স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর
jugantor
স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর

  উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  

০৯ আগস্ট ২০২০, ২২:৪২:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল জয়গুন বেগম নামের এক গৃহবধূর। উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোড়াই রঘুরায় মিয়াজীপাড়া গ্রামে শনিবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে আটক করেছে।

এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোড়াই রঘুরায় মিয়াজীপাড়া গ্রামের সরজ উদ্দিনের পুত্র আলম বাদশা (৩০) পারিবারিক বিষয়কে কেন্দ্র করে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে শনিবার বিকালে স্ত্রী শিউলী বেগমকে মারধর করছিল। এ সময় প্রতিবেশী মোজাম্মেল হকের স্ত্রী জয়গুন বেগম (৪৪) তাদের ঝগড়া থামাতে গেলে আলম বাদশা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকেই এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করে।

মারপিটের ফলে জয়গুন বেগমের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর জখম হয়। পরে পরিবারের লোকজন স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের মাধ্যমে তার প্রাথমিক চিকিৎসা করান। পরদিন রোববার বাড়িতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় জয়গুন বেগমের মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে বিকালেই লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় আলম বাদশা পালিয়ে গেলে তার বাবা সরজ উদ্দিনকে (৫৫) আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

উলিপুর থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, এ ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সোমবার সকালে কুড়িগ্রাম মর্গে প্রেরণ করা হবে।

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর

 উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি 
০৯ আগস্ট ২০২০, ১০:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল জয়গুন বেগম নামের এক গৃহবধূর। উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোড়াই রঘুরায় মিয়াজীপাড়া গ্রামে শনিবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে আটক করেছে।

এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোড়াই রঘুরায় মিয়াজীপাড়া গ্রামের সরজ উদ্দিনের পুত্র আলম বাদশা (৩০) পারিবারিক বিষয়কে কেন্দ্র করে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে শনিবার বিকালে স্ত্রী শিউলী বেগমকে মারধর করছিল। এ সময় প্রতিবেশী মোজাম্মেল হকের স্ত্রী জয়গুন বেগম (৪৪) তাদের ঝগড়া থামাতে গেলে আলম বাদশা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকেই এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করে।

মারপিটের ফলে জয়গুন বেগমের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর জখম হয়। পরে পরিবারের লোকজন স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের মাধ্যমে তার প্রাথমিক চিকিৎসা করান। পরদিন রোববার বাড়িতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় জয়গুন বেগমের মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে বিকালেই লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় আলম বাদশা পালিয়ে গেলে তার বাবা সরজ উদ্দিনকে (৫৫) আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

উলিপুর থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, এ ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সোমবার সকালে কুড়িগ্রাম মর্গে প্রেরণ করা হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন