বৃষ্টি হলেই পানিবন্দি হয়ে পড়ে অভয়নগরের অর্ধশত পরিবার
jugantor
বৃষ্টি হলেই পানিবন্দি হয়ে পড়ে অভয়নগরের অর্ধশত পরিবার

  অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি  

১১ আগস্ট ২০২০, ২২:১৬:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

একটু বৃষ্টি হলেই অর্ধশত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। থমকে দাঁড়ায় সব কর্মকাণ্ড। এমনই এক পরিস্থিতির মধ্যে ১০ বছর যাবত বসবাস করছে অভয়নগর উপজেলার চলিশিয়া ইউনিয়ন গ্রামতলা ও নওয়াপাড়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী প্রায় ৫০টি পরিবার। 

পানিবন্দি থেকে মুক্তি পেতে ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌর মেয়র ও ইউপি চেয়ারম্যান বরাবর। 

মঙ্গলবার বিকালে সরেজমিন দেখা যায়, চলিশিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের গ্রামতলা ও নওয়াপাড়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের গাজীপুর গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে প্রায় ৫০টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। শিশু ও বৃদ্ধদের ঘরে আটকে রাখা হয়েছে। রান্নার কাজ চলছে অন্যত্র।

দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকায় ভেঙে পড়েছে কাঁচা ঘরবাড়ি। এই দুটি গ্রামের মধ্যে অবস্থিত খাড়েল বিল। সেই বিলে পানির পরিমাণ প্রায় ৬ ফুট। ভেসে গেছে মৎস্য ঘের ও তলিয়ে গেছে ফসলের ক্ষেত। পানিপ্রবাহের কালভার্টের মুখে বাড়ি করায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে পরিবারগুলো।

পানিবন্দি শরিফ সরদার, আবদুল গফ্ফার শেখ, গফ্ফার সরদার, হারুন শেখ, মহির সরদার জানান, ১০ বছর আগে চলিশিয়া ইউনিয়নের গ্রামতলা গ্রামের আবু জাফর পানিপ্রবাহের একমাত্র কালভার্টের মুখে মাটি ভরাট করে পাকা বাড়ি নির্মাণ করেন; যার ফলে পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে একটু বুষ্টি হলেই আমাদের ৫০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। তলিয়ে যায় মৎস্য ঘের ও ফসলের ক্ষেত। 

শরিফ সরদার জানান, এ পরিস্থিত থেকে মুক্তি পেতে কয়েকবার ইউএনও, পৌর মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এখনও মুক্তি মেলেনি।
সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করলে তিনি একটি পরিদর্শন টিম পাঠান। অদ্যাবধি কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। 

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুসেইন খান যুগান্তরকে জানান, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে একটি টিম পাঠানো হয়। পরিদর্শন টিমের রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বৃষ্টি হলেই পানিবন্দি হয়ে পড়ে অভয়নগরের অর্ধশত পরিবার

 অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি 
১১ আগস্ট ২০২০, ১০:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

একটু বৃষ্টি হলেই অর্ধশত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। থমকে দাঁড়ায় সব কর্মকাণ্ড। এমনই এক পরিস্থিতির মধ্যে ১০ বছর যাবত বসবাস করছে অভয়নগর উপজেলার চলিশিয়া ইউনিয়ন গ্রামতলা ও নওয়াপাড়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী প্রায় ৫০টি পরিবার।

পানিবন্দি থেকে মুক্তি পেতে ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌর মেয়র ও ইউপি চেয়ারম্যান বরাবর।

মঙ্গলবার বিকালে সরেজমিন দেখা যায়, চলিশিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের গ্রামতলা ও নওয়াপাড়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের গাজীপুর গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে প্রায় ৫০টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। শিশু ও বৃদ্ধদের ঘরে আটকে রাখা হয়েছে। রান্নার কাজ চলছে অন্যত্র।

দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকায় ভেঙে পড়েছে কাঁচা ঘরবাড়ি। এই দুটি গ্রামের মধ্যে অবস্থিত খাড়েল বিল। সেই বিলে পানির পরিমাণ প্রায় ৬ ফুট। ভেসে গেছে মৎস্য ঘের ও তলিয়ে গেছে ফসলের ক্ষেত। পানিপ্রবাহের কালভার্টের মুখে বাড়ি করায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে পরিবারগুলো।

পানিবন্দি শরিফ সরদার, আবদুল গফ্ফার শেখ, গফ্ফার সরদার, হারুন শেখ, মহির সরদার জানান, ১০ বছর আগে চলিশিয়া ইউনিয়নের গ্রামতলা গ্রামের আবু জাফর পানিপ্রবাহের একমাত্র কালভার্টের মুখে মাটি ভরাট করে পাকা বাড়ি নির্মাণ করেন; যার ফলে পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে একটু বুষ্টি হলেই আমাদের ৫০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। তলিয়ে যায় মৎস্য ঘের ও ফসলের ক্ষেত।

শরিফ সরদার জানান, এ পরিস্থিত থেকে মুক্তি পেতে কয়েকবার ইউএনও, পৌর মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এখনও মুক্তি মেলেনি।
সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করলে তিনি একটি পরিদর্শন টিম পাঠান। অদ্যাবধি কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুসেইন খান যুগান্তরকে জানান, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে একটি টিম পাঠানো হয়। পরিদর্শন টিমের রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন