পুলিশের তাড়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ, আসামির মৃত্যু
jugantor
পুলিশের তাড়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ, আসামির মৃত্যু

  বগুড়া ব্যুরো  

০৪ আগস্ট ২০২০, ১৪:৩৫:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পুলিশের তাড়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ, আসামির মৃত্যু
ছবি: যুগান্তর

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের তাড়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মোস্তাফিজার রহমান মাসুম (৩৫) নামে এক আসামির মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার দুপুরে এলাকাবাসী করতোয়া নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।

রোববার বিকালের দিকে মাসুম উপজেলার মহাস্থান এলাকায় নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।

এদিকে বিচারের দাবিতে মরদেহ রেখে প্রায় ১৫ মিনিট ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন এলাকাবাসী। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার ও অবরোধ তুলে নেয়।

মোস্তাফিজার রহমান মাসুম বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়নের মহাস্থান বারিদারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য বজলুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, মাসুমের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় মাদকের সাতটি মামলার মধ্যে দুটির ওয়ারেন্ট ছিল।

রোববার বিকাল ৬টার দিকে সাদা পোশাকে কয়েকজন পুলিশ মহাস্থান প্রতাবাজু গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। পুলিশের তাড়া খেয়ে ও গ্রেফতারের ভয়ে মাসুম পাশে করতোয়া নদীতে ঝাঁপ দেন। পুলিশ তাকে না পেয়ে ফিরে যায়।

এর পর এলাকাবাসী ও শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নদীতে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাননি।

এদিকে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এলাকাবাসী করতোয়া নদী থেকে মাসুমের মরদেহ উদ্ধার করেন। এর পর তার বিচারের দাবিতে মহাস্থান হাট এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে মরদেহ রেখে অবরোধ করেন। প্রায় ১৫ মিনিট পর শিবগঞ্জ থানা পুলিশ এলে অবরোধ তুলে নেয়া হয়।

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী এবং সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, মাসুমের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় মাদকের সাতটি মামলা রয়েছে। রোববার বিকালে তিনি পুলিশকে দেখে গ্রেফতার এড়াতে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।
 
সোমবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার হলে জনগণ মহাসড়কে অবরোধ করেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

পুলিশের তাড়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ, আসামির মৃত্যু

 বগুড়া ব্যুরো 
০৪ আগস্ট ২০২০, ০২:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পুলিশের তাড়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ, আসামির মৃত্যু
ছবি: যুগান্তর

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের তাড়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মোস্তাফিজার রহমান মাসুম (৩৫) নামে এক আসামির মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার দুপুরে এলাকাবাসী করতোয়া নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।

রোববার বিকালের দিকে মাসুম উপজেলার মহাস্থান এলাকায় নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।

এদিকে বিচারের দাবিতে মরদেহ রেখে প্রায় ১৫ মিনিট ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন এলাকাবাসী। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার ও অবরোধ তুলে নেয়।

মোস্তাফিজার রহমান মাসুম বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়নের মহাস্থান বারিদারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য বজলুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, মাসুমের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় মাদকের সাতটি মামলার মধ্যে দুটির ওয়ারেন্ট ছিল।

রোববার বিকাল ৬টার দিকে সাদা পোশাকে কয়েকজন পুলিশ মহাস্থান প্রতাবাজু গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। পুলিশের তাড়া খেয়ে ও গ্রেফতারের ভয়ে মাসুম পাশে করতোয়া নদীতে ঝাঁপ দেন। পুলিশ তাকে না পেয়ে ফিরে যায়।

এর পর এলাকাবাসী ও শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নদীতে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাননি।

এদিকে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এলাকাবাসী করতোয়া নদী থেকে মাসুমের মরদেহ উদ্ধার করেন। এর পর তার বিচারের দাবিতে মহাস্থান হাট এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে মরদেহ রেখে অবরোধ করেন। প্রায় ১৫ মিনিট পর শিবগঞ্জ থানা পুলিশ এলে অবরোধ তুলে নেয়া হয়।

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী এবং সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, মাসুমের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় মাদকের সাতটি মামলা রয়েছে। রোববার বিকালে তিনি পুলিশকে দেখে গ্রেফতার এড়াতে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।

সোমবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার হলে জনগণ মহাসড়কে অবরোধ করেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন