এক নারীকে নিয়ে দুই স্বামীর দ্বন্দ্ব, প্রাণ গেল প্রথমজনের
jugantor
এক নারীকে নিয়ে দুই স্বামীর দ্বন্দ্ব, প্রাণ গেল প্রথমজনের

  বাগেরহাট প্রতিনিধি  

০৪ আগস্ট ২০২০, ১৯:৩৩:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় এক নারীকে নিয়ে দুই স্বামীর দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষে প্রাণ গেল প্রথম স্বামী মো. শাহ আলম বিশ্বাসের (৫০)। সংঘর্ষে আহত হওয়ার ১০ দিনের মাথায় শনিবার রাতে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শাহ আলম।

সোমবার সকালে শাহ আলমের লাশ তার নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমান হাওলাদারের (৪৮) অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এ ঘটনায় শরণখোলা থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, প্রায় দুই যুগ আগে উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের পশ্চিম কদমতলা গ্রামের আবদুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে শাহ আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় পশ্চিম খাদা গ্রামের মানিক হাওলাদারের মেয়ে নূপুর বেগমের (৩৫)। তাদের সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল দাম্পত্য কলহ। এ কারণে শাহ আলমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে দ্বিতীয় বিয়ে করে নূপুর বেগম।

এ নিয়ে দুই স্বামীর মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত ২২ জুলাই রাত ১২টার দিকে প্রথম স্বামী শাহ আলম বিশ্বাস চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমানকে। এ সময় রহমানের আত্মীয়স্বজনরা এসে শাহ আলমকেও আটক করে বেদম মারধর করে।

প্রথম পর্যায়ে গুরুতর আহত দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমানের মৃত্যুর আশঙ্কা ছিল। ফলে প্রথম স্বামী শাহ আলমকে মারধরের বিষয়টি চাপা পড়ে যায়। যার কারণে ভীতসন্ত্রস্ত স্বজনরা শাহ আলমকে ওই রাতে গোপনে শরণখোলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত খুলনা মেডিকেলে (খুমেক) রেফার্ড করান।

পরবর্তীতে খুমেকে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয় শাহ আলমকে। ঘটনার ১০ দিনের মাথায় গত শনিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শরণখোলা থানার ওসি এসকে আবদুল্লাহ আল সাইদ জানান, শাহ আলমের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। এর আগে মারামারির ঘটনার আ. রহমানের পক্ষে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

এক নারীকে নিয়ে দুই স্বামীর দ্বন্দ্ব, প্রাণ গেল প্রথমজনের

 বাগেরহাট প্রতিনিধি 
০৪ আগস্ট ২০২০, ০৭:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় এক নারীকে নিয়ে দুই স্বামীর দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষে প্রাণ গেল প্রথম স্বামী মো. শাহ আলম বিশ্বাসের (৫০)। সংঘর্ষে আহত হওয়ার ১০ দিনের মাথায় শনিবার রাতে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শাহ আলম।

সোমবার সকালে শাহ আলমের লাশ তার নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমান হাওলাদারের (৪৮) অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এ ঘটনায় শরণখোলা থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, প্রায় দুই যুগ আগে উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের পশ্চিম কদমতলা গ্রামের আবদুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে শাহ আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় পশ্চিম খাদা গ্রামের মানিক হাওলাদারের মেয়ে নূপুর বেগমের (৩৫)। তাদের সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল দাম্পত্য কলহ। এ কারণে শাহ আলমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে দ্বিতীয় বিয়ে করে নূপুর বেগম।

এ নিয়ে দুই স্বামীর মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত ২২ জুলাই রাত ১২টার দিকে প্রথম স্বামী শাহ আলম বিশ্বাস চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমানকে। এ সময় রহমানের আত্মীয়স্বজনরা এসে শাহ আলমকেও আটক করে বেদম মারধর করে।

প্রথম পর্যায়ে গুরুতর আহত দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমানের মৃত্যুর আশঙ্কা ছিল। ফলে প্রথম স্বামী শাহ আলমকে মারধরের বিষয়টি চাপা পড়ে যায়। যার কারণে ভীতসন্ত্রস্ত স্বজনরা শাহ আলমকে ওই রাতে গোপনে শরণখোলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত খুলনা মেডিকেলে (খুমেক) রেফার্ড করান।

পরবর্তীতে খুমেকে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয় শাহ আলমকে। ঘটনার ১০ দিনের মাথায় গত শনিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শরণখোলা থানার ওসি এসকে আবদুল্লাহ আল সাইদ জানান, শাহ আলমের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। এর আগে মারামারির ঘটনার আ. রহমানের পক্ষে একটি মামলা দায়ের করা হয়।