গোপালগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় আহত যুবলীগ নেতার মৃত্যু
jugantor
গোপালগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় আহত যুবলীগ নেতার মৃত্যু

  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি  

১১ আগস্ট ২০২০, ১৯:০৯:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

সন্ত্রাসী হামলায় আহত গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল মোল্লা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার সকালে খুলনার হেলথ কেয়ার ক্লিনিকে তিনি মারা যান।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, জমিজমা নিয়ে রাসেলের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী কাজী মাহমুদের দ্বন্দ্ব রয়েছে। গত ২৯ জুলাই রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘোষেরচর কলাবাগান এলাকার বাসায় ফিরছিলেন রাসেল। এ সময় পূর্ববিরোধের জের ধরে রাসেলকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা।

তিনি জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে খুলনা হেলথ কেয়ার ক্লিনিকে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

এ ব্যাপারে ৩০ জুলাই গোপালগঞ্জ সদর থানায় রাসেল মোল্লার মা বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় কাজী মাহামুদকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়।

গোপালগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় আহত যুবলীগ নেতার মৃত্যু

 গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 
১১ আগস্ট ২০২০, ০৭:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সন্ত্রাসী হামলায় আহত গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল মোল্লা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার সকালে খুলনার হেলথ কেয়ার ক্লিনিকে তিনি মারা যান।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, জমিজমা নিয়ে রাসেলের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী কাজী মাহমুদের দ্বন্দ্ব রয়েছে। গত ২৯ জুলাই রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘোষেরচর কলাবাগান এলাকার বাসায় ফিরছিলেন রাসেল। এ সময় পূর্ববিরোধের জের ধরে রাসেলকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা।

তিনি জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে খুলনা হেলথ কেয়ার ক্লিনিকে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

এ ব্যাপারে ৩০ জুলাই গোপালগঞ্জ সদর থানায় রাসেল মোল্লার মা বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় কাজী মাহামুদকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন