রাস্তা নির্মাণের ১০ বছর পর জানা গেল নকশায় ত্রুটি ছিল!
jugantor
রাস্তা নির্মাণের ১০ বছর পর জানা গেল নকশায় ত্রুটি ছিল!

  সিলেট ব্যুরো  

০৮ আগস্ট ২০২০, ২১:৫৫:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটে রাস্তা নির্মাণের ১০ বছর পর কর্মকর্তারা পরিদর্শনে এসে দেখলেন নকশাতেই ত্রুটি ছিল। শনিবার সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল সড়কটি পরিদর্শন করে এমন তথ্য দেন।

এসময় তারা দ্রুত নকশা সংশোধন করে পূনঃপ্রকল্প প্রস্তাবনা প্রেরণের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগের সিলেট অফিসের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

আলোচিত এই সড়কটি হচ্ছে সিলেটের বিমানবন্দর-বাদাঘাট-তেমুখি সড়ক। ২০১০ সালের আগস্টে এই সড়কের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

৪৫ কোটি ৪২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা ব্যয়ে এই সড়কের কাজ শুরু হয় ২০১১ সালে। ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করার পর ২০১৪ সালে হঠাৎ আটকে যায় এ প্রকল্পের কাজ। এরপর এই সড়ককে চার লেনে উন্নীত করতে একটি প্রস্তাব তৈরি করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

২০১৬ সালে সেই প্রস্তাবনা পাঠানো হয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে। পরের বছর আগের প্রস্তাবনা সংশোধন করে চার লেন সড়কের সঙ্গে দুটি সার্ভিস লেন যুক্ত করে নতুন প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এরপর বছর খানেক আগে ফের চার লেনের প্রস্তাবনা যায় মন্ত্রণালয়ে।

শনিবার সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম প্রধান জাকির হোসেনের নেতৃত্বে সড়কটি পরিদর্শনে আসা উচ্চ পর্যায়ের দল নকশায় ত্রুটি ছিল বলে জানান।

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম প্রধান জাকির হোসেন, উপ প্রধান শামিম উজ্জামান, সওজের রোড সেফটি স্ট্যান্ডার্ড বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর সিদ্দিকী, পরিকল্পনা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিন রেজা, সওজ সিলেটের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ারুল আমিন, অতিরিক্ত প্রকৌশলী তুষার সিনহা, সওজ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী রিতেশ বডুয়া।

উল্লেখ্য, দেশের অন্যতম বৃহৎ পাথর কোয়ারি সিলেটের ভোলাগঞ্জের পাথরবাহী ট্রাক নগরীর ভেতর দিয়ে চলাচল করে যাতে যানজটের সৃষ্টি করতে না পারে সেই লক্ষ্যে বিমানবন্দর-বাদাঘাট-তেমুখি সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল।
 

রাস্তা নির্মাণের ১০ বছর পর জানা গেল নকশায় ত্রুটি ছিল!

 সিলেট ব্যুরো 
০৮ আগস্ট ২০২০, ০৯:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটে রাস্তা নির্মাণের ১০ বছর পর কর্মকর্তারা পরিদর্শনে এসে দেখলেন নকশাতেই ত্রুটি ছিল। শনিবার সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল সড়কটি পরিদর্শন করে এমন তথ্য দেন।

এসময় তারা দ্রুত নকশা সংশোধন করে পূনঃপ্রকল্প প্রস্তাবনা প্রেরণের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগের সিলেট অফিসের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

আলোচিত এই সড়কটি হচ্ছে সিলেটের বিমানবন্দর-বাদাঘাট-তেমুখি সড়ক। ২০১০ সালের আগস্টে এই সড়কের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

৪৫ কোটি ৪২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা ব্যয়ে এই সড়কের কাজ শুরু হয় ২০১১ সালে। ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করার পর ২০১৪ সালে হঠাৎ আটকে যায় এ প্রকল্পের কাজ। এরপর এই সড়ককে চার লেনে উন্নীত করতে একটি প্রস্তাব তৈরি করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

২০১৬ সালে সেই প্রস্তাবনা পাঠানো হয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে। পরের বছর আগের প্রস্তাবনা সংশোধন করে চার লেন সড়কের সঙ্গে দুটি সার্ভিস লেন যুক্ত করে নতুন প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এরপর বছর খানেক আগে ফের চার লেনের প্রস্তাবনা যায় মন্ত্রণালয়ে।

শনিবার সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম প্রধান জাকির হোসেনের নেতৃত্বে সড়কটি পরিদর্শনে আসা উচ্চ পর্যায়ের দল নকশায় ত্রুটি ছিল বলে জানান।

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম প্রধান জাকির হোসেন, উপ প্রধান শামিম উজ্জামান, সওজের রোড সেফটি স্ট্যান্ডার্ড বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর সিদ্দিকী, পরিকল্পনা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিন রেজা, সওজ সিলেটের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ারুল আমিন, অতিরিক্ত প্রকৌশলী তুষার সিনহা, সওজ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী রিতেশ বডুয়া।

উল্লেখ্য, দেশের অন্যতম বৃহৎ পাথর কোয়ারি সিলেটের ভোলাগঞ্জের পাথরবাহী ট্রাক নগরীর ভেতর দিয়ে চলাচল করে যাতে যানজটের সৃষ্টি করতে না পারে সেই লক্ষ্যে বিমানবন্দর-বাদাঘাট-তেমুখি সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন