বিয়ের প্রলোভনে গার্মেন্টকর্মীকে ঘাটাইলে নিয়ে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১
jugantor
বিয়ের প্রলোভনে গার্মেন্টকর্মীকে ঘাটাইলে নিয়ে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

  ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

০৬ আগস্ট ২০২০, ২১:২৫:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ের প্রলোভনে ঘাটাইলে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গার্মেন্টকর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাতে উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের বিদুরিয়া গ্রামে বনের ভেতরে। পুলিশ ধর্ষককে গ্রেফতার করে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

ধর্ষিতার বাড়ি গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায়। এ ঘটনায় ধর্ষিতা বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় মামলা করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মতিউর রহমান জানান, উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের বিদুরিয়া গ্রামের রফিকের ছেলে মুন্না মিয়া ও ওই তরুণী দুজনই গার্মেন্টকর্মী। ঈদের আগের দিন রাতে মুন্না মিয়া মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিদুরিয়া গ্রামে তার বাড়িতে নিয়ে আসে। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে এবং উভয়ই বিবাহিত থাকায় মুন্নার পরিবার ও গ্রামবাসী তাদের বিয়ে দিতে বাধা দেয়।

এ অবস্থায় মেয়েটি সোমবার পর্যন্ত মুন্নাদের বাড়িতেই অবস্থান করে। এক পর্যায়ে মুন্নার পরিবার ও গ্রামবাসী মোবাইল ফোনে মেয়েটির বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মেয়েটির বাবা মেয়েটিকে গাড়িতে উঠিয়ে গাইবান্ধা পাঠিয়ে দিতে অনুরোধ করেন।

পরে সোমবার রাতে প্রতিবেশী সোলায়মান খান (৪২) মেয়েটিকে গাড়িতে উঠিয়ে দিতে নিয়ে যায়। বাড়ি থেকে কিছু দূরে বন বিভাগের সামাজিক বনের ভেতর নিয়ে সে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। রাতেই মেয়েটি ঘাটাইল থানায় গিয়ে সোলায়মান খানকে আসামি করে অভিযোগ দায়ের করেন। মঙ্গলবার মামলাটি থানায় এফআইআর ভুক্ত হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রামের বাড়ি থেকে সোলায়মানকে গ্রেফতার করে।

ঘাটাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ছাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আসামি সোলায়মানকে গ্রেফতার করে বুধবার জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

বিয়ের প্রলোভনে গার্মেন্টকর্মীকে ঘাটাইলে নিয়ে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

 ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
০৬ আগস্ট ২০২০, ০৯:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ের প্রলোভনে ঘাটাইলে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গার্মেন্টকর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাতে উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের বিদুরিয়া গ্রামে বনের ভেতরে। পুলিশ ধর্ষককে গ্রেফতার করে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

ধর্ষিতার বাড়ি গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায়। এ ঘটনায় ধর্ষিতা বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় মামলা করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মতিউর রহমান জানান, উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের বিদুরিয়া গ্রামের রফিকের ছেলে মুন্না মিয়া ও ওই তরুণী দুজনই গার্মেন্টকর্মী। ঈদের আগের দিন রাতে মুন্না মিয়া মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিদুরিয়া গ্রামে তার বাড়িতে নিয়ে আসে। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে এবং উভয়ই বিবাহিত থাকায় মুন্নার পরিবার ও গ্রামবাসী তাদের বিয়ে দিতে বাধা দেয়।

এ অবস্থায় মেয়েটি সোমবার পর্যন্ত মুন্নাদের বাড়িতেই অবস্থান করে। এক পর্যায়ে মুন্নার পরিবার ও গ্রামবাসী মোবাইল ফোনে মেয়েটির বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মেয়েটির বাবা মেয়েটিকে গাড়িতে উঠিয়ে গাইবান্ধা পাঠিয়ে দিতে অনুরোধ করেন।

পরে সোমবার রাতে প্রতিবেশী সোলায়মান খান (৪২) মেয়েটিকে গাড়িতে উঠিয়ে দিতে নিয়ে যায়। বাড়ি থেকে কিছু দূরে বন বিভাগের সামাজিক বনের ভেতর নিয়ে সে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। রাতেই মেয়েটি ঘাটাইল থানায় গিয়ে সোলায়মান খানকে আসামি করে অভিযোগ দায়ের করেন। মঙ্গলবার মামলাটি থানায় এফআইআর ভুক্ত হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রামের বাড়ি থেকে সোলায়মানকে গ্রেফতার করে।

ঘাটাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ছাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আসামি সোলায়মানকে গ্রেফতার করে বুধবার জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন