ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে শীতলক্ষ্যায় ফেলে দেয় প্রেমিক
jugantor
ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে শীতলক্ষ্যায় ফেলে দেয় প্রেমিক

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৯ আগস্ট ২০২০, ২২:৫২:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী দিশা মনিকে (১৪) ধর্ষণের পর হত্যা করে শীতলক্ষ্যা নদীতে লাশ ফেলে দেয়ার দায় স্বীকার করে আদালতে প্রেমিকসহ ৩ জন জবানবন্দি দিয়েছে। রোববার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পৃথক দুটি আদালত ৩ জনের জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন।

এর আগে বন্দর উপজেলার বরন্দি এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে প্রেমিক আবদুল্লাহ (২২) একই এলাকার শামসুদ্দিনের ছেলে ইজিবাইক চালক রকিব (১৯) ও ইস্পাহানি ঘাট এলাকার নৌকার মাঝি খলিলুর রহমানকে (৩৬) গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী অফিসার নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার এসআই শামীম আল মামুন জানান, নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ পাক্কারোড এলাকার গার্মেন্ট শ্রমিক জাহাঙ্গীরের মেয়ে দিশা মনির সঙ্গে বখাটে আবদুল্লাহ তার বন্ধু ইজিবাইক চালক রকিবের মোবাইল দিয়ে ৩ মাস প্রেম করেছে। ঘটনার দিন ৪ জুলাই ঘোরাফেরার কথা বলে দিশা মনিকে ইস্পাহানি ঘাটে ডেকে নেয় আবদুল্লাহ। এরপর বন্দরের বিভিন্ন স্থানে রকিবের ইজিবাইক দিয়ে ঘোরাফেরা করে।

পরে রাত ৮টায় ইস্পাহানি ঘাটে এসে খলিলুর রহমানের নৌকায় উঠে শীতলক্ষ্যা নদীতে ঘুরতে থাকে। এক পর্যায়ে নৌকার মধ্যেই আবদুল্লাহ প্রথমে দিশা মনিকে ধর্ষণ করে। এরপর মাঝি খলিলুর রহমানও জোর করে দিশা মনিকে ধর্ষণ করে। এতে দিশা মনি বাকবিতণ্ডা করলে ক্ষিপ্ত হয়ে খলিলুর রহমান দিশা মনির দুই পা চেপে ধরে আর আবদুল্লাহ গলাটিপে হত্যা করে। তারপর দুজনে মিলে দিশা মনির লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয়।

তদন্তকারী অফিসার আরও জানান, মামলার দায়িত্ব পাওয়ার পর মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দোষ স্বীকার করেছে। নদীতে স্রোত থাকায় দিশা মনির লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আদালতে তারা দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।

তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রকিব ও আবদুল্লাহর জবানবন্দি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ন কবীর ও খলিলুর রহমানের জবানবন্দি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন হোসেন গ্রহণ করেছেন।

দিশা মনির বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমার দুই মেয়ের মধ্যে দিশা মনি ছোট। সে বাড়ির কাছে একটি প্রাইমারি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। ঘটনার দিন কাউকে কিছু না বলেই বের হয়ে যায়। তারপর খোঁজাখুঁজি করে সদর মডেল থানায় মামলা করেছি। আমার মেয়ের লাশটিও পেলাম না। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের বিচার চাই।

ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে শীতলক্ষ্যায় ফেলে দেয় প্রেমিক

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৯ আগস্ট ২০২০, ১০:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী দিশা মনিকে (১৪) ধর্ষণের পর হত্যা করে শীতলক্ষ্যা নদীতে লাশ ফেলে দেয়ার দায় স্বীকার করে আদালতে প্রেমিকসহ ৩ জন জবানবন্দি দিয়েছে। রোববার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পৃথক দুটি আদালত ৩ জনের জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন।

এর আগে বন্দর উপজেলার বরন্দি এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে প্রেমিক আবদুল্লাহ (২২) একই এলাকার শামসুদ্দিনের ছেলে ইজিবাইক চালক রকিব (১৯) ও ইস্পাহানি ঘাট এলাকার নৌকার মাঝি খলিলুর রহমানকে (৩৬) গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী অফিসার নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার এসআই শামীম আল মামুন জানান, নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ পাক্কারোড এলাকার গার্মেন্ট শ্রমিক জাহাঙ্গীরের মেয়ে দিশা মনির সঙ্গে বখাটে আবদুল্লাহ তার বন্ধু ইজিবাইক চালক রকিবের মোবাইল দিয়ে ৩ মাস প্রেম করেছে। ঘটনার দিন ৪ জুলাই ঘোরাফেরার কথা বলে দিশা মনিকে ইস্পাহানি ঘাটে ডেকে নেয় আবদুল্লাহ। এরপর বন্দরের বিভিন্ন স্থানে রকিবের ইজিবাইক দিয়ে ঘোরাফেরা করে।

পরে রাত ৮টায় ইস্পাহানি ঘাটে এসে খলিলুর রহমানের নৌকায় উঠে শীতলক্ষ্যা নদীতে ঘুরতে থাকে। এক পর্যায়ে নৌকার মধ্যেই আবদুল্লাহ প্রথমে দিশা মনিকে ধর্ষণ করে। এরপর মাঝি খলিলুর রহমানও জোর করে দিশা মনিকে ধর্ষণ করে। এতে দিশা মনি বাকবিতণ্ডা করলে ক্ষিপ্ত হয়ে খলিলুর রহমান দিশা মনির দুই পা চেপে ধরে আর আবদুল্লাহ গলাটিপে হত্যা করে। তারপর দুজনে মিলে দিশা মনির লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয়।

তদন্তকারী অফিসার আরও জানান, মামলার দায়িত্ব পাওয়ার পর মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দোষ স্বীকার করেছে। নদীতে স্রোত থাকায় দিশা মনির লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আদালতে তারা দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।

তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রকিব ও আবদুল্লাহর জবানবন্দি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ন কবীর ও খলিলুর রহমানের জবানবন্দি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন হোসেন গ্রহণ করেছেন।

দিশা মনির বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমার দুই মেয়ের মধ্যে দিশা মনি ছোট। সে বাড়ির কাছে একটি প্রাইমারি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। ঘটনার দিন কাউকে কিছু না বলেই বের হয়ে যায়। তারপর খোঁজাখুঁজি করে সদর মডেল থানায় মামলা করেছি। আমার মেয়ের লাশটিও পেলাম না। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের বিচার চাই।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন