পদ্মার পানি বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপরে
jugantor
পদ্মার পানি বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপরে

  শরীয়তপুর প্রতিনিধি  

০৬ আগস্ট ২০২০, ১৫:২১:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

পদ্মার পানি বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপরে
ছবি: যুগান্তর

ফের শরীয়তপুরে বন্যার পানি বৃদ্ধি পেয়ে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা ইতিপূর্বে দ্বিতীয় দফার বন্যার পানি বিপদসীমার চেয়ে ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন।

তিনি জানান, দুদফায় দীর্ঘ এক মাস বন্যার পানি স্থায়ী করার পর এক সপ্তাহ আগে পানি কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে যেতে চলছে। এমতবস্থায় গত তিন দিন ধরে পদ্মার আবার ফুঁসে উঠেছে।

অন্যদিকে পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার নড়িয়া, জাজিরা, ভেদরগঞ্জ ও শরীয়তপুর সদর উপজেলার প্রায় ৫০ ইউনিয়ন চারটি পৌরসভার কমপক্ষে পাঁচ লাখ মানুষ পুনরায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জেলা ত্রাণ শাখার প্রধান সহকারী রাকিব হোসেন জানান।

বানভাসি দুর্গত মানুষেরা বিশুদ্ধ খাবার পানীয় জল ও পয়ঃনিষ্কাশনে চরম সংকটে পড়েছে। নতুন করে হাঁটু ও কোমরপানিতে ডুবে গেছে রাস্তাঘাট।

সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে দুদফা বন্যা চলাকালীন চার উপজেলায় ৯৫০ টন জিআর চাল এবং চার হাজার পরিবারে শুকনো খাবার বিতরণ করেছে বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা ত্রাণ শাখার প্রধান সহকারী রাকিব হোসেন।

নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়ন্তি রুপা রায় বলেন, ইতোপূর্বে বন্যার পানি কমছিল। দুদিন ধরে আবার বন্যার পানি বাড়ছে। যেসব বাড়িঘরে পানি নেমে গিয়েছিল ওই সব বাড়িতে পুনরায় পানি উঠেছে। আমরা ইউনিয়নের পরিষদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি খোঁজখবর নিচ্ছি। আমাদের সরকারি ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত আছে।

পদ্মার পানি বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপরে

 শরীয়তপুর প্রতিনিধি 
০৬ আগস্ট ২০২০, ০৩:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পদ্মার পানি বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপরে
ছবি: যুগান্তর

ফের শরীয়তপুরে বন্যার পানি বৃদ্ধি পেয়ে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা ইতিপূর্বে দ্বিতীয় দফার বন্যার পানি বিপদসীমার চেয়ে ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন।

তিনি জানান, দুদফায় দীর্ঘ এক মাস বন্যার পানি স্থায়ী করার পর এক সপ্তাহ আগে পানি কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে যেতে চলছে। এমতবস্থায় গত তিন দিন ধরে পদ্মার আবার ফুঁসে উঠেছে।

অন্যদিকে পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার নড়িয়া, জাজিরা, ভেদরগঞ্জ ও শরীয়তপুর সদর উপজেলার প্রায় ৫০ ইউনিয়ন চারটি পৌরসভার কমপক্ষে পাঁচ লাখ মানুষ পুনরায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জেলা ত্রাণ শাখার প্রধান সহকারী রাকিব হোসেন জানান।

বানভাসি দুর্গত মানুষেরা বিশুদ্ধ খাবার পানীয় জল ও পয়ঃনিষ্কাশনে চরম সংকটে পড়েছে। নতুন করে হাঁটু ও কোমরপানিতে ডুবে গেছে রাস্তাঘাট।

সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে দুদফা বন্যা চলাকালীন চার উপজেলায় ৯৫০ টন জিআর চাল এবং চার হাজার পরিবারে শুকনো খাবার বিতরণ করেছে বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা ত্রাণ শাখার প্রধান সহকারী রাকিব হোসেন।

নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়ন্তি রুপা রায় বলেন, ইতোপূর্বে বন্যার পানি কমছিল। দুদিন ধরে আবার বন্যার পানি বাড়ছে। যেসব বাড়িঘরে পানি নেমে গিয়েছিল ওই সব বাড়িতে পুনরায় পানি উঠেছে। আমরা ইউনিয়নের পরিষদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি খোঁজখবর নিচ্ছি। আমাদের সরকারি ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত আছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন