বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে দিতেই মারা গেল স্কুলছাত্র
jugantor
বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে দিতেই মারা গেল স্কুলছাত্র

  কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি  

০৬ আগস্ট ২০২০, ২০:০৭:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর সেরকান্দী পৌরপাড়ার জেএন হাইস্কুলসংলগ্ন ছাত্তার মোড়ে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়ার সময় এমএন হাইস্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র তানভীরের (১৫) মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত তানভীর একই এলাকার ওবায়দুল ইসলাম বাচ্চুর ছেলে। তার সঙ্গে থাকা বন্ধুদের মধ্যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী জহুরুল ইসলামের স্ত্রী লাবনী আক্তার জানান, তানভীরসহ ৪ জন তার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার একপর্যায়ে তানভীর রোডের উপর উপুড় হয়ে পড়ে যায়। তখন ওর সঙ্গে থাকা ছেলেরা তাকে টেনে তুলে মাথায় পানি দিতে থাকে এবং চলতি ভ্যানে তাকে তুলে নিয়ে চলে যায়।

অপর প্রত্যক্ষদর্শী শহিদুলের ছেলে ভ্যানচালক শামিম জানান, তানভীরের সঙ্গে ছিল সেরকান্দী পৌরপাড়ার রেজাউল ইসলামের ছেলে নাঈম (১৫), এলঙ্গীপাড়ার আসিফ ইকবালের ছেলে বাঁধন (১৫) এবং সেরকান্দী গ্রামের তারেকের ছেলে সুমন (১৪)। কথা বলার একপর্যায়ে তানভীর পড়ে গেলে সে জিজ্ঞেস করে তোরা কী মেরেছিস? তখন তারা জানায় ওর মৃগী রোগ আছে; মাঝে মধ্যেই এমন হয়- এ কথা বলে পার্শ্ববর্তী কল থেকে পানি নিয়ে মাথায় দেয় এবং এক পর্যায়ে তার ভ্যানেই তানভীরকে নিয়ে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তানভীরকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের চাচা জহুরুল ইসলাম জানান, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়ার সময় তানভীরের মৃত্যু হয়েছে। তানভীরের মৃগী রোগ ছিল কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তার মৃগী রোগ ছিল না।

কুমারখালী থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়ার সময় তানভীরের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার আগ পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে দিতেই মারা গেল স্কুলছাত্র

 কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি 
০৬ আগস্ট ২০২০, ০৮:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর সেরকান্দী পৌরপাড়ার জেএন হাইস্কুলসংলগ্ন ছাত্তার মোড়ে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়ার সময় এমএন হাইস্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র তানভীরের (১৫) মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত তানভীর একই এলাকার ওবায়দুল ইসলাম বাচ্চুর ছেলে। তার সঙ্গে থাকা বন্ধুদের মধ্যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী জহুরুল ইসলামের স্ত্রী লাবনী আক্তার জানান, তানভীরসহ ৪ জন তার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার একপর্যায়ে তানভীর রোডের উপর উপুড় হয়ে পড়ে যায়। তখন ওর সঙ্গে থাকা ছেলেরা তাকে টেনে তুলে মাথায় পানি দিতে থাকে এবং চলতি ভ্যানে তাকে তুলে নিয়ে চলে যায়।

অপর প্রত্যক্ষদর্শী শহিদুলের ছেলে ভ্যানচালক শামিম জানান, তানভীরের সঙ্গে ছিল সেরকান্দী পৌরপাড়ার রেজাউল ইসলামের ছেলে নাঈম (১৫), এলঙ্গীপাড়ার আসিফ ইকবালের ছেলে বাঁধন (১৫) এবং সেরকান্দী গ্রামের তারেকের ছেলে সুমন (১৪)। কথা বলার একপর্যায়ে তানভীর পড়ে গেলে সে জিজ্ঞেস করে তোরা কী মেরেছিস? তখন তারা জানায় ওর মৃগী রোগ আছে; মাঝে মধ্যেই এমন হয়- এ কথা বলে পার্শ্ববর্তী কল থেকে পানি নিয়ে মাথায় দেয় এবং এক পর্যায়ে তার ভ্যানেই তানভীরকে নিয়ে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তানভীরকে মৃত ঘোষণা করেন। 

নিহতের চাচা জহুরুল ইসলাম জানান, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়ার সময় তানভীরের মৃত্যু হয়েছে। তানভীরের মৃগী রোগ ছিল কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তার মৃগী রোগ ছিল না। 

কুমারখালী থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়ার সময় তানভীরের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার আগ পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন