কিশোর গ্যাংয়ের ধাওয়ায় নদীতে ডুবে প্রাণ গেল ২ ছাত্রের
jugantor
কিশোর গ্যাংয়ের ধাওয়ায় নদীতে ডুবে প্রাণ গেল ২ ছাত্রের

  নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি  

১১ আগস্ট ২০২০, ০১:৫০:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ চলাকালে আত্মরক্ষার্থে শীতলক্ষ্যা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিহাদ (১৮) ও জিসান (১৫) নামের ২ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। 

সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বন্দরের ইস্পাহানী ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে জেলে জাল দিয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। 

এদিকে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ২ জনকে আটক করে নিয়ে গেছে বন্দর থানা পুলিশ। নিহতদের মধ্যে নিহাদ বন্দরের কদমরসুল কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর মানবিক বিভাগের ছাত্র। সে নাজিমউদ্দিন খানের ছেলে ও বন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি কমল খানের ভাতিজা। 

নিহত জিসান বন্দরের বিএম ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র জিসান (১৫)। সে বন্দর প্রেসক্লাবের সাবেক সেক্রেটারি কাজিম উদ্দিনের ছেলে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বন্দরের ইস্পাহানী ঘাট এলাকায় সোমবার বিকালে স্থানীয় দুই কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় একপক্ষের ধাওয়ায় আত্মরক্ষার্থে শীতলক্ষ্যা নদীতে ঝাঁপ দেয় নিহাদ ও জিসান। এদিকে নিহাদ ও জিসান নদী থেকে উঠে গেছে এমনটি ভেবে স্থানীয় লোকজন তেমন একটা গুরুত্ব দেয়নি। 

তবে রাতে তারা বাড়িতে ফিরে না যাওয়ায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে জানতে পারে সংঘর্ষ ও ধাওয়ার ঘটনায় তারা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিল। এসময় তাদের খোঁজে শীতলক্ষ্যার তীরে বাড়তে শুরু করে জনসমাগম। রাত সোয়া ১১টায় দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। 

বন্দর থানার ওসি ফখরুদ্দিন জানান, শীতলক্ষ্যায় এক কলেজছাত্র ও এক স্কুলছাত্র নিখোঁজের খবর পেয়ে বন্দর থানা ও নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করে। রাতে দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এব্যাপারে নিহতের স্বজনরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে। 

কিশোর গ্যাংয়ের ধাওয়ায় নদীতে ডুবে প্রাণ গেল ২ ছাত্রের

 নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি 
১১ আগস্ট ২০২০, ০১:৫০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ চলাকালে আত্মরক্ষার্থে শীতলক্ষ্যা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিহাদ (১৮) ও জিসান (১৫) নামের ২ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বন্দরের ইস্পাহানী ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে জেলে জাল দিয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন।

এদিকে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ২ জনকে আটক করে নিয়ে গেছে বন্দর থানা পুলিশ। নিহতদের মধ্যে নিহাদ বন্দরের কদমরসুল কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর মানবিক বিভাগের ছাত্র। সে নাজিমউদ্দিন খানের ছেলে ও বন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি কমল খানের ভাতিজা।

নিহত জিসান বন্দরের বিএম ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র জিসান (১৫)। সে বন্দর প্রেসক্লাবের সাবেক সেক্রেটারি কাজিম উদ্দিনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বন্দরের ইস্পাহানী ঘাট এলাকায় সোমবার বিকালে স্থানীয় দুই কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় একপক্ষের ধাওয়ায় আত্মরক্ষার্থে শীতলক্ষ্যা নদীতে ঝাঁপ দেয় নিহাদ ও জিসান। এদিকে নিহাদ ও জিসান নদী থেকে উঠে গেছে এমনটি ভেবে স্থানীয় লোকজন তেমন একটা গুরুত্ব দেয়নি।

তবে রাতে তারা বাড়িতে ফিরে না যাওয়ায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে জানতে পারে সংঘর্ষ ও ধাওয়ার ঘটনায় তারা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিল। এসময় তাদের খোঁজে শীতলক্ষ্যার তীরে বাড়তে শুরু করে জনসমাগম। রাত সোয়া ১১টায় দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

বন্দর থানার ওসি ফখরুদ্দিন জানান, শীতলক্ষ্যায় এক কলেজছাত্র ও এক স্কুলছাত্র নিখোঁজের খবর পেয়ে বন্দর থানা ও নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করে। রাতে দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এব্যাপারে নিহতের স্বজনরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে।