লেবাননে বিস্ফোরণে নিহত মাদারীপুরের মিজানের বাড়িতে মাতম
jugantor
লেবাননে বিস্ফোরণে নিহত মাদারীপুরের মিজানের বাড়িতে মাতম

  কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

০৫ আগস্ট ২০২০, ২০:৫৪:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

লেবাননের বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত দুই বাংলাদেশির মধ্যে একজন মো. মিজান হোসেন। তিনি মাদারীপুরের কালকিনির উপজেলার শিকারমঙ্গল এলাকার মিয়ারহাট গ্রামের জাহাঙ্গীর খানের ছেলে। তার মৃত্যুর খবরে মিজানের বাড়িতে এখন চলছে শোকের মাতম। স্বজনদের কান্নায় ভারি হয়ে উঠেছে পুরো গ্রাম।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৫ বছর আগে অনেক স্বপ্ন নিয়ে মিজান পাড়ি জমান লেবাননে। পরিবারের মুখে একটু হাসি ফোটানোর জন্য নিজের সুখকে ত্যাগ করে বেছে নিয়েছিলেন প্রবাস নামের কষ্টের জীবনকে। তিনি সেখানে একটি কোম্পানির অফিস বয় হিসেবে চাকরি নিয়েছিলেন। তার প্রতি মাসের রোজগারের টাকা দিয়ে চলত পুরো সংসার।

তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে মিজান ছিলেন বড়। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর খেলার কাছে হেরে গেলেন মিজান। বিস্ফোরণ কেড়ে নিয়েছে তার প্রাণ। এখন তার লাশ পাওয়ার অপেক্ষার প্রহর গুনছে পরিবার। কখন প্রিয়সন্তান মিজানের মুখখানা দেখবেন পরিবারের সদস্যরা। এমন আকুতি মিনতিতে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

নিহতের চাচা হোসেন বারবার মূর্ছা গিয়ে বলেন, আমার ভাতিজা মিজান তার পরিবারের স্বপ্নপূরণের জন্য লেবানন গিয়েছিল। তারপর থেকে সংসার ভালোই চলছি। কিন্তু একটি দুর্ঘটনায় আমাদের সবার স্বপ্ন আজ  মিথ্যা হয়ে গেল। আমরা মিজানের লাশ দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত চাই।

নিহত মিজানের বৃদ্ধ বাবা জাহাঙ্গীর খান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি কিছুই চাই না। শুধু আমার ছেলের লাশ চাই।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি মো. নাছিরউদ্দিন মৃধা বলেন, এ ব্যাপারে আমি জেনেছি। ঘটনাটা অনেক দুঃখজনক।

লেবাননে বিস্ফোরণে নিহত মাদারীপুরের মিজানের বাড়িতে মাতম

 কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
০৫ আগস্ট ২০২০, ০৮:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লেবাননের বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত দুই বাংলাদেশির মধ্যে একজন মো. মিজান হোসেন। তিনি মাদারীপুরের কালকিনির উপজেলার শিকারমঙ্গল এলাকার মিয়ারহাট গ্রামের জাহাঙ্গীর খানের ছেলে। তার মৃত্যুর খবরে মিজানের বাড়িতে এখন চলছে শোকের মাতম। স্বজনদের কান্নায় ভারি হয়ে উঠেছে পুরো গ্রাম।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৫ বছর আগে অনেক স্বপ্ন নিয়ে মিজান পাড়ি জমান লেবাননে। পরিবারের মুখে একটু হাসি ফোটানোর জন্য নিজের সুখকে ত্যাগ করে বেছে নিয়েছিলেন প্রবাস নামের কষ্টের জীবনকে। তিনি সেখানে একটি কোম্পানির অফিস বয় হিসেবে চাকরি নিয়েছিলেন। তার প্রতি মাসের রোজগারের টাকা দিয়ে চলত পুরো সংসার।

তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে মিজান ছিলেন বড়। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর খেলার কাছে হেরে গেলেন মিজান। বিস্ফোরণ কেড়ে নিয়েছে তার প্রাণ। এখন তার লাশ পাওয়ার অপেক্ষার প্রহর গুনছে পরিবার। কখন প্রিয়সন্তান মিজানের মুখখানা দেখবেন পরিবারের সদস্যরা। এমন আকুতি মিনতিতে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

নিহতের চাচা হোসেন বারবার মূর্ছা গিয়ে বলেন, আমার ভাতিজা মিজান তার পরিবারের স্বপ্নপূরণের জন্য লেবানন গিয়েছিল। তারপর থেকে সংসার ভালোই চলছি। কিন্তু একটি দুর্ঘটনায় আমাদের সবার স্বপ্ন আজ মিথ্যা হয়ে গেল। আমরা মিজানের লাশ দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত চাই।

নিহত মিজানের বৃদ্ধ বাবা জাহাঙ্গীর খান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি কিছুই চাই না। শুধু আমার ছেলের লাশ চাই।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি মো. নাছিরউদ্দিন মৃধা বলেন, এ ব্যাপারে আমি জেনেছি। ঘটনাটা অনেক দুঃখজনক।

 

ঘটনাপ্রবাহ : লেবাননে বিস্ফোরণ