রংপুরে স্কুলছাত্রী পূর্ণিমা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন
jugantor
রংপুরে স্কুলছাত্রী পূর্ণিমা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন

  রংপুর ব্যুরো  

০৯ আগস্ট ২০২০, ২২:৪৫:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুর নগরীতে চ্যাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী পূর্ণিমা রানী রায় সুন্দরী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে মেট্রোপলিটন হাজিরহাট থানার পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার প্রধান আসামি সুরজিত ও তার সহযোগী শ্যামলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে রংপুরের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) কাজী মুত্তাকিন ইবনু মিনানের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মনোহর বাবুপাড়া গ্রামের ফটিক চন্দ্র রায়ের মেয়ে মনোহর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী পূর্ণিমা রানী রায় ওরফে সুন্দরী। তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে একই এলাকার সুরজিত চন্দ্র রায়। সম্পর্কের এক পর্যায়ে পূর্ণিমা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

পূর্ণিমার বাবা ও মা ঢাকায় থাকার সুবাদে গত ২৫ জুলাই সুরজিত সকালে তার বাড়িতে যায়। পূর্ণিমা সুরজিতকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে উভয়ের মাঝে ঝগড়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে সুরজিত তাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে ওড়না দিয়ে ঘরের তীরের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় সে তার মোবাইলটি পূর্ণিমার ঘরে ফেলে যায়। 

পূর্ণিমার স্বজনেরা তার ঝুলন্ত লাশ দেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল করার সময় তাকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানতে পারে।
এ ঘটনায় নিহত কিশোরীর বাবা ফটিক চন্দ্র রায় বাদী হয়ে সুরজিতকে আসামি করে রংপুর মেট্রোপলিটন হাজীরহাট থানায় মামলা করেন।

পুলিশি অভিযানের এক পর্যায়ে সুরজিত আদালতে আত্মসমর্পণ করে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক শাহআলম আদালতে রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত তাকে দুই দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। শনিবার সুরজিত আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

জবানবন্দিতে সে জানায়, গত সাত মাস ধরে পূর্ণিমার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক। এক পর্যায়ে পূর্ণিমা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করায় তাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে।

রংপুরে স্কুলছাত্রী পূর্ণিমা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন

 রংপুর ব্যুরো 
০৯ আগস্ট ২০২০, ১০:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুর নগরীতে চ্যাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী পূর্ণিমা রানী রায় সুন্দরী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে মেট্রোপলিটন হাজিরহাট থানার পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার প্রধান আসামি সুরজিত ও তার সহযোগী শ্যামলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে রংপুরের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) কাজী মুত্তাকিন ইবনু মিনানের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মনোহর বাবুপাড়া গ্রামের ফটিক চন্দ্র রায়ের মেয়ে মনোহর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী পূর্ণিমা রানী রায় ওরফে সুন্দরী। তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে একই এলাকার সুরজিত চন্দ্র রায়। সম্পর্কের এক পর্যায়ে পূর্ণিমা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

পূর্ণিমার বাবা ও মা ঢাকায় থাকার সুবাদে গত ২৫ জুলাই সুরজিত সকালে তার বাড়িতে যায়। পূর্ণিমা সুরজিতকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে উভয়ের মাঝে ঝগড়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে সুরজিত তাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে ওড়না দিয়ে ঘরের তীরের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় সে তার মোবাইলটি পূর্ণিমার ঘরে ফেলে যায়।

পূর্ণিমার স্বজনেরা তার ঝুলন্ত লাশ দেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল করার সময় তাকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানতে পারে।
এ ঘটনায় নিহত কিশোরীর বাবা ফটিক চন্দ্র রায় বাদী হয়ে সুরজিতকে আসামি করে রংপুর মেট্রোপলিটন হাজীরহাট থানায় মামলা করেন।

পুলিশি অভিযানের এক পর্যায়ে সুরজিত আদালতে আত্মসমর্পণ করে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক শাহআলম আদালতে রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত তাকে দুই দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। শনিবার সুরজিত আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

জবানবন্দিতে সে জানায়, গত সাত মাস ধরে পূর্ণিমার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক। এক পর্যায়ে পূর্ণিমা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করায় তাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন