দিনাজপুরে সহপাঠীকে বেঁধে রেখে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ
jugantor
দিনাজপুরে সহপাঠীকে বেঁধে রেখে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

১১ আগস্ট ২০২০, ১৮:৩৬:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সহপাঠীকে বেঁধে রেখে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে ধর্ষকসহ বখাটে ৪ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষণ ও মারপিটের ঘটনায় সহপাঠী রিয়াজুল ইসলাম বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেফতারকৃত চার যুবক হল- নবাবগঞ্জ উপজেলার শওগুন খোলা গ্রামের শরীয়তের পুত্র শাহিনুর আলম (৩০) ও ইসমাইলের পুত্র আজিম (৩১), ফতেপুর মাড়াষ গ্রামের মতিনের পুত্র সাজেদুল (২১) ও আবু তাহেরের পুত্র সাহারুল (২০)।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি অশোক কুমার চৌহান জানান, সোমবার নবাবগঞ্জ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র রিয়াজুল ইসলাম (২০) তার এক সহপাঠী বান্ধবীকে নিয়ে নবাবগঞ্জ শেখ রাসেল জাতীয় উদ্যান আশুরার বিলে বেড়াতে যায়। দুজন ছেলে-মেয়েকে আশুরার বিলের পাশে নির্জন এলাকায় দেখতে পেয়ে দুপুরে ওই চারজনসহ কয়েক যুবক রিয়াজুল ইসলামকে মারধর ও বেঁধে রেখে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়।

তিনি জানান, বখাটে শাহিনুর আলম কলেজছাত্রীকে জোরপূর্বক শালবনের ভিতরে নিয়ে ধর্ষণ করে। একই সঙ্গে রিয়াজুল ইসলামকে আটকে রাখা অন্যান্য যুবকরা কলেজছাত্রীর মুক্তিপণ বাবদ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। ঘটনাক্রমে সহপাঠী রিয়াজুল বিকাশ থেকে টাকা আনার কথা বলে পালিয়ে পথিমধ্যে এক ব্যক্তির কাছে মোবাইল ফোন চেয়ে নিয়ে ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে ঘটনার বর্ণনা জানান।

ওসি জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে স্থানীয় বনরক্ষা কমিটির সহায়তায় ধর্ষক শাহিনুরসহ ৪ জনকে আটক করে।

ওসি অশোক কুমার চৌহান আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় অপহরণপূর্বক ধর্ষণ ও চাঁদা দাবির মামলা হয়েছে। ধর্ষক শাহিনুর ও তার ৩ সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মঙ্গলবার দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ঘটনাটি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। নবাবগঞ্জ শেখ রাসেল জাতীয় উদ্যানের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

দিনাজপুরে সহপাঠীকে বেঁধে রেখে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
১১ আগস্ট ২০২০, ০৬:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সহপাঠীকে বেঁধে রেখে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে ধর্ষকসহ বখাটে ৪ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষণ ও মারপিটের ঘটনায় সহপাঠী রিয়াজুল ইসলাম বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেফতারকৃত চার যুবক হল- নবাবগঞ্জ উপজেলার শওগুন খোলা গ্রামের শরীয়তের পুত্র শাহিনুর আলম (৩০) ও ইসমাইলের পুত্র আজিম (৩১), ফতেপুর মাড়াষ গ্রামের মতিনের পুত্র সাজেদুল (২১) ও আবু তাহেরের পুত্র সাহারুল (২০)।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি অশোক কুমার চৌহান জানান, সোমবার নবাবগঞ্জ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র রিয়াজুল ইসলাম (২০) তার এক সহপাঠী বান্ধবীকে নিয়ে নবাবগঞ্জ শেখ রাসেল জাতীয় উদ্যান আশুরার বিলে বেড়াতে যায়। দুজন ছেলে-মেয়েকে আশুরার বিলের পাশে নির্জন এলাকায় দেখতে পেয়ে দুপুরে ওই চারজনসহ কয়েক যুবক রিয়াজুল ইসলামকে মারধর ও বেঁধে রেখে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়।

তিনি জানান, বখাটে শাহিনুর আলম কলেজছাত্রীকে জোরপূর্বক শালবনের ভিতরে নিয়ে ধর্ষণ করে। একই সঙ্গে রিয়াজুল ইসলামকে আটকে রাখা অন্যান্য যুবকরা কলেজছাত্রীর মুক্তিপণ বাবদ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। ঘটনাক্রমে সহপাঠী রিয়াজুল বিকাশ থেকে টাকা আনার কথা বলে পালিয়ে পথিমধ্যে এক ব্যক্তির কাছে মোবাইল ফোন চেয়ে নিয়ে ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে ঘটনার বর্ণনা জানান।

ওসি জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে স্থানীয় বনরক্ষা কমিটির সহায়তায় ধর্ষক শাহিনুরসহ ৪ জনকে আটক করে।

ওসি অশোক কুমার চৌহান আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় অপহরণপূর্বক ধর্ষণ ও চাঁদা দাবির মামলা হয়েছে। ধর্ষক শাহিনুর ও তার ৩ সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মঙ্গলবার দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ঘটনাটি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। নবাবগঞ্জ শেখ রাসেল জাতীয় উদ্যানের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।