলোর উঁচু জায়গায় এসে আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকে বাড়িতে কচুরিপানা দিয়ে ধাপ তৈরি করে তার ওপর বসবাস করছেন। অপরদিকে কলাবাড়ী ইউনিয়নের নিম্ন এলাকার প্রায় ৫ শতাধিক মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।

রামনগর গ্রামের রেখা রানী বাগচী বলেন, প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে পানি বন্দি অবস্থায় আছি। বাড়িতে ধাপ বানিয়ে তার ওপর খুব কষ্টে বসবাস করছি। এখন পর্যন্ত সরকারি কোনো ত্রাণ সহায়তা পাইনি।

কুমরিয়া গ্রামের পরিতোষ বিশ্বাস বলেন, ধার দেনা করে ১০ বিঘা জমিতে মাছের ঘের করেছিলাম। বন্যার পানিতে ঘেরের সমস্ত মাছ ভেসে গেছে। আমি এখন পরিবার পরিজন নিয়ে কীভাবে বাঁচবো ভেবে পাচ্ছি না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মাহফুজুর রহমান বলেন, ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসন থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬৫টি পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হয়েছে। আগামীতেও উপজেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবে।

‘ধাপের ওপর রান্দি, ধাপের ওপর খাই’

 কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৩ আগস্ট ২০২০, ০১:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

‘প্রায় ১০-১২ দিন হল বাড়িতে পানি উঠেছে। খুব কষ্টের মধ্য দিয়ে এই পানির ভিতর দিন কাটাচ্ছি। কচুরিপানা দিয়ে ধাপ বানিয়ে তার ওপর গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি নিয়ে বসবাস করছি। এখন এই ধাপের ওপর রান্দি বাড়ি, ধাপের ওপর খাই।’

এভাবেই কথা গুলো বলছিলেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের দিপঙ্কর বালার স্ত্রী লক্ষ্মী বালা।

কলাবাড়ী ইউনিয়নের রামনগর, কাফুলাবাড়ী, শিমুলবাড়ী গ্রামের ৩ শতাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় চেয়ারম্যান মাইকেল ওঝা। তিনি জানান, শতাধিক পরিবার ঘর বাড়ি ছেড়ে রামনগর বাজার ও এর পাশের এলাকাগুলোর উঁচু জায়গায় এসে আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকে বাড়িতে কচুরিপানা দিয়ে ধাপ তৈরি করে তার ওপর বসবাস করছেন। অপরদিকে কলাবাড়ী ইউনিয়নের নিম্ন এলাকার প্রায় ৫ শতাধিক মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।

রামনগর গ্রামের রেখা রানী বাগচী বলেন, প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে পানি বন্দি অবস্থায় আছি। বাড়িতে ধাপ বানিয়ে তার ওপর খুব কষ্টে বসবাস করছি। এখন পর্যন্ত সরকারি কোনো ত্রাণ সহায়তা পাইনি।

কুমরিয়া গ্রামের পরিতোষ বিশ্বাস বলেন, ধার দেনা করে ১০ বিঘা জমিতে মাছের ঘের করেছিলাম। বন্যার পানিতে ঘেরের সমস্ত মাছ ভেসে গেছে। আমি এখন পরিবার পরিজন নিয়ে কীভাবে বাঁচবো ভেবে পাচ্ছি না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মাহফুজুর রহমান বলেন, ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসন থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬৫টি পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হয়েছে। আগামীতেও উপজেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বন্যা ২০২০

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন