আনন্দ ভ্রমণে গিয়ে নৌকাডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮
jugantor
আনন্দ ভ্রমণে গিয়ে নৌকাডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮

  মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

০৬ আগস্ট ২০২০, ১০:৫৪:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

আনন্দ ভ্রমণে গিয়ে নৌকাডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮

নেত্রকোনার মদন উপজেলার হাওরে ইঞ্জিনচালিত নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ আরও এক তরুণের লাশ উদ্ধার করেছেন এলাকাবাসী। নিহতের নাম রাকিবের (২০)। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ১৮ জনে দাঁড়াল।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া রাজ আলী কান্দার এলাকার পেছনে ওই মরদেহ ভেসে উঠলে এলাকাবাসী উদ্ধার করেন।

মৃত রাকিব ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কোনাবাড়ী গ্রামের সিকতা ইউনিয়নের শফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি আটপাড়া উপজেলার তেলিগাতী টেঙ্গা জামিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।

এদিকে এ ঘটনা তদন্তে বুধবার রাতে নির্বাহী অফিসার বুলবুল আহমেদকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ফখরুল হাসান চৌধুরী, ওসি মো. রমিজুল হক, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আহমেদুল। আগামী সাত দিনের মধ্যে তাদের তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বলা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বুলবুল আহমেদ জানান, নিখোঁজ রাকিব নামে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ জনে।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমাকে প্রধান করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চার সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। আজ থেকেই তদন্তকাজ শুরু হবে। আমরা চেষ্টা করব আগামীকালই এর প্রতিবেদন সম্পন্ন করার।

উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার গোবিন্দশ্রী এলাকায় ৪৮ পর্যটক নিয়ে একটি নৌকা ডুবে যায়। ৩০ জন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও অন্যরা উঠতে পারেননি। ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন। বৃহস্পতিবার সকালে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃতদের সবার বাড়ি ময়মনসিংহ সদর ও গৌরীপুর উপজেলায়। সেখানে চলছে শোকের মাতম।

আনন্দ ভ্রমণে গিয়ে নৌকাডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮

 মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
০৬ আগস্ট ২০২০, ১০:৫৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আনন্দ ভ্রমণে গিয়ে নৌকাডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮
ছবি: যুগান্তর

নেত্রকোনার মদন উপজেলার হাওরে ইঞ্জিনচালিত নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ আরও এক তরুণের লাশ উদ্ধার করেছেন এলাকাবাসী। নিহতের নাম রাকিবের (২০)। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ১৮ জনে দাঁড়াল।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া রাজ আলী কান্দার এলাকার পেছনে ওই মরদেহ ভেসে উঠলে এলাকাবাসী উদ্ধার করেন।

মৃত রাকিব ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কোনাবাড়ী গ্রামের সিকতা ইউনিয়নের শফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি আটপাড়া উপজেলার তেলিগাতী টেঙ্গা জামিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।

এদিকে এ ঘটনা তদন্তে বুধবার রাতে নির্বাহী অফিসার বুলবুল আহমেদকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।  

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ফখরুল হাসান চৌধুরী, ওসি মো. রমিজুল হক, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আহমেদুল। আগামী সাত দিনের মধ্যে তাদের তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বলা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বুলবুল আহমেদ জানান, নিখোঁজ রাকিব নামে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ জনে।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমাকে প্রধান করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চার সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। আজ থেকেই তদন্তকাজ শুরু হবে। আমরা চেষ্টা করব আগামীকালই এর প্রতিবেদন সম্পন্ন করার।

 উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার গোবিন্দশ্রী এলাকায় ৪৮ পর্যটক নিয়ে একটি নৌকা ডুবে যায়। ৩০ জন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও অন্যরা উঠতে পারেননি। ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন। বৃহস্পতিবার সকালে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃতদের সবার বাড়ি ময়মনসিংহ সদর ও গৌরীপুর উপজেলায়। সেখানে চলছে শোকের মাতম।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন