উত্তাল মেঘনায় ভেসে গেছে ফেরিঘাট, ভোলা শহর রক্ষা বাঁধে ধস
jugantor
উত্তাল মেঘনায় ভেসে গেছে ফেরিঘাট, ভোলা শহর রক্ষা বাঁধে ধস

  ভোলা প্রতিনিধি  

০৫ আগস্ট ২০২০, ২২:৫৬:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলায় বুধবার বিকালে ঘূর্ণি দমকা বাতাসে রুদ্রমূর্তি ধারণ করা মেঘনার ঢেউ একের পর এক আছড়ে পড়ায় ইলিশা ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট, দোকানপাট ভেসে গেছে। তলিয়ে গেছে ওই এলাকা।

ধনিয়া, তুলাতুলি, ইলিশা, রাজাপুর এলাকার শহররক্ষা বাঁধে ধস দেখা দেয়। রাজাপুর জোরখালে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়। বাঁধের ভাঙন ঠেকাতে স্থানীয়রা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

বুধবার দুপুরে ডুবে গেছে ৪টি ট্রলার। এর মধ্যে মনপুরা দক্ষিণ সাকুচিয়ার তালতলি এলাকায় ডুবে যাওয়া দুই ট্রলারের ১৮ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অপরদিকে ভোলার ইলিশা ও তুলাতলি এলাকায় নদীর পাড় এলাকায় ডুবে যায় আরও দুটি ট্রলার।

সকালে ভোলার ইলিশা ঘাট থেকে ৫ শতাধিক যাত্রী নিয়ে লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরী ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে সি-ট্রাক খিজির-৫ ঝড়ের তোড়ে ডুবো অবস্থার সৃষ্টি হয়। পরে মাঝ নদীতে একটি চরে আশ্রয় নিয়ে রক্ষা পায়। অপরদিকে ইলিশা ঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যেতে পারেনি এমভি পারিজাত, দোয়েল পাখি ও সি-ট্রাক-৮। ওই সব যানবাহন থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে নিরাপদে আশ্রয় দেয়া হয়।

এদিকে ঢাকা ও চট্টগ্রামগামী কয়েক হাজার যাত্রী ইলিশা ঘাটে আটকা পড়েছেন।

ভোলা নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান জানান, নদী হঠাৎ উত্তাল হওয়ায় নৌযানগুলোকে সতর্কভাবে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবদুল মান্নান জানান, শহরতলির তুলাতলি এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধের ওপর মেঘনার ঢেউ আছড়ে পড়ছে। বাঁধ রক্ষায় তারা কাজ করছেন।

তুলাতুলির বাঁধ এলকায় মনিরের ওয়ার্কশপ ভেসে গেছে। রাজাপুর ও ইলিশা হাজিকান্দি শহর রক্ষা বাঁধ বিকাল ৫টার মধ্যে তিন ভাগের দুই ভাগ ধসে গেছে। বাতাস অব্যাহত থাকলে ওই বাঁধ ধসে জেলা সদর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন স্থানীয়রা।

উত্তাল মেঘনায় ভেসে গেছে ফেরিঘাট, ভোলা শহর রক্ষা বাঁধে ধস

 ভোলা প্রতিনিধি 
০৫ আগস্ট ২০২০, ১০:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলায় বুধবার বিকালে ঘূর্ণি দমকা বাতাসে রুদ্রমূর্তি ধারণ করা মেঘনার ঢেউ একের পর এক আছড়ে পড়ায় ইলিশা ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট, দোকানপাট ভেসে গেছে। তলিয়ে গেছে ওই এলাকা।

ধনিয়া, তুলাতুলি, ইলিশা, রাজাপুর এলাকার শহররক্ষা বাঁধে ধস দেখা দেয়। রাজাপুর জোরখালে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়। বাঁধের ভাঙন ঠেকাতে স্থানীয়রা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

বুধবার দুপুরে ডুবে গেছে ৪টি ট্রলার। এর মধ্যে মনপুরা দক্ষিণ সাকুচিয়ার তালতলি এলাকায় ডুবে যাওয়া দুই ট্রলারের ১৮ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অপরদিকে ভোলার ইলিশা ও তুলাতলি এলাকায় নদীর পাড় এলাকায় ডুবে যায় আরও দুটি ট্রলার।

সকালে ভোলার ইলিশা ঘাট থেকে ৫ শতাধিক যাত্রী নিয়ে লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরী ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে সি-ট্রাক খিজির-৫ ঝড়ের তোড়ে ডুবো অবস্থার সৃষ্টি হয়। পরে মাঝ নদীতে একটি চরে আশ্রয় নিয়ে রক্ষা পায়। অপরদিকে ইলিশা ঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যেতে পারেনি এমভি পারিজাত, দোয়েল পাখি ও সি-ট্রাক-৮। ওই সব যানবাহন থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে নিরাপদে আশ্রয় দেয়া হয়।

এদিকে ঢাকা ও চট্টগ্রামগামী কয়েক হাজার যাত্রী ইলিশা ঘাটে আটকা পড়েছেন।

ভোলা নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান জানান, নদী হঠাৎ উত্তাল হওয়ায় নৌযানগুলোকে সতর্কভাবে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবদুল মান্নান জানান, শহরতলির তুলাতলি এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধের ওপর মেঘনার ঢেউ আছড়ে পড়ছে। বাঁধ রক্ষায় তারা কাজ করছেন।

তুলাতুলির বাঁধ এলকায় মনিরের ওয়ার্কশপ ভেসে গেছে। রাজাপুর ও ইলিশা হাজিকান্দি শহর রক্ষা বাঁধ বিকাল ৫টার মধ্যে তিন ভাগের দুই ভাগ ধসে গেছে। বাতাস অব্যাহত থাকলে ওই বাঁধ ধসে জেলা সদর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন স্থানীয়রা।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন